Exim Bank Ltd.
ঢাকা, শনিবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

বাংলাদেশের স্টিফেন হকিং!

সাদাত হোসাইন সৌরভডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
বাংলাদেশের স্টিফেন হকিং!
জামাল নজরুল ইসলাম

এ দেশের একজন বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলামকে চেনেন? আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যিনি পরিচিত জেএন ইসলাম নামে। মেধা ও জ্ঞানে এই বিজ্ঞানী বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদেরও হার মানাবেন! ১৯৮৪ সালে কেমব্রিজের সোয়া লাখ টাকা বেতনের চাকরি ছেড়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মাত্র হাজার তিনেক টাকা বেতনে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তাঁর লেখা গবেষণাপত্রের সংখ্যা প্রায় ৬০। বলা হয় আধুনিক সময়ের সাত পদার্থ বিজ্ঞানীদের একজন তিনি। কেমব্রিজে পড়ার সময়ে হকিং ছিলেন তার রুমমেট। জেএন ইসলাম সম্পর্কে হকিং বলেন, "জেএন ইসলাম আমার রুমমেট, বন্ধু এবং এক অপরের শিক্ষক ছিলাম"।

এই মহিয়সী ব্যাক্তির জন্ম ঝিনাইদহ শহরে, ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি। তার বাবা এ শহরের মুন্সেফ ছিলেন। বাবার চাকরির বদলির সুবাদে এক বছর বয়সেই কলকাতায় চলে যান। কলকাতার মডেল স্কুলে পড়েছেন চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত। ঝলমলে শৈশবের অনেকখানি কেটেছে কলকাতায়। যদিও পড়াশোনা ও স্কুলের প্রতি তার তেমন আগ্রহ ছিল না। কলকাতা থেকে চট্টগ্রামে আসার পর কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা দেন। পরীক্ষায় বিশেষ কৃতিত্বের জন্য তাকে "ডাবল প্রমোশন" দিয়ে সরাসরি ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি করা হয়। এ কারণে তখন অনেকেরই নজর কাড়েন তিনি। এখানে পড়লেন নাইন পর্যন্ত। এখানে পড়ার সময়ই গণিতটা ভালো লাগতে শুরু করে তাঁর। প্রচুর জ্যামিতিক সমস্যার সমাধান করতেন তিনি। নবম শ্রেণীতে ওঠার পর পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান। ভর্তি হন একটি বোর্ডিং স্কুলে, নাম লরেন্স কলেজ। সেখানে "সিনিয়র কেমব্রিজ" ও "হায়ার সিনিয়র কেমব্রিজ" অর্থ্যাৎ (ও, এ লেভেল) পাশ করেন। এ সময় নিজে নিজে অনেক অঙ্ক কষতেন। বিভিন্ন বই থেকে অঙ্ক নিয়ে তিনি সমাধানের চেষ্টা করতেন। হায়ার সিনিয়র কেমব্রিজে তিনি একাই কেবল গণিত পড়েছিলেন। ওটা ছিল অ্যাডভান্স পর্যায়ের ম্যাথ।

এরপর যখন কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বিএসসি করেন। এই কলেজের শিক্ষক "ফাদার গোরে"কে প্রিয় শিক্ষক হিসেবে উল্লেখ করেন। ১৯৫৭ সালে পড়তে গেলেন কেমব্রিজে। ততদিনে গণিতের প্রতি তাঁর দূর্বলতা তৈরি হয়। কেমব্রিজের প্রায়োগিক গণিত ও তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞান থেকে আবারও স্নাতক (১৯৫৯) অর্জন করেন। ইংল্যান্ডেও শিক্ষকদের অকুন্ঠ ভালোবাসা আর স্নেহ পেয়েছেন তিনি। জন টেইলর নামের এক শিক্ষক স্নেহের টানে প্রিয় এই ছাত্রের পাশেই আবাস গেড়েছিলেন। এখান থেকেই মাস্টার্স করেন ১৯৬০ সালে। ১৯৬৪ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই প্রায়োগিক গণিত ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮২ সালে এসসিডি (ডক্টর অফ সায়েন্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।

এরপর শুরু হয় কর্ম জীবন। প্রতিটি কর্মস্থানেই তিনি সাফল্যের সঙ্গে একের পর এক দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৩ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ডে ডক্টরাল-উত্তর ফেলো হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিনি কাজ করেছেন কেমব্রিজের ইনস্টিটিউট অফ থিওরেটিক্যাল অ্যাস্ট্রোনমি-তে । ১৯৭১-৭২ সালে ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে ভিজিটিং সহযোগী হিসেবে কাজ শুরু করেন। এবং ১৯৭২-৭৩ সাল পর্যন্ত ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত তিনি লন্ডনের কিংস কলেজে ফলিত গণিতের প্রভাষক ছিলেন। ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত ইউনিভার্সিটি কলেজ, বর্তমানে কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয় এর সায়েন্স রিসার্চ কাউন্সিলে ফেলো ছিলেন। ১৯৭৮ সালে তিনি লন্ডনের সিটি ইউনিভার্সিটিতে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন এবং পরে রিডার পদে উন্নীত হন। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশে ফিরে এসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন।

ব্যাক্তিগত জীবনে বই পড়তে খুবই ভালবাসেন জামাল নজরুল ইসলাম। তবে গান শুনতে ও ছবি আঁকতে পছন্দ করতেন। খুব প্রিয় ছিলো রবীন্দ্র সঙ্গীত। ছোটবেলা থেকেই ক্যালকুলেটর ব্যবহারে তার বিশেষ অনীহা ছিল। গাণিতিক হিসাব মাথা খাটিয়ে করতেই পছন্দ করতেন। কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের প্রতি কোন আগ্রহ ছিল না। তাই কম্পিউটারের ব্যবহারও তার কাছে ভালো লাগত না। তিনি বলতেন, কম্পিউটার তার কাজে লাগে না। কিন্তু কম্পিউটারের ব্যবহার তিনি অস্বীকার করেননি। তার চিন্তার অনেকখানি জুড়ে ছিল দেশ ও সমাজের উন্নতি এবং দারিদ্র্য দূরীকরণ। নিজের আয় থেকে কিছু অর্থ জমিয়ে দরিদ্র ছাত্রদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করেন।

১৯৭১ সালে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখে পাকিস্তানী বাহিনীর আক্রমণ বন্ধের উদ্যোগ নিতে বলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তার এই পরোক্ষ অবদান ও পরবর্তীকালে দেশে ফিরে এসে তার দেশপ্রেমের প্রমাণ দেন। মুহম্মদ জাফর ইকবাল দেশে ফেরার আগে জামাল নজরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। জেএন ইসলাম তৎক্ষণাৎ তাকে দেশে ফেরার বিষয়ে উৎসাহ দেন। ২০০১ সালের মাঝামাঝি সময়ে পৃথিবী অচিরে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে- এ রকম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। বাংলাদেশে এই আতঙ্ক মারাত্মক হয়ে দেখা দেয়ার আগেই সব উদ্বেগকে প্রশমিত করেন তিনি। কোনো দৈবজ্ঞান নয়, রীতিমতো গণিতের হিসাব কষে জানান, সৌরজগতের অধিকাংশ গ্রহ প্রাকৃতিক নিয়মে একই সরলরেখা বরাবর এলেও এর প্রভাবে অস্বাভাবিক কিছু ঘটার আশঙ্কা নেই।

১৯৯০ সালে অমর্ত্য সেন যখন বাংলাদেশে অাসেন, চট্টগ্রামে জামাল নজরুল ইসলামের বাড়িতেই ছিলেন। লন্ডন গেলে জামাল নজরুলও তার বাসায় যেতে ভুলতেন না। দুজনের ঘনিষ্ঠতা হওয়ার একটা কারণ দুজনেরই গণিতের প্রতি আগ্রহ। অমর্ত্য সেনের গাণিতিক অর্থনীতির ওপর আগ্রহ বেশি। অমর্ত্য সেন নোবেল পাওয়ার আগের রাতে তাঁরা দুজনই কেমব্রিজে ছিলেন। একসঙ্গে ডিনার করলেন। দুজনই ফিরে গেলেন যার যার ঘরে। ওই রাতেই অমর্ত্য সেন চলে যান যুক্তরাষ্ট্র। পরদিন সকালে এল সেই সুসংবাদ: অমর্ত্য সেন নোবেল পেয়েছেন। জামাল নজরুল ইসলাম ফোন করে বললেন, নোবেল পেলে কই একবার তো বললে না। অমর্ত্য হেসে উত্তর দিলেন, নোবেল পাচ্ছি নিজেই তো জানতাম না। অধ্যাপক আবদুস সালামও তাঁর বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। জামাল নজরুল ইসলামের চেয়ে আবদুস সালাম প্রায় ১৩ বছরের বড় ছিলেন। তাঁর আচরণে কখনো তা মনে হতো না। সবসময় বন্ধুত্বসুলভ ব্যবহারই করতেন। কেমব্রিজের ট্রিনিটিতে পড়ার সময় আব্দুস সালামের সঙ্গে প্রথম দেখা হয়। তিনি সেখানে বিশেষ লেকচার দিতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে প্রথম আলাপ হয় যুক্তরাষ্ট্রে। এরপর সম্পর্ক আরও গাঢ় হয়। ১৯৮৬ সালের জানুয়ারিতে আব্দুস সালাম বাংলাদেশে আসেন। তাঁর হাত থেকে জামাল নজরুল ইসলাম একটি পদকও নেন।

১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই 'দ্য আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স' বিজ্ঞানী মহলে বিশেষ সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়। জাপানি, ফরাসি ও পর্তুগিজ ভাষায় অনূদিত হয়। ১৯৮৪ সালে ডব্লিউ বি বনোর এর সঙ্গে যৌথভাবে সম্পাদনা করেন 'ক্লাসিক্যাল জেনারেল রিলেটিভিটি'। রোটেটিং ফিল্ড্স ইন জেনারেল রিলেটিভিটি ১৯৮৫ সালে কেমব্রিজ থেকে প্রকাশিত। ‘অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু ম্যাথমেটিক্যাল কসমোলজি (১৯৯২) কৃষ্ণ বিবর’ - বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়। স্প্যানিশ ভাষায় অনূদিত 'দ্য ফার ফিউচার অফ দি ইউনিভার্স'-এনডেভারে প্রকাশিত। বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি ১৯৮৫ সালে তাঁকে স্বর্ণপদকে ভূষিত করে। ১৯৯৪ সালে তিনি ন্যাশনাল সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি মেডেল পান। ১৯৯৮ সালে ইতালির আবদুস সালাম সেন্টার ফর থিওরিটিকাল ফিজিক্সে থার্ড ওয়ার্ল্ড একাডেমি অফ সায়েন্স অনুষ্ঠানে তাঁকে মেডাল লেকচার পদক দেয়া হয়। তিনি ২০০০ সালে কাজী মাহবুবুল্লাহ এন্ড জেবুন্নেছা পদক পান। ২০০১ সালে একুশে পদক লাভ করেন। পদার্থবিজ্ঞানে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ২০১১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর রাজ্জাক-শামসুন আজীবন সম্মাননা পদক লাভ করেন। ২০১৩ সালে তিনি পরলোকগমন করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস/এসজেড

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
আশুরার রোজা: নিয়ম ও ফজিলত
আশুরার রোজা: নিয়ম ও ফজিলত
তরুণীদের বেডরুমে নেয়ার পর হত্যা করাই কাজ
তরুণীদের বেডরুমে নেয়ার পর হত্যা করাই কাজ
রাতে ফেসবুক বন্ধ চান রওশন
রাতে ফেসবুক বন্ধ চান রওশন
সূরা আল নাস এর গুরুত্ব ও ফজিলত
সূরা আল নাস এর গুরুত্ব ও ফজিলত
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
উচ্চতা বাড়ায় যেসব খাবার
উচ্চতা বাড়ায় যেসব খাবার
মিলনে ‘অপটু’ ট্রাম্প, বোমা ফাটালেন এই পর্নো তারকা!
মিলনে ‘অপটু’ ট্রাম্প, বোমা ফাটালেন এই পর্নো তারকা!
‘শাহরুখ’ আর রেডি গোয়িং টু জাহান্নাম!
‘শাহরুখ’ আর রেডি গোয়িং টু জাহান্নাম!
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
স্টিফেন হকিংয়ের পাঁচ ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণী
স্টিফেন হকিংয়ের পাঁচ ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণী
‘পবিত্র আশুরা’
‘পবিত্র আশুরা’
সূরা বাকারার শেষ অংশের ফজিলত
সূরা বাকারার শেষ অংশের ফজিলত
চাকরি না পাওয়ায় সুইসাইড নোট লিখে যুবকের আত্মহত্যা
চাকরি না পাওয়ায় সুইসাইড নোট লিখে যুবকের আত্মহত্যা
স্টিফেন হকিংয়ের জীবন বদলানো ১০ উক্তি
স্টিফেন হকিংয়ের জীবন বদলানো ১০ উক্তি
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
সর্বশেষ:
ইরানের আহবাজ শহরে সেনা প্যারেডে বন্দুকধারীর হামলা, আহত ২০ ইরানের আহবাজ শহরে সেনা প্যারেডে বন্দুকধারীর হামলা, আহত ২০ সড়ক পরিবহন আইনে যাত্রীদের অধিকার সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে: যাত্রীকল্যাণ সমিতি সড়ক পরিবহন আইনে যাত্রীদের অধিকার সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে: যাত্রীকল্যাণ সমিতি ২০১৮ শেষ অথবা ২০১৯’র শুরুতে জাতীয় নির্বাচন: সিইসি ২০১৮ শেষ অথবা ২০১৯’র শুরুতে জাতীয় নির্বাচন: সিইসি যশোরে ও বান্দরবানে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২ যশোরে ও বান্দরবানে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র ওসমান গণি মারা গেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র ওসমান গণি মারা গেছেন তানজানিয়ায় ফেরি ডুবে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৬ তানজানিয়ায় ফেরি ডুবে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৬