বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আলাদা কোটায় বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে কোরিয়া

ঢাকা, রোববার   ২৯ মার্চ ২০২০,   চৈত্র ১৫ ১৪২৬,   ০৪ শা'বান ১৪৪১

Akash

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আলাদা কোটায় বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে কোরিয়া

শুভনীল রায় ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:১৯ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৭:১৯ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

গ্লোবাল কোরিয়া স্কলারশিপ ২০২০

গ্লোবাল কোরিয়া স্কলারশিপ ২০২০

গ্লোবাল কোরিয়া স্কলারশিপ-২০২০ (GKS-2020) এর অধীনে মাস্টার্স, পিএইচডি, পোস্ট-ডক পর্যায়ের আবেদন নেয়া শুরু হয়েছে। এটি মূলত কোরিয়ান সরকার পরিচালিত সরকারি স্কলারশিপ। সাধারণত সেপ্টেম্বরের দিকে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট এবং ফেব্রুয়ারিতে গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের জন্য আবেদন নেয়া হয়ে থাকে। 

স্কলারশিপটিতে বাংলাদেশিদের জন্য আলাদা কোটা রয়েছে। প্রতিবছর গ্লোবাল কোরিয়া স্কলারশিপ নিয়ে কোরিয়ায় পাড়ি জমাচ্ছেন বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা।

সুবিধা
১/ রিটার্ন এয়ার টিকেট
২/ প্রত্যেককে সেটেলমেন্ট ভাতা হিসেবে ২ লাখ কোরিয়ান ওন দেয়া হবে।
৩/ মাসিক ভাতা হিসেবে প্রত্যেক ডিগ্রি প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীকে ৯ লাখ কোরিয়ান ওন ও রিসার্চ প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে ১৫ লাখ ওন দেয়া হবে।
৪/ বিনামূল্যে ১ বছর কোরিয়ান ভাষা শেখার সুযোগ দেয়া হবে।
৫/ মেডিকেল ইন্স্যুরেন্স হিসেবে প্রতি মাসে ২০,০০০ কোরিয়ান ওন প্রদান করা হবে।

যোগ্যতা
১/ কোরিয়ান নাগরিকত্ব থাকা যাবে না।
২/ ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ এ বয়স ৪০ এর বেশি হওয়া যাবে না। একাডেমিক প্রফেসরদের ক্ষেত্রে ৪৫ বছর বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে।
৩/ ৩১ আগস্ট, ২০২০ এর পূর্বেই ব্যাচেলর বা মাস্টার্স বা ডক্টরাল ডিগ্রি সম্পন্ন করতে হবে।
৪/ ৪ স্কেলের সিজিপিএ এর ক্ষেত্রে নূন্যতম ২.৬৪ পেতে হবে।
৫/ সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে।
৬/ কোরিয়ান অথবা ইংরেজি ভাষা জানতে হবে৷

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
১/ আবেদন ফরম
২/ ব্যক্তিগত স্টেটমেন্ট
৩/ স্টেটমেন্ট অফ পারপাস
৪/ ২ টি রিকোমান্ডেশন লেটার
৫/ GSK এপ্লিকেন্ট এগ্রিমেন্ট
৬/ ব্যক্তিগত মেডিকেল এসেস্টম্যান্ট
৭/ একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট
৮/ একাডেমিক সার্টিফিকেট
৯/ আবেদনকারী ও তার পিতামাতার বাংলাদেশি নাগরিকত্বের প্রমাণ
১০/ TOPIK / TOEFL বা IELTS (যদি থাকে)

আবেদন করবেন যেভাবে
আবেদন করার ২টি পদ্ধতি রয়েছে৷ অ্যাম্বাসি ট্র্যাক ও ইউনিভার্সিটি ট্র্যাক। আপনাকে যেকোনো একটিতেই আবেদন করতে হবে। একসঙ্গে দুটিতে আবেদন করতে পারবেন না। অ্যাম্বাসি ট্র্যাকের ক্ষেত্রে ৬৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নূন্যতম তিনটি চয়েজ করা যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের লিস্ট সার্কুলারে পাওয়া যাবে। 

অন্যদিকে আপনি যদি ইউনিভার্সিটি ট্র্যাকে আবেদন করতে চান তবে সার্কুলারে নির্ধারিত ৬৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যেকোনো একটিতে আবেদন করতে হবে। অ্যাম্বাসি ট্রাকের ক্ষেত্রে উপরোক্ত ডকুমেন্টগুলোর এক সেট মূল কপি ও তিন সেট ফটোকপি জমা দিতে হবে। ইউনিভার্সিটি ট্রাকের ক্ষেত্রে এক সেট মূলকপি পাঠালেই হবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস যেমন একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট বা একাডেমিক সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে নোটারি করা ফটোকপি জমা দিলেই চলবে। একবার জমা দিয়ে দিলে কোনো ডকুমেন্ট ফেরত দেয়া হবে না। কোনো ডকুমেন্ট বাংলা ভাষায় থাকলে তার সঙ্গে নোটারিকৃত অনুবাদ কপি সরবরাহ করতে হবে। অ্যাম্বাসি ট্র্যাকে আবেদন করলে সব ডকুমেন্ট ঢাকায় কোরিয়ান অ্যাম্বাসিতে জমা দিতে হবে। ইউনিভার্সিটি ট্র্যাকে আবেদন করলে কাগজপত্র সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসে পাঠিয়ে দিতে হবে। 

উল্লেখ্য, অ্যাম্বাসি ট্র্যাকে আবেদনের শেষ সময় ১৫ মার্চ, ২০২০। আর ইউনিভার্সিটি ট্র্যাকে আবেদনের সর্বশেষ সময় ইউনিভার্সিটি কর্তৃক ভিন্ন হওয়ায় আপনাকে আপনার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করে ডেডলাইনটি জেনে নিতে হবে।

গ্লোবাল কোরিয়া স্কলারশিপ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্যের জন্য ভিজিট করুন https://bit.ly/2P5YwVh
 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম