ব্যারেজ রক্ষায় কাটা হতে পারে ‘ফ্লাড বাইপাস’
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=118950 LIMIT 1

ঢাকা, সোমবার   ১০ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৬ ১৪২৭,   ১৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

বিপদসীমার ৫০ সেন্টিমিটার উপরে পানি

ব্যারেজ রক্ষায় কাটা হতে পারে ‘ফ্লাড বাইপাস’

হাতিবান্ধা ও লালমনিরহাট প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০২:৫৬ ১৩ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ০৩:৫৩ ১৩ জুলাই ২০১৯

তিস্তা নদীর স্রোত ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

তিস্তা নদীর স্রোত ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৫০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় শুক্রবার রাতে সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করছে জেলা প্রশাসন। বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

তিস্তা ব্যারেজ দোয়ানী পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, ভারতের গজলডোবা ব্যারেজ খুলে দেয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আরো কি পরিমাণ পানি আসবে তা বোঝা যাচ্ছে না। পানির গতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি স্লুইসগেট খুলে দেয়া হয়েছে। পানি আরো বাড়লে তিস্তা ব্যারেজ রক্ষায় ‘ফ্লাড বাইপাস’ কাটা হতে পারে।

লালমনিরহাটের ডিসি আবু জাফর ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তিস্তা পাড়ের মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। যেখানে যেভাবে প্রয়োজন সেভাবেই সহযোগিতা করা হচ্ছে। ভেঙে যাওয়া সড়ক মেরামতে পাঁচ হাজার বালুর বস্তা ও ত্রাণ হিসেবে ৬৮ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ‘ফ্লড বাইপাস’ কেটে দিলে পুরো লালমনিরহাট পানিবন্দী হয়ে পড়বে। শত কোটি টাকার ক্ষতি হবে।

ডালিয়া পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, শুক্রবার সকালে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ২৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। বিকেল থেকে পানি আরো বাড়তে শুরু করে। রাতে তা ৪৪ সেন্টিমিটারে পৌঁছে। চারদিন ধরে জেলার ৩০ হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দী হয়ে আছে। বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে। তিস্তার ভয়ঙ্কর গর্জনে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে পানিবন্দী পরিবারগুলো।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর