বাঁধ ভেঙে প্লাবিত ১৩ গ্রাম

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২০ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৬ ১৪২৬,   ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

বাঁধ ভেঙে প্লাবিত ১৩ গ্রাম

 প্রকাশিত: ১৭:৩৪ ২০ জুলাই ২০১৮   আপডেট: ১৭:৩৮ ২০ জুলাই ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

জোয়ারের পানির তোড়ে বরগুনার পাউবো’র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে উপকূলীয় অঞ্চলসমূহের ১৩ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ওই এলাকার বাসিন্দাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরগুনার কাকচিড়া বাজার সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেরিবাঁধ জোয়ারের পানির তোড়ে ভেঙে কাকচিড়া ইউনিয়নের অন্তত চারটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। একইভাবে বরগুনা সদর উপজেলার ডালভাঙা, বদরখালী, ছোট বালিয়াতলী, নলটোনা, পাথরঘাটার পদ্মা, রুহিতা ও দক্ষিণ কুপদোন, বামনা উপজেলার বামনা লঞ্চঘাট এলাকা, বেতাগী শহরের লঞ্চঘাট এলাকা, আমতলী শহর সংলগ্ন বাঁধ ও তালতলীর নিশানবাড়িয়া, তেতুলবাড়িয়া ও জয়ালভাঙা এলাকার বাঁধ ভেঙে ও উপচে আশপাশের বেশ কিছু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের পানির প্রবেশ করায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি আমন বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে।

ডালভাঙা এলাকার ফারুক হোসেন বলেন, নদী ভাঙনের ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিনের ভাঙন কবলিত এ এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নদীতে বিলীন হয়েছে। পরবর্তিতে নতুন করে বেরিবাঁধ দেয়া হলেও আষাড়ের জোয়ারের পানির প্রচণ্ড চাপে বাঁধ মানছে না। মূলত ভাঙন প্রতিরোধে নদী শাসনে ব্লক ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ করার ছাড়া এ এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমানোর কোনো উপায় নেই।

তেতুল বাড়িয়া এলাকার আবুল হোসেন বলেন, জোয়ারের পানি একটু বৃদ্ধি পেলেই বাঁধের বিভিন্ন স্থান থেকে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে প্লাবিত হয়। আর তখন পরিবার পরিজন নিয়ে অন্য কোথাও আশ্রয় নিতে হয়।

পাউবো বরগুনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মশিউর রহমান বলেন, সিডরে জেলার বিভিন্ন স্থানের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে যায়। অনেক স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমরা সিডরের পর থেকে উপকূলীয় এলাকায় ইসিআরআরপি প্রকল্পের মাধ্যমে বাঁধ নির্মাণ ও সংষ্কারের কাজ হাতে নিয়েছি। তবে ভাঙনের বিলিন হওয়া বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। সেখানে আপাতত বেরিবাঁধ দিয়ে সুরক্ষা দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। প্রকল্প অনুমোদন হলে বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর