বাঁধ ভেঙে গ্রাম প্লাবিত, দুর্ভোগে ৪শ’ পরিবার

ঢাকা, রোববার   ১২ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ২৯ ১৪২৭,   ২১ জ্বিলকদ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

বাঁধ ভেঙে গ্রাম প্লাবিত, দুর্ভোগে ৪শ’ পরিবার

শরনখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:৫৪ ৬ জুন ২০২০   আপডেট: ২১:৫৮ ৬ জুন ২০২০

বাঁধ ভেঙে গ্রাম প্লাবিত, দুর্ভোগে ৪শ’ পরিবার

বাঁধ ভেঙে গ্রাম প্লাবিত, দুর্ভোগে ৪শ’ পরিবার

বাগেরহাটের শরণখোলায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে পূর্ণিমার প্রভাবে বলেশ্বর নদীর জোয়ারের পানি ঢোকায় বিপাকে ৪শ’ পরিবার। বসতঘরের মধ্যে হাঁটু পানি। রান্না-বান্না বন্ধ। দুর্ভোগের যেন শেষ নেই ওই পরিবারগুলোর। 

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের পর ২৭ মে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অব.) জাহিদ ফারুক বাগেরহাটের শরণখোলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ পোল্ডারের বেড়ি বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বগী-গাবতলার দুই কিলোমিটার ভেঙে যাওয়া বাঁধ সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে দ্রুত মেরামতের আশ্বাস দেন। তারপর বেশ কয়েকদিন অতিবাহিত হলেও সেখানে রিং-বাঁধের কাজ শুরু না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে, দেখা যায়, বাঁধের ভাংঙ্গা অংশ দিয়ে পানি ঢুকে ঘরবাড়ি প্লাবিত হচ্ছে। এ ব্যাপারে বগী সাতঘর এলাকার আবু সাইদ হাওলাদার, মাহাবুল হাওলাদার, ফুলমিয়া হাওলাদার, কালাম হাওলাদার, গাবতলা এলাকার কামাল হাওলাদার, মোহাম্মদ খানসহ ভুত্তভোগীরা জানান, প্রতিদিন দুইবার করে জোয়ারের পানিতে তাদের ঘরবাড়ি ডুবছে। এখন থাকার কোনো উপায় নেই। ঘরের মধ্যে পানি, চুলায় পানি । তাই এলাকার অধিকাংশ বাড়িতে রান্না-বান্না হয় না। তারা আরো  বলেন, মন্ত্রী এসে বাঁধের আশ্বাস দিয়ে গেছেন। কিন্তু কাজের কোনো খবর নেই। এখন পানিতে ডুবে মরতে হচ্ছে আমাদের।  

বগী ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. রিয়াদুল পঞ্চায়েত ও দক্ষিণ সাউথখালী ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন জানান, তাদের দুই ওয়ার্ডের নদী সংলগ্ন প্রায় চারশত পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। জোয়ারের পানিতে ঘরবাড়ি তলিয়ে যায়। আম্ফানের পর এ পর্যন্ত তিন/চার দফা তলিয়েছে। বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে ওই এলাকা ডুবে যায়। মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।  দ্রুত বাঁধের কাজ শুরু করা দরকার।

ইউএনও সরদার মোস্তফা শাহিন জানান, বগী-গাবতলার দুই কিলোমিটার এলাকা সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে রিং-বাঁধ হওয়ার কথা। এরইমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা তারা জরিপ করেছেন। শিগগিরই কাজ শুরু হবে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ