Alexa বশেমুরবিপ্রবিতে প্রশ্নফাঁস চক্রের ১০ সদস্য আটক

ঢাকা, শনিবার   ২৩ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৮ ১৪২৬,   ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

বশেমুরবিপ্রবিতে প্রশ্নফাঁস চক্রের ১০ সদস্য আটক

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০০:২৮ ১০ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ০০:৩৭ ১০ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস চক্রের ১০ সদস্য আটক হয়েছেন। আটকদের মধ্যে পাঁচজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রয়েছেন।

তারা হলেন- সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের রণি খান, একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের নেয়ামুল, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের নয়ন, আইন বিভাগের অমিত গাইন ও মানিক মজুমদার। বাকিদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাজিউর রহমান জানান, শুক্রবার রাত ১১ টায় শিমুল (ছদ্মনাম) ছোট ভাইকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দিতে রনির সঙ্গে ফোনালাপে চুক্তিবদ্ধ হয়। এ সময় সে (রনি) তিন লাখ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে 'এ' ইউনিটের পরীক্ষার দুইঘন্টা আগে প্রশ্নের সমাধান করিয়ে দেবেন বলে আশ্বস্ত করে। এরপর শিমুল ব্যাপারটি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবগত করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী রনির সঙ্গে শিমুল দেখা করতে গেলে অভিযান চালায় গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অভিযানে দু্ই সদস্যকে আটক করা হয়। এরপর তাদের দেয়া তথ্যে বিজয় দিবস হলের ৫১২ নাম্বার রুম থেকে জমা করা পরীক্ষার্থীদের কাগজের মূলকপি ও পাঁচ পরীক্ষার্থীসহ চক্রটির বাকি সদস্যদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে তাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড. এমএ সাত্তার বলেন, এ চক্রের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নাম এসেছে। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দোষী যেই হোক, ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তবে, অভিযুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নাম প্রকাশ করেননি তিনি।

বশেমুরবিপ্রবি’র ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শাহজাহান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করতে একটি চক্র নানাভাবে কৌশল অবলম্বন করছে। 

তবে, অপরাধে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ