বন্ধ সুইমিংপুলের কার্যক্রম শুরু

.ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৫ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ১১ ১৪২৬,   ১৯ শা'বান ১৪৪০

বন্ধ সুইমিংপুলের কার্যক্রম শুরু

 প্রকাশিত: ১৮:৩৬ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৮:৪০ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

এক সময় সাঁতারে বেশ সুনাম ছিল রাজবাড়ীর। ওই সময় দেশ বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে রাজবাড়ীর সাঁতারুরা। কিন্তু নানান সমস্যায় জর্জরিত হয়ে দীর্ঘ আটবছর বন্ধ থাকার পর রাজবাড়ীর সুইমিংপুলটি আবার শুরু হচ্ছে।

দীর্ঘদিন সুইমিংপুলটি বন্ধ থাকার কারণে প্রতিভা থাকলেও তার বিকাশ ঘটানো সম্ভব হচ্ছিল না। অবশেষে জেলা প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে চালু হলো সুইমিংপুলটি।

আবার রাজবাড়ী থেকে জাতীয় পর্যায়ে স্বর্ণপদক ছিনিয়ে আনবেন রাজবাড়ীর লায়লা নুর, মিতা নুর, পুতুল ঘোষ, নিবেদিতা দাসের মতো নতুন সাতারুরা এমনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলছেন, আর কখনো যেন পুলটি বন্ধ না থাকে সে ব্যপারে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা প্রশাসন জানায়, ২০০২ সালে রাজবাড়ী স্টেডিয়ামের কাছেই পৌনে ৩ একর জায়গার উপর নির্মিত হয় জাতীয় মানের একটি সুইমিংপুল। এরপর থেকে কখনো সচল আবার কখনো অচল হয়ে পড়ে থাকে। একেবারেই বন্ধ হয়ে যায় ২০০৯ সালে শেষের দিকে। জেলা প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে বয়স ভিত্তিক সাতারু প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে আবার শুরু হলো এর কার্যক্রম।

এলাকাবাসী ও সাঁতারুরা জানান, শহরের ছেলে মেয়েদের সাঁতার শিখাটা জরুরি। প্রতি বছর শত শত মানুষ পানিতে ডুবে মারা যায়। এর কার্যক্রম সারা বছর চালু রাখলে রাজবাড়ীবাসিসহ দেশ উপকৃত হবে। এটি ব্যয় বহুল একটি প্রকল্প এর জন্য সকলকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। বর্তমানে ডিপ টিউবয়েলটি বিকল, পানিতে প্রচুর আয়রণ, ওয়াটার ফিল্টার নেই, বিল্ডিং এর অবস্থাও নাজুক। ভেকম ক্লিনার প্রয়োজন। এই সুইমিং পুলের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের আরো নজর দেয়া উচিত।

এসপি আসমা সিদ্দীকা মিলি জানান, রাজবাড়ীতে বিনোদনের কোনো স্থান নেই। এই সংস্কারের কর্মসূচিটি একটি শুভ উদ্যোগ এটি সঠিকভাবে পরিচালনা করা গেলে নতুন প্রজন্ম মাদক থেকে দূরে সরে আসবে।

ডিসি মো. শওকত আলী জানান, ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এটি বিভিন্ন সমস্যা ছিল। মাঝে একবার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল সেটি সফল হয়নি। সকল সমস্যা কাটিয়ে আমরা আবার নতুন করে শুরু করেছি এখান থেকে তৈরি হবে নতুন সাঁতারু।

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় এমপি আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলী বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি রাজবাড়ী সুইমিংপুলের যাত্রা আর থেমে থাকবে না। আমি এর জন্য ১০ লক্ষ টাকা দিব। পাশাপাশি এই সুইমিংপুলের সঙ্গেই পর্যাপ্ত জমি রয়েছে এখানে একটি মিনি পার্ক গড়ে তোলা হবে।

রাজবাড়ীর সুইমিং পুলটি পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করা হবে আবারো ফিরে আসবে সাঁতারের সোনালী দিন। সে সঙ্গে শিউলি আক্তার, এরশাদুন্নবীর মত কোচ তৈরি হবে। এমনটাই প্রত্যাশা ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর