বন্ধুর মেয়েকে তিন বছর ধর্ষণ, হাতেনাতে ধরলো ধর্ষকের স্ত্রী

ঢাকা, সোমবার   ১৭ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৫ ১৪২৬,   ১২ শাওয়াল ১৪৪০

বন্ধুর মেয়েকে তিন বছর ধর্ষণ, হাতেনাতে ধরলো ধর্ষকের স্ত্রী

নিউজ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৯:২২ ১৩ জুন ২০১৯   আপডেট: ০৯:২৩ ১৩ জুন ২০১৯

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কঢ়াকাটা এলাকায় বন্ধুর মেয়েকে তিন বছর ধরে ধর্ষণ করেছে অপর বন্ধু।

বুধবার সকালে এ কুকর্ম হাতেনাতে ধরে ধর্ষক বন্ধুর স্ত্রী। এরপর বিষয়টি জনসম্মুখে আসে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কচাকাটা থানার বলদিয়া ইউপির পূর্ব কেদার গ্রামে।

ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী জানায়, বাবার বন্ধু হওয়ায় মকবুল তাদের বাড়িতে প্রায় যাতায়াত করতো। যাতায়াতের সূত্রে মকবুলের স্ত্রী মুক্তার সঙ্গে তার সখ্য গড়ে ওঠে। ব্যাপারীটারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় মকবুল এবং তার স্ত্রী মুক্তা বেগমের সঙ্গে নাগেশ্বরী উপজেলার শাপখাওয়া গ্রামে মুক্তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। সেখানে মকবুল তাকে প্রথম ধর্ষণ করে। পরে কান্নাকাটি করলে মকবুল ভয়ভীতি দেখায়। তাই কাউকে বিষয়টি জানাতে পারিনি।

এরপর থেকে তাকে ধর্ষণ করে আসছে মকবুল। বুধবার সকালে আমাদের বাড়ির মোবাইল নম্বরে ফোন দিয়ে পাশের ভ্যানচালক শামছুলের বাড়িতে ডেকে নিয়ে মিলনে বাধ্য করে মকবুল। ওই সময় মকবুলের স্ত্রী মুক্তা এসে তাদের হাতেনাতে আটক করে, সেই সঙ্গে তাকে মারধর করে। পরে একই এলাকার আনছার আলীর ছেলে মিন্টুসহ কয়েকজন গ্রামবাসী তাকে উদ্ধার করে। ওই সময় মকবুল পালিয়ে যায়।

এদিকে এ ঘটনার পর লোকলজ্জায় মেয়েকে বাড়িতে ঠাঁই না দিয়ে বের করে দিয়েছেন বাবা-মা। পরে গ্রামবাসী মেয়েটিকে প্রতিবেশী জুরান আলীর বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখান থেকে মেয়েটিকে ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

একই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য গোলাম হায়দার বলেন, এ ঘটনার পর মেয়েটিকে বাড়িতে জায়গা দেয়নি তার বাবা। তাই স্থানীয় ইউপি সদস্যের জিম্মায় মেয়েটিকে রাখা হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা পারিবারিকভাবে আলোচনা করে যাচ্ছি, দেখি শেষ পর্যন্ত কি করা যায়। সমাধান না হলে আইনের আশ্রয় নেব।

কচাকাটা থানার ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ করলে তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ