Exim Bank
ঢাকা, বুধবার ২৫ এপ্রিল, ২০১৮
Advertisement
বিজ্ঞাপন দিন      

‘বন্দি মুক্তি আন্দোলনে যাবে বিএনপি’

 নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:০৭, ১৬ এপ্রিল ২০১৮

১৪৯ বার পঠিত

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে বিএনপি ‘বন্দি মুক্তি’ আন্দোলনে যাবে বলে জানিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির স্বাধীনতা হলে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরাম আয়োজিত এক যুব সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী’র সভাপতিত্বে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

‘বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী নিখোঁজের ৬ বছর অতিবাহিত হওয়ার প্রতিবাদ ও সন্ধানের দাবি’ শীর্ষক এ সমাবেশে তিনি বলেন, দেশে একটি নির্বাচন হবে। আর সেই নির্বাচনে আমরা অংশগ্রহণ করবো। এবং সেই নির্বাচনের পূর্বে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও কারাবন্দি আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে আমরা মুক্ত করবো। প্রয়োজনে ‘বন্দি মুক্তি’ আন্দোলন করবো। আমরা সহজে নির্বাচন বয়কট করতে চাই না।

আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘সংবিধান সংশোধনের ফলে নির্বাচন অর্থবহ হবে না। তাই এটা (নিরপেক্ষ নির্বাচন) আমাদের আদায় করে নিতে হবে। একারণে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আবারো সংশোধন করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে গিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে বা দেশের সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হবে। এটাই আমরা চাই।’

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আসন্ন গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও আমরা সেনাবাহিনী মোতায়েন চাই। এটা আজ জাতির দাবি।

নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে আওয়ামী লীগ পরাজিত হবে- জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের এমন বক্তব্য তুলে ধরে নোমান বলেন, একটি দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত তিনি। আর এরশাদ আমাদের চেয়ে একটু ভালো জানবেন। কারণ কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি আলাদাভাবে মিটিং করেছেন। আর সেই মিটিংয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে এরশাদ উপলব্ধি করতে পেয়েছেন, শেখ হাসিনা অনেক দুর্বল হয়ে গেছেন। এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ক্ষমতার শেয়ার নিতে হবে। আর শেয়ারটা এবার যথোপযুক্তভাবে নেবেন বলে এরশাদ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, বর্তমান সরকারের নিপীড়নমূলক আচরণ ও নির্যাতনের কারণে আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আমরা আর পেছনে যেতে পারবো না। আমরা পেছনে গেলে আওয়ামী লীগ সামনের দিকে আসবে। আর আমরা সামনের দিকে আসলে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। আমরা সেই সাংঘর্ষিক পরিস্থিতিকে এড়িয়ে যেতে চাই। তাই আমরা বারবার আন্দোলন ও ভোটের কথা বলছি। কিন্তু আমাদের আন্দোলন ভোট থেকে বিচ্ছিন্ন নয়।

আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী’র সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, সংগঠনের সভাপতি সাইদুর রহমান প্রমুখ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএএম/এমআরকে

সর্বাধিক পঠিত