‘বঙ্গবন্ধু যেখানে শেষ করেছেন, সেখান থেকে শুরু করতে হবে’

ঢাকা, রোববার   ১৬ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৪ ১৪২৬,   ১১ শাওয়াল ১৪৪০

‘বঙ্গবন্ধু যেখানে শেষ করেছেন, সেখান থেকে শুরু করতে হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:১৭ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সাবেক মন্ত্রী দিলীপ বড়ূয়া বলেছেন, সোনার বাংলা গড়তে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেখানে শেষ করে গেছেন, সেখান থেকে আমাদের আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, দেশ থেকে জামায়াত-শিবির, জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদকে চিরতরে বিদায় হবে। সেই লক্ষ্য নিয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ দলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। এই দলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো পাকিস্তানি দোসরদের নির্মূল করা।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘মহান ভাষা আন্দোলনে ভাষা সংগ্রামী কমরেড মোহাম্মদ তোয়াহার ভূমিকা’ বিষয়ক আলোচনা সভায় 

দিলীপ বড়ূয়া বলেন, ৫২-এর ভাষা আন্দোলনে কমরেড তোয়াহার অনবদ্য ভূমিকা রেখেছিলেন। যে স্বপ্ন নিয়ে তিনি ওই আন্দোলন সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন, তার সেই স্বপ্ন আজো অপূর্ণই রয়ে গেছে।

অনুষ্ঠানে সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, জামায়াত নেতা আব্দুর রাজ্জাকের বিবৃতিকে আমরা স্বাগত জানাই। তবে তাদের বিবৃতির বিষয়টি আমাদের বিবেচনা করতে হবে। ভেবে দেখতে হবে। তার বিবৃতি প্রচার-প্রচারণা আমাদের তরুণ প্রজন্মকে যেন বিভ্রান্ত না করে সেদিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের খেয়াল রাখতে হবে।

তিনি বলেন, তারা সুযোগ পেলেই বিষাক্ত সাপের মতো ছোবল হানবে। কারণ কোনটা তাদের আসল আর কোনটা তাদের টালবাহানা তা বোঝা খুবই কঠিন।

মেনন বলেন, একুশের ভাষা আন্দোলনের সময় কমরেড তোয়াহার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত জোরালো। ওই আন্দোলনের সঙ্গে কমরেড তোয়াহার নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ভাষা আন্দোলনের শুরুতে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, তাদের মধ্যে তোয়াহা অন্যতম।

তিনি বলেন, বিভিন্ন বই-পুস্তকে ও পত্র-পত্রিকায় লেখা-লেখি হলেও তার প্রতি সেইভাবে কোন সম্মান দেখানো হয়নি।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক মন্ত্রী ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন। সাবেক মন্ত্রী ও বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ৃয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক, লেখক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ প্রমুখ।

ডেইলি বাংলাদেশ/সেতু/আরএইচ/টিআরএইচ