Alexa ‘আধুনিক প্রযুক্তির দ্বারা আরো সুসজ্জিত হবে এসএসএফ’

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৮ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৩ ১৪২৬,   ১৪ জ্বিলকদ ১৪৪০

‘আধুনিক প্রযুক্তির দ্বারা আরো সুসজ্জিত হবে এসএসএফ’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৪৪ ১৫ জুন ২০১৯   আপডেট: ১০:২২ ১৬ জুন ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এসএসএফ’কে আধুনিক প্রযুক্তির দ্বারা আরো সুসজ্জিত করা হবে। প্রতিদিন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন সম্পর্কে এসএসএফ’কে অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে। ক্রমাগত পরিবর্তনশীল অপরাধ সম্পর্কে আপনাদের সচেতন থাকতে হবে এবং প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

শনিবার স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন নতুন প্রযুক্তি মানুষের জীবনধারার উন্নতি করছে এবং দেশের উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করছে। অন্যদিকে নতুন প্রযুক্তির আবিষ্কারের সাথে নানা ধরনের ঝুঁকির আবির্ভাব ঘটছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ধরণও ক্রমাগত পরিবর্তন হচ্ছে। 

দেশি ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তের বিরুদ্ধে সব সময় প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নানা চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র আমাদের সামনে। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি বা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যারা আমাদের সমর্থন দেয়নি, তাদের নানা রকম চক্রান্ত অব্যাহত। কিন্তু সেগুলো মোকাবিলায় সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে। প্রস্তুতি নিতে হবে। সচেতন থাকতে হবে। 

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের এসএসএফ সব সময় অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। তাদের আনুগত্য ও উচ্চমানের পেশাদারিত্ব- এটা আমাকে গর্বিত করেছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় এসএসএফ এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সব সময় এসব মোকাবিলা করার জন্য দক্ষতা থাকতে হবে। আমাদের আপ টু ডেট থাকতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্নপূরণ করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে ফিরে এসেছিলেন বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই স্বপ্নপূরণে মৃত্যুকে হাতে নিয়ে ফিরে এসেছি। আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় করি না। যে সময়টুকু আমি পাবো দেশের জন্য কাজ করবো। দেশ ও দেশের মানুষকে ঘিরে যে স্বপ্নটা জাতির পিতা দেখেছিলেন, তার সেই স্বপ্ন পূরণ করা কর্তব্য হিসেবে আমি নিয়েছি। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষকে তিনি সুখী-সমৃদ্ধশালী করতে চেয়েছিলেন। তাদের জীবন উন্নত করবেন। দুঃখ দারিদ্র্যের হাত থেকে তাদের মুক্তি দিতে চেয়েছিলেন। সেই চিন্তাটাই নিয়েই কাজ করছি। 

এ সময় ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট ঘাতকদের হাতে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর ১৯৮১ সালে মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে দেশে ফিরে আসার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি জানি, যেদিন বাংলাদেশের মাটিতে পা দিয়েছি সেদিন থেকেই আমি আমার মৃত্যুকে হাতে নিয়েই ফিরে এসেছি। বলতে গেলে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেই এসেছি। যেকোনো মুহূর্তে হয়তো আমাকে হত্যা করা হতে পারে, মারা যেতে পারি। সেটা জেনেই কিন্তু আমি এসেছি।

অনুষ্ঠানে তিন বাহিনীর প্রধান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, অন্যান্য সিনিয়র সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা ও এসএসএফ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর/টিআরএইচ