.ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৯ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৪ ১৪২৫,   ১২ রজব ১৪৪০

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে কুমিল্লার বিশিষ্টজনদের ভাবনা

কুমিল্লা প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ২১:২৩ ১০ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ২১:২৩ ১০ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নিজেদের ভাবনা জানিয়েছেন কুমিল্লার শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিক। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক রাশেদা রওনক খান বলেছেন- কিভাবে একটি দেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়ে আবার যুদ্ধ বিধস্ত দেশটিকে পুন:গঠন করতে হয় তা দেখিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।
স্বাধীনতা অর্জনের পরে প্রিয় মাতৃভূমি যখন নেতৃত্ব শূন্য দিশেহারা, যুদ্ধবিধস্ত পোড়া মাটিতে হাহাকারের আর্তনাদ চলছিলো বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে পোড়া মাটিতে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নবীজ রোপণ করেছিলেন। তিনি যুদ্ধ পরবর্তী দেশে ফিরে শূন্য হাতেই দেশের  

কুমিল্লা সদর আদর্শ উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম টুটুল বলেছেন- যুদ্ধবিধস্ত দেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়ে থেমে থাকেননি বঙ্গবন্ধু। গোটা জাতির জন্য বিভিন্ন দেশ ও আমাদের দেশের মানুষজনের সঙ্গে পরামর্শ করে করেছিলেন। তার ফলশ্রুতিতে আমরা একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছি।

কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হাই বাবলু বলেছেন- যুদ্ধের ডাক দিয়ে একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র উপহার দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করে স্বাধীনতা স্বাদ পাওয়া জাতিকে পুন:গঠিত করতে যে পরিকল্পনা করেছেন সে পরিকল্পনার সুফল ভোগ করছে পুরো বাঙ্গালি জাতি। তবে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার মধ্য দিয়ে সে স্বপ্নকে আবারো দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছিলো। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার কারিগর বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা জাতির জনকের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করে চলছেন মূলত আজকের সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ এবং ৪১ সালের উন্নত দেশের মূলভিত্তি বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন এবং সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা। 

কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম বলেছেন- দেশ স্বাধীন করার পর বঙ্গবন্ধুর শূন্যতায়  ভুগছিলেন পুরো জাতি। যুদ্ধ বিধস্ত দেশকে  অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর দেশটিকে তিনি নেতৃত্বে দিয়ে দাঁড় করিয়েছেন।  জাতি তখন পর্যন্ত শংকিত ছিলো- বঙ্গবন্ধু জীবিতভাবে দেশে ফিরতে পারবেন কিনা। যখন বঙ্গবন্ধুকে বহণকারী বিমানটি বাংলার মাটিতে এসে থামলো তখন সাড়ে সাত কোটি মানুষ কেঁদেছিলো। এ কান্না ছিলো আনন্দের, এ কান্না ছিলো নেতাকে ফিরে পাওয়ার। তারপর আবারো এক ট্রাজেডি ঘটলো। বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে হত্যা করে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম