Alexa বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃতি: হাইকোর্টে ক্ষমা প্রার্থনা যবিপ্রবি ভিসির

ঢাকা, বুধবার   ২০ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৫ ১৪২৬,   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃতি: হাইকোর্টে ক্ষমা প্রার্থনা যবিপ্রবি ভিসির

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৩৮ ৪ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৭:৫৩ ৪ নভেম্বর ২০১৯

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃতির ঘটনায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা হাইকোর্টে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। এ সময় ২০ নভেম্বর শুনানির পরবর্তী দিন নির্ধারণ করে অভিযুক্তদের সর্তক করে আদালত বলেন, অভিযোগ প্রমাণ হলে ছাড় দেয়া হবে না।

সোমবার বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এমকে রহমান। যবিপ্রবির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কে এম সাইফুদ্দিন আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

উপাচার্যের আইনজীবী কে এম সাইফুদ্দিন আহমেদ জানান, উপাচার্যসহ তিন জন নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন।

উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেছেন, ছবি বিকৃতির ঘটনা ঘটেনি। অন্য কেউ ডেস্ক ক্যালেন্ডারে ছবি বিকৃতির দায় চাপাতে চাচ্ছে। রিট আবেদনকারী আনোয়ার হোসেন উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে ছবি বিকৃতির অভিযোগ এনেছেন, যা ভিত্তিহীন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের লাঞ্ছিত করার দায়ে এর আগে তাকে ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

গত ১৫ অক্টোবর ছবি বিকৃতির ঘটনায় হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দায় রয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১৮ সালের ডেস্ক ক্যালেন্ডারে জাতির পিতার ছবি এবং ২০১৯ সালের ডেস্ক ক্যালেন্ডারে জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করা হয়নি। এছাড়া ২০১৮ সালের ক্যালেন্ডারে জাতির পিতার ছবির উপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির নাম লেখাও সমীচীন হয়নি।

এতে বলা হয়, ২০১৯ সালের ডেস্ক ক্যালেন্ডার পুনঃমুদ্রিত। আগের (প্রথম) প্রিন্ট করা কপিতে জাতির পিতার ছবি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ছিদ্র করে স্পাইরাল বাইন্ডিং করা হয়। এ ছাড়া জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি (ছবির মাথা কেটে) বিকৃত করা হয়, যা প্রথম মুদ্রিত ডেস্ক ক্যালেন্ডার থেকে স্পষ্টতই প্রমাণ পাওয়া যায়।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ