Alexa বগুড়ায় রেলের জমি থেকে উচ্ছেদ ২০০ দোকান

ঢাকা, বুধবার   ১১ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২৬ ১৪২৬,   ১৩ রবিউস সানি ১৪৪১

বগুড়ায় রেলের জমি থেকে উচ্ছেদ ২০০ দোকান

বগুড়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৩২ ১৯ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ২২:৪৭ ১৯ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বগুড়া শহরের রেলওয়ে স্টেশনের বিপরীতে অবৈধভাবে গড়ে তোলা ২০০ দোকান বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার রেলের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা রেজাউল করিম বিপুল এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লাইসেন্স ফি না দিয়েই দোকানগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আব্দুল মান্নান আকন্দ নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির সহযোগিতায় রেলওয়ে স্টেশনের দক্ষিণের ওই জায়গা 'বরাদ্দ পাওয়া'র কথা বলে দোকানগুলো নির্মাণ করে। পরে আকৃতি অনুযায়ী সেগুলো তিন থেকে ৪ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রেলওয়ে স্টেশনের ওই জায়গা বাণিজ্যিকভাবে ইজারা দেয়ার জন্য কয়েকটি প্লটে ভাগ করে গত বছরের শুরুতে দরপত্র আহ্বান করা হয়। সর্বোচ্চ দর দাখিলকারীর নামে ডিমান্ড নোট ইস্যু এবং একই বছরের ২৬ আগস্টের মধ্যে লাইসেন্স ও নকশা ফির টাকা জমা দিতে বলা হয়। কিন্তু তারা সেই টাকা জমা না দিয়েই দোকান নির্মাণ করে তা বিক্রি শুরু করে।

রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানান, যারা টেন্ডারে সর্বোচ্চ দর দাখিল করেছিলেন, তাদের মধ্যে মাত্র ৬৭ জন ছাড়া বাকিরা টাকা জমা দেননি। টাকা জমা না দিলেও সেখানে ২০০টি দোকান নির্মাণ করা হয়। অথচ টাকা জমা দেয়া ৬৭ জনের জন্য কোনো দোকান রাখা হয়নি। এমনকি টেন্ডার করা হয়নি এমন জায়গাতেও দোকানঘর নির্মাণ করা হয়।

ক্রেতাদের একজন হায়দার আলী জানান, দুটি দোকান কেনার জন্য তিনি আব্দুল মান্ন্নান আকন্দকে ছয় লাখ টাকা দিয়েছেন। এখন জানতে পারছেন, তার কাছ থেকে টাকা নেয়া হলেও তা রেলওয়ে বিভাগে জমা করা হয়নি।

যোগাযোগ করা হলে আব্দুল মান্নান আকন্দ জানান, তার নামে কোনো জায়গা কিংবা দোকান বরাদ্দ নেই। তিনি শুধু দোকান ঘর নির্মাণের ঠিকাদার ছিলেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এভাবে উচ্ছেদ না করে দোকানগুলোর কাঠামো ঠিক রেখে নতুন করে টেন্ডার আহ্বান করতে পারতো।

রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, উচ্ছেদ শেষে নতুন করে টেন্ডার আহ্বান করা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম