Alexa বইমেলার পরিসর বাড়ছে আগামীবার!

ঢাকা, শনিবার   ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ৯ ১৪২৬,   ২৭ জমাদিউস সানি ১৪৪১

Akash

বইমেলার পরিসর বাড়ছে আগামীবার!

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৫৭ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৯:৫৮ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

পরের বছর থেকে একুশে গ্রন্থমেলার পরিসর বাড়ানো হবে। উপচে পড়া জনস্রোত আর বাড়তে থাকা প্রকাশনীগুলোর জায়গা করে দিতেই এমনটা ভাবছে প্রতিষ্ঠান। রোববার  বাংলা একাডেমির সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সোমবার এ বিষয়ে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, আর কোনো উপায় নেই। মেলায় মানুষ যেমন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে প্রকাশনীও। সাহিত্য অনুরাগীরা আমাদের কাছে একটা সুস্থ পরিবেশ আশা করেন। আমরা সেই পরিবেশটাই নিশ্চিত করতে চাচ্ছি।

কেমন হবে সেই পরিবেশ- জানতে চাইলে হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, আমরা গোটা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই মেলা বসাতে চাই। মেলার উঠোন জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকবে সাহিত্য প্রিয় মানুষেরা। গাছের ফাঁকে ফাঁকে বসবে স্টল। সেখানে আড্ডা দেয়ার জায়গাও থাকবে। সেটা না হলে স্বাধীনতা স্তম্ভ থেকে টিএসসির গেটের মাঝামাঝি জায়গাটি পর্যন্ত বিস্তৃত হবে মেলার পরিসর। এতে করে ভিড় কিছুটা কমবে।

তিনি বলেন, বিশেষ দিনে ও ছুটির দিনগুলোতে মেলায় এসে ভিড় জমায় গোটা শহরের মানুষ। এতে করে মেলার প্রবেশ পথে যেমন ভিড় হয়, ঘটে নানা রকমের দুর্ঘটনাও। বই কিনতে গিয়েও স্টলের সামনে হেনস্তার শিকার হন অনেকে।

মেলা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ড. জালাল আহমেদ বলেন, মেলার পরিসর বাড়লে এমনটা আর হবে না। না হলে ধীরে ধীরে আকর্ষণ হারাবে বইমেলা। সারা পৃথিবী থেকে বাংলাভাষী মানুষ মেলায় আসে। ভিনদেশী পর্যটকরাও দেখার তালিকায় রাখেন এই মেলাকে। তারা নিশ্চয় এই ভিড় দেখতে এখানে আসেন না।

জালাল আহমেদ আরো বলেন, আগামীবার থেকে মেলার পরিসর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে একাডেমি। মেলাকে আরো আধুনিকায়নও করা হবে। বইমেলা ফিরে পাবে তার নিজস্ব রঙ। পাঠকদেরকে আর ভিড় ঠেলে ঢুকতে হবে না মেলায়।

এজন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা কামনা করেছেন বাংলা একাডেমির এই দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। বলেছেন, জাতির সমষ্টিক মূল্যবোধ উন্নত করতে হলে এমন আয়োজনে সরকারকে আরো বেশি উদার হতে হবে।

উল্লেখ্য, অমর একুশে গ্রন্থমেলা এতদিন বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের একাংশে আয়োজন করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএস/আরএইচ/জেডআর