Alexa ফেব্রুয়ারিতেই এশিয়া কাপের সিদ্ধান্ত, হতে পারে বাংলাদেশে!

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ১৪ ১৪২৬,   ০৩ রজব ১৪৪১

Akash

ফেব্রুয়ারিতেই এশিয়া কাপের সিদ্ধান্ত, হতে পারে বাংলাদেশে!

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৫৫ ২৯ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৭:০১ ২৯ জানুয়ারি ২০২০

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

কোথায় হবে এবারের এশিয়া কাপ এ নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) অধীনে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পাকিস্তানে হওয়ার কথা ১৫তম আসর। তবে ভারতের বিরোধিতায় সেখানে টুর্নামেন্ট না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এমতাবস্তায় কোথায় হবে এশিয়া কাপ এ বিষয়ে ফেব্রুয়ারিতেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সন্তোষজনক নয় দাবি করে শুরু থেকেই সেখানে খেলার বিপক্ষে ভারত। শেষ পর্যন্ত ভারতের ম্যাচগুলো নিরপেক্ষ ভেন্যু আরব আমিরাতে আয়োজনের প্রস্তাব করেছে পাকিস্তান। কিন্তু তাতেও আপত্তি রয়েছে ভারতের। তাদের একটাই কথা, পাকিস্তানে এশিয়া কাপ আয়োজিত হলে টুর্নামেন্ট বয়কট করবে তারা। 

এদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) শুরুতে পাকিস্তান সফরে যেতে চায়নি। তবে শেষ পর্যন্ত তিন দফায় দেশটিতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে যাওয়ার ব্যাপারে রাজি হয়েছে বিসিবি। গুঞ্জন উঠেছে, পাকিস্তানে খেলতে যাওয়ার শর্তে বিসিবির কাছে পিসিবি এশিয়া কাপ আয়োজনের অধিকার ছেড়ে দিয়েছে। 

অবশ্য পিসিবি জানিয়েছে, এশিয়া কাপ নিজেরা আয়োজন না করলেও অন্য কোনো দেশকে ছেড়ে দেওয়ার অধিকার তাদের নেই। এসব গুঞ্জন আর আলোচনার মাঝেই এসিসি আগামী মাসে আলোচনায় বসতে চলেছে। এসিসির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হবে এই আলোচনা সভা। সেখানেই এশিয়ার বিভিন্ন ক্রিকেট বোর্ডের প্রধানরা একসঙ্গে বসে চূড়ান্ত করবেন এশিয়া কাপের ১৫তম আসর বসবে কোথায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা এএনআই। সেখানে তারা এসিসির এক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে এসিসির একটি সভা বসবে। সেই সভায় এশিয়া কাপের আয়োজন স্বত্ব নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই বছর পাকিস্তান এশিয়া কাপ আয়োজন করার কথা। তাই পাকিস্তানই তাদের দেশে না বসলে অন্য কোন দেশে এশিয়া কাপ আয়োজিত হবে সে বিষয়ে শেষ সিদ্ধান্ত নেবে। 

অবশ্য খুব সহজে নিজেদের দেশে এশিয়া কাপ আয়োজনের সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবে না পাকিস্তান। কিন্তু এশিয়া কাপ পাকিস্তানে হলে পিসিবি ও বিসিসিআইয়ের দূরত্ব আরো বাড়তে পারে বলে আশংকা করছেন অনেকে। এর প্রভাব পড়বে বৈশ্বিক ক্রিকেটীয় প্রেক্ষাপটেও। এমনিতে দীর্ঘ সময় ধরে দুই দেশের মাঝে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজিত হয়নি। চলমান সংকট নিরসন না হলে নিকট ভবিষ্যতে এই সম্ভাবনা আরো ক্ষীণ হয়ে যাবে। 

এশিয়া কাপের সর্বশেষ আসর আয়োজিত হয়েছিল আরব আমিরাতে। নিজ দেশে আয়োজিত না হলে আবারো আরব আমিরাতকে প্রস্তাব দিতে পারে পিসিবি। তবে এখানে ভারতসহ অন্যান্য দেশ আপত্তি জানাতে পারে বলে জোরালো গুঞ্জন রয়েছে। সেক্ষেত্রে এশিয়া কাপ আয়োজনের দৌড়ে টিকে থাকবে শুধুমাত্র বাংলাদেশ ও শ্রীলংকা। 

দুই দেশের মাঝে আয়োজক হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশই। সবশেষ আসরের আগে এশিয়া কাপের টানা তিনটি আসর (১১, ১২ ও ১৩তম) সফলতার সঙ্গে আয়োজন করে বাংলাদেশ। ফলে চলমান প্রেক্ষাপটে আবারো এদেশে এশিয়া কাপ আয়োজিত হলে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এএল