Alexa ফুল বিক্রিতেই স্বাবলম্বী

ঢাকা, বুধবার   ১৭ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ২ ১৪২৬,   ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪০

ফুল বিক্রিতেই স্বাবলম্বী

নাটোর প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৩:০৪ ৯ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৩:০৪ ৯ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নিজস্ব কোন জমি নাই। অন্যের ২৫ কাঠা জমি ভাড়া নিয়ে গড়ে তুলেছেন শেরকোল শিবতলা বহুমূখী নার্সারী। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তীব্র ঠান্ডা, কুয়াশা, প্রখর রোদ ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে গাছ আর ফুল বিক্রি করেই চলছে আল আমিনের জীবন সংসার। 

নাটোরের সিংড়া উপজেলার সেরকুল ইউপির হাড়োবাড়িয়ায় এলাকায় বাড়ি আল আমিনের। আল আমিনের নার্সারীতে রয়েছে, ফলজ আম, কাঁঠাল, আমলকি, পেয়ারা, জলপাই, আমড়া, বেদেনা, লিচু, কমলা, মালটা, লেবু, বনজ মেহগনি, আকাশমনি, আমলকি, ঘৃত্ত্যকাঞ্চন,তরুক চন্ডাল, সাদা ও লাল লজ্জাবতীসহ ৩৫-৪০ ধরনের ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছ। এছাড়াও গোলাপ, রজনী গন্ধা, হাসনাহেনা, গন্ধরাজ, বেলি, বকুল, কামিনী, রঙ্গন, শিউলী, চামেলী, বড় গাঁধা, চন্দ্র মল্লিকা ফুল বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিয়ে এবং পারিবারিক অনুষ্ঠানে সরবরাহ করে থাকেন। 

প্রতিদিন নিয়ম করে নার্সারী থেকে গাছ আর ফুল ভ্যান বোঝাই করার পর সিংড়া উপজেলা শহরে আসেন আল আমিন। এরপর গোল-ই-আফরোজ সরকারি অনার্স কলেজ এলাকায় অস্থায়ী দোকানে বিক্রি করেন। মূলত গাছ বিক্রিতেই চলে আল আমিনের সংসার। 

আল আমিন বলেন, ১২-১৩ বছর আগে ঢাকায় ৬শ’ থেকে ৭শ’ টাকা বেতনে বিভিন্ন নার্সারীতে কাজ করেছি। এরপর সিংড়াতে এসে শেরকোলে ২৫ কাঠা জায়গার উপর নার্সারী গড়ে তুলেছি। ১৫ কাঠা জমি ৪০ বছরের জন্য ৬০ হাজার টাকায় বন্ধক নিয়েছি। অপর ১০ কাঠা জমি এক বছরে ৫ হাজার টাকা করে জমির মালিককে দিতে হয়। নার্সারীতে দেড় থেকে দুই লাখ টাকার প্রায় ৪০ প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছ আছে। প্রতিমাসে প্রায় ১৮-২০ হাজার টাকা আয় হয়। প্রথমত লোন নিয়ে ব্যবসা শুরু করলেও এখন বর্তমানে ব্যাংকে লোন নাই। সব লোন পরিশোধ হয়েছে। ছেলের লেখাপড়া ও সংসার খরচ গাছ ও ফুল বিক্রি থেকেই হয়। যা আয় তাই ব্যয়। 

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম