ফুটবল ও জীবন কোনটাই আগের মত স্বাভাবিক হবে না : মেসি

ঢাকা, শুক্রবার   ১০ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ২৬ ১৪২৭,   ১৮ জ্বিলকদ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

ফুটবল ও জীবন কোনটাই আগের মত স্বাভাবিক হবে না : মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৩১ ১ জুন ২০২০  

লিওনেল মেসি

লিওনেল মেসি

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে স্থবির পুরো বিশ্ব। প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। করোনা কাটিয়ে উঠলেও ফুটবল ও জীবন কোনটাই আর আগের মত স্বাভাবিক হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বার্সেলোনার সুপারস্টার লিওনেল মেসি। করোনার কারণে এরইমধ্যেই বিশ্বজুড়ে প্রায় ৪ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। 

ইউরোপের শীর্ষ পাঁচটি লিগের মধ্যে মে মাসের শুরুতে প্রথম লিগ হিসেবে মাঠে ফিরেছে জার্মান বুন্দেসলিগা। জুনে শুরু হতে চলেছে স্প্যানিশ লা লিগা, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও ইতালিয়ান সিরি-এ লিগ। ফরাসি লিগ ওয়ানের এবারের মৌসুম বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

সবগুলো লিগেই বাকি থাকা ম্যাচগুলো সবই দর্শকশুন্য স্টেডিয়ামে আয়োজিত হচ্ছে বা হবে। এতে করে ক্লাব, প্রতিযোগিতা ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলেই যে ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে তা কখনো কাটিয় ওঠা সম্ভব নয়। 

এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেছেন, ‘আমার মনে হয়না ফুটবল আবারো কখনো পুরনো চেহারায় ফিরতে পারবে। কিন্তু ফুটবলের বাইরেও স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও আর সম্ভব নয়। যেকোন ভাবেই হোক না কেন এই পরিস্থিতি আমাদের প্রত্যেকের জীবনকে প্রভাবিত করেছে। যে কারণে সকলেই এই মুহূর্তগুলোকে আজীবন মনে রাখবে। বিশেষ করে যারা প্রিয়জনদের হারিয়েছেন তাদের জন্য এই হতাশা কখনই কাটবে না। আমি নিশ্চিত এতে করে ফুটবল ও সব ধরনের ক্রীড়াই দারুনভাবে প্রভাবিত হবে। বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে যারা অর্থলগ্নি করেছে তাদের ক্ষেত্রে মুহূর্তগুলো একটু বেশী কঠিন।

একজন পেশাদার ফুটবলার হিসেবে অনুশীলন ও প্রতিযোগিতায় আমাদের ফিরতে হচ্ছে। কিন্তু আসলেই কি আগের মত স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে আমরা মাঠে নামতে যাচ্ছি। এটা সব ফুটবলারের জন্যই একটি আশ্চর্যজনক পরিস্থিতি’।

করোনায় যারা সামনে থেকে যুদ্ধ করে চলেছেন কাতালানে সেই সমস্ত লড়াকুদের জন্য চ্যারিটি বাবদ ১ মিলিয়ন ইউরো দান করেছেন মেসি। এছাড়াও নিজের বাড়ি আর্জেন্টিনার হাসপাতাল ও চ্যারটিতেও মেসির এই অর্থ দান করা হয়েছে।

এ সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ‘হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কেয়ার হোমগুলোতে যারা এই ভাইরাসের সঙ্গে সার্বক্ষনিক লড়াই করে যাচ্ছেন তাদের জন্য কিছু করতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। যা হয়েছে বা ভবিষ্যতে হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই কিছু বলতে পারিনা। লকডাউনের কারণে অনেক মানুষই দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। মানুষ তাদের পরিবার ও বন্ধু হারিয়েছে যাদের হয়ত এত তাড়াতাড়ি বিদায় দেবার কথা ছিলনা। যা কিছুই হয়েছে তার থেকে স্বজন হারানোর কষ্ট অনেক বড়। আমার কাছে এটা খুবই বেদনাদায়ক পরিস্থিতি’।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস