.ঢাকা, বুধবার   ২০ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৬ ১৪২৫,   ১৩ রজব ১৪৪০

ফিরে দেখা: আলবার্ট আইনস্টাইন

আরিফুল ইসলাম আরিফ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৫৭ ১৪ মার্চ ২০১৯   আপডেট: ২২:৩৪ ১৪ মার্চ ২০১৯

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন ১৮৭৯ সালের আজকের এই দিনে (১৪ মার্চ) জার্মানির একটি ছোট শহর উলমে এক সম্ভ্রান্ত ইহুদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

তার পিতা ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার। স্কুলের শিক্ষকদের কাছ থেকে মাঝে মাঝেই অভিযোগ আসতো পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়া ছেলে, অমনোযোগী, আনমনা। ক্লাসের কেউ তার সঙ্গী ছিল না। সবার শেষে পেছনের বেঞ্চে গিয়ে বসতেন। একমাত্র সঙ্গী ছিলেন মা। তাঁর কাছে দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ শিল্পীদের নানা সুর শোনেন। আর বেহালায় সেই সুর তুলে নেন। এই বেহালা ছিল আইনস্টাইনের আজীবন কালের সঙ্গী।

ছিলেন ইহুদি। কিন্তু স্কুলে ক্যাথলিক ধর্মের নিয়মকানুন মেনে চলতে হতো। পনেরো বছর বয়সে তিনি কান্ট, স্পিনোজা, ইউক্লিড, নিউটনের রচনা পড়ে শেষ করে ফেললেন। বিজ্ঞান, দর্শনের সঙ্গে পড়তেন গ্যেটে, শিলার, শেক্সপিয়ার। 

আইনস্টাইনের শৈশব কেটেছে জার্মানিতে, কৈশোর ইতালি, যৌবন সুইৎজারল্যান্ডে, প্রৌঢ়ত্ব জার্মানি আর বার্ধক্য আমেরিকায়।

আইনস্টাইন তাঁর স্কুলের সহপাঠিনী মিলেভা মারেককে বিয়ে করেন । তখন বয়স ছিল মাত্র ২২ বছর। 
আইনস্টাইনের গবেষণায় ছিল না কোনো ল্যাবরেটরি, ছিল না কোনো যন্ত্রপাতি। তার একমাত্র অবলম্বন ছিল খাতা-কলম আর তাঁর অসাধারণ চিন্তাশক্তি। অবশেষে শেষ হলো গবেষণা। তখন তাঁর বয়স মাত্র ২৬ বছর। একদিন ত্রিশ পাতার একটি প্রবন্ধ নিয়ে হাজির হলেন বার্লিনের বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক পত্রিকা Annalen der physik-এর অফিসে। এই পত্রিকায় ১৯০১ থেকে ১৯০৭ পর্যন্ত আইনস্টাইন পাঁচটি রচনা প্রকাশ করলেন। এসব রচনায় প্রচলিত বিষয়কে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এতে আইনস্টাইনের নাম বিজ্ঞানী মহলে ছড়িয়ে পড়ল।

যুদ্ধকে আজীবন অন্তর দিয়ে ঘৃণা করে গেছেন এই মনীষী। তাঁর নিজের কথায়, "মানুষ হত্যা আমার কাছে নিদারণ বিরক্তিকর একটি ব্যাপার। আমার এই মনোভাব কোনো বিজ্ঞ চিন্তা থেকে আসেনি। এর মূলে রয়েছে ঘৃণা আর নিষ্ঠুরতার প্রতি আমার তীব্র বিদ্ধেষ।"  

আইনস্টাইন বলেছিলেন, আলোর চেয়ে বেশি গতিতে আর কেউ ছোটে না এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে। শূন্যস্থানে আলো প্রতি সেকেন্ডে পাড়ি দেয় ২৯ কোটি ৯১ লাখ ৯২ হাজার ৪৫৮ মিটার। এর চেয়ে বেশি গতি পৃথিবীতে আর কারো নেই। আর এই দাবিই আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা সূত্রের ভিত। বস্তুত এই গতিসীমার ওপরই দাঁড়িয়ে আছে গোটা পদার্থবিদ্যা অনেকখানি।  

তিনি ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর পুরস্কার লাভের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে বিশেষ অবদান এবং বিশেষত আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া সম্পর্কীত গবেষণার জন্য। আইনস্টাইন পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রচুর গবেষণা করেছেন এবং নতুন উদ্ভাবন ও আবিষ্কারে তাঁর অবদান অনেক। ১৯৯৯ সালে টাইম সাময়িকী আইনস্টাইনকে "শতাব্দীর সেরা ব্যক্তি" হিসেবে ঘোষণা করে। এ ছাড়া বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানীদের একটি ভোট গ্রহণের মাধ্যমে জানা গেছে, তাঁকে প্রায় সবাই সর্বকালের সেরা পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

১৯৫৫ সালের ১৮ এপ্রিল তিনি আমেরিকায় মৃত্যুবরণ করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ

শিরোনাম

শিরোনামসাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪-০ গোলে হেরে বাংলাদেশের বিদায় শিরোনামবাসচাপায় আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের শিরোনামযশোরের শার্শায় পিকআপ ভ্যানচাপায় স্কুলছাত্রীর পা বিচ্ছিন্ন শিরোনামরাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বিইউপির ছাত্র নিহতের প্রতিবাদে প্রগতি সরণিসহ কয়েকটি সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ; নিরাপদ সড়কের দাবিতে শাহবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান শিরোনামসিঙ্গাপুরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সফলভাবে বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন শিরোনামক্রাইস্টচার্চ হামলা: নিহতদের দাফন শুরু; এখনো হস্তান্তর হয়নি সব মরদেহ শিরোনামঢাকা-কলকাতা জাহাজ সার্ভিস চালু ২৯ মার্চ