.ঢাকা, শুক্রবার   ১৯ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ৫ ১৪২৬,   ১৩ শা'বান ১৪৪০

ফিরে দেখা : স্যার আজিজুল হক

আরিফুল ইসলাম আরিফ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:২২ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ২২:২৭ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

অবিভক্ত বাংলার একজন কীর্তিমান ব্যক্তিত্ব স্যার আজিজুল হক। তিনি ছিলেন একাধারে রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, কূটনীতিবিদ ও লেখক। সমাজসেবায়ও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। ১৯৪৭ সালের আজকের এই দিনে (১৯ ফেব্রুয়ারি) তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

আজিজুল হকের জন্ম ১৮৯২ সালের ২৭ নভেম্বর নদীয়ার শান্তিপুরে শালকর পরিবারে। কলিকাতা প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে বি.এ. (১৯১২) ও বি.এল. পাশ করে কৃষ্ণনগরে ওকালতি শুরু করেন (১৯১৫)। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদস্থ পদে অধিষ্ঠিত থেকে সমাজ সেবায় বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন।

১৯৩৪–৩৭ সালে তিনি অবিভক্ত বাংলার শিক্ষামন্ত্রী হয়েছিলেন। ১৯৩৮ – ৪২ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, ১৯৪২–৪৩ সালে যুক্তরাজ্যে ভারতীয় হাইকমিশনার ও ১৯৪৩–৪৬ সালে গভর্নর জেনারেলের শাসন পরিষদের বাণিজ্য সদস্য ছিলেন। তিনি নদীয়া জেলা বোর্ডের ভাইস চেয়্যারম্যান, কৃষ্ণনগর মিউনিসিপ্যালিটির চেয়্যারম্যান, বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার স্পিকার, বাণিজ্য, শিল্প ও খাদ্য বিভাগের মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছেন সরকারি স্কুলে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে বাংলা চালু, শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষা সপ্তাহ পালন কর্মসূচি প্রবর্তন, প্রাথমিক শিক্ষা পরিকল্পনাকে অ্যাক্টে পরিণত করা এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। 

স্যার আজিজুল হক রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘হিস্ট্রি অ্যান্ড প্রবলেমস অব মুসলিম এডুকেশন ইন বেঙ্গল’, ‘দ্য ম্যান বিহাইন্ড দ্য প্লাউ’, ‘দ্য সোর্ড অব দ্য ক্রিসেন্ট মুন’ উল্লেখযোগ্য। 

১৯৪৭ সালের ১৯ মার্চ মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের ফলে কলকাতায় স্যার আজিজুল হক মৃত্যুবরণ করেন।

 ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ