Exim Bank Ltd.
ঢাকা, সোমবার ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

ফাইনালে জয় পাক বাংলাদেশের পাখির চোখ

অমিত গোস্বামী
কবি হিসেবেই পরিচিতি অমিত গোস্বামীর। তবে উপন্যাস, প্রবন্ধ ও বিশ্লেষণধর্মী লেখায়ও বেশ সুনাম রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের এই লেখকের। পেশায় সাংবাদিক। জন্ম, বাস, বেড়ে ওঠা সবই ভারতে। তবে বাংলাদেশের প্রতি রয়েছে বিশেষ টান। বাংলাদেশের শহীদ বুদ্ধিজীবী আলতাফ মাহমুদকে নিয়ে উপন্যাস লিখে এরইমধ্যে সাড়া ফেলেছেন।

১৮ মার্চ ২০১৮। শ্রীলঙ্কায় আয়োজিত নিদাহাস ট্রফির ফাইনাল। লড়ছে ভারত ও বাংলাদেশ। আমি সেদিন ঢাকায়।

বিশেষভাবে আমন্ত্রিত বন্ধু সাঈদ হাসান টিপুর বাসায়। আরো অনেকেই এসেছেন। আজ যদি কোনক্রমে বাংলাদেশ জয় পায়, তাহলে কী কী হবে তার ফিরিস্তি চলছে। ম্যাচ শুরু হল। সাব্বির রহমানের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে ৭৭ রান। বাংলাদেশ পৌঁছল ১৬৬ রানে। রোহিত শর্মা ৫৬ রান ভারতের কোন ব্যাটসম্যান বিশেষ কিছু করতে পারেনি। ম্যাচের শেষ বল। শেষ ১ বলে ৫ রান ঠেকানো প্রয়োজন বাংলাদেশের। ভারতের ব্যাটে দীনেশ কার্তিক। বিরাট কিছু বীর ব্যাটসম্যান নয়। সারা ক্রিকেট বিশ্ব ধরে নিয়েছে যে এই ট্রফিতে নতুন চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।

আমিও মনে মনে প্রস্তুত ঢাকার রাস্তায় সারারাত ওদের সঙ্গে ঘুরব। বিজয় উৎসবে অংশ নেব। উত্তাল উদ্বেলিত ঢাকার এই বিজয়ী রূপ নিজের চোখে দেখার সৌভাগ্য হবে। ভারতীয় হিসেবে হেরে গেলে প্রতিপক্ষের আনন্দে সামিল হব। এটাই তো স্পোর্টস। এটাই তো খেলা। কিন্তু দুর্ভাগ্য নাকি সৌভাগ্য আমার। শেষ বলে দীনেশ কার্তিকের এক ছক্কায় হেরে যায় বাংলাদেশ। অকল্পনীয় হারে গোটা বাংলাদেশ শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়ে। একে একে নিভে যায় শহরের সব আলো। মনে হল ঢাকা শহরে কারফিউ লেগেছে।

জীবনের পেশাদারি জীবন স্পোর্টস জার্নালিজম দিয়ে শুরু করার ফলে জীবনে বিস্তর ম্যাচ দেখতে হয়েছে। কিন্তু সেদিন কেন হেরেছিল বাংলাদেশ? বা এই প্রেশার মোমেন্টে কেন হারে তারা? কাগজে কাগজে বিশ্লেষণ বেরোয়। বিশেষজ্ঞরা অনেক ভাষণ দিয়ে সমৃদ্ধ করেন তাদের বক্তব্য। কিন্তু তারা যা বলেন সেটা তাদের টেকনিকাল জ্ঞানের বিচ্ছুরণ। যেমন নিদাহাস ট্রফির হারের পরে কেউ বলেছেন, শেষ ওভারে ১২ রান ঠেকানো কঠিন। তাকে জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছে হয়, ঠিক, কিন্তু ১ বলে ছয় রান ঠেকানো কি আদৌ কঠিন? বিশ্বক্রিকেটের ইতিহাসে এর আগে শেষ বলে ছয় মেরে ম্যাচ কারা জিতিয়েছিলেন? জাভেদ মিয়াঁদাদ (শারজা, ১৯৮৬) পাকিস্তানের হয়ে ভারতের বিপক্ষে, ল্যান্স ক্লুজনার (নেপিয়ার, ১৯৯৯) দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে, ব্রেন্ডন টেলর (হারারে, ২০০৬) জিম্বাবুয়ের হয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে, শিবনারায়ণ চন্দরপল (পোর্ট অব স্পেন, ২০০৮) ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে শ্রীলংকার বিরুদ্ধে, রায়ান ম্যাকক্লারেন (পচেফস্ট্রুম, ২০১৩) দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে,ব্রেন্ডন ম্যাককালাম (হাম্বানটোটা, ২০১৩) নিউজিল্যান্ডের হয়ে শ্রীলংকার বিরুদ্ধে। ভাল করে ভাবুন তো দীনেশ কার্তিক কোন ভাবে এদের সাথে তুলনীয় ব্যাটসম্যান? তাহলে? ভুল বাংলাদেশের। তাদের উচিত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার। ইতিহাস কী?

১৯৮০-৮১ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ার্ল্ড সিরিজ প্রতিযোগিতার সেই ম্যাচটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ বলে ছক্কা মারলেই ‘টাই’ করার আনন্দ নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারত নিউজিল্যান্ড। কিন্তু অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক গ্রেগ চ্যাপেল সেদিন তাঁর সতীর্থ, ছোট ভাই ট্রেভর চ্যাপেলকে দিয়ে যে কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন ,তা কুখ্যাত হয়ে আছে ক্রিকেট ইতিহাসে। আন্ডার আর্ম বোলিং করে সেদিন নিউজিল্যান্ডকে বঞ্চিত করা হয়েছিল লড়াইয়ের অধিকার থেকে। কিন্তু একটা কথা সেদিন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে গেছেন গ্রেগ চ্যাপেল। তা হল এমন পরিস্থিতিতে আর যাই করো বোলারের বলের গতিবেগ একেবারে কমিয়ে দাও। সেই ম্যাচের শেষ তিন ওভার লক্ষ্য করুন। ৩ ওভারে ৩৫ রান দরকার ছিল ভারতের। মোস্তাফিজ এলেন, প্রথম ৪ বলই ডট! পরের বলে ১ রান। শেষ বলে আউট মনীষ পান্ডে। ম্যাচ তো বাংলাদেশের!

কিন্তু রুবেলের ৩ বলেই আবারও ভারত ফেবারিট! প্রথম বলেই ছক্কা, পরের বলে চার, আবার ছক্কা! ১২ বলে ৩৪ রান থেকে ৯ বলে ১৮ রানের দূরত্বে ভারত। রুবেলের ওভারে এল ২২ রান। শেষ ওভারে মাত্র ১২ রান লাগবে ভারতের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঠিক ১২ রানই দরকার ছিল। সমস্যা একটাই, বাংলাদেশের মূল বোলারদের আর কারও ওভার বাকি নেই! শেষ ওভার। সৌমের প্রথম বলটা ওয়াইড। ৬ বলে ১১ রান। ডট, ১। ৪ বলে ১০ রান! আবারও ১, ৩ বলে ৯ রান। চতুর্থ বলে দুর্ভাগ্যক্রমে ৪, ২ বলে ৫ রান। পরের বল, উড়িয়ে মারলেন শংকর। দুই ফিল্ডার ধাক্কা খেলেন, তবে বল হাতছাড়া হলো না। আউট!

১ বলে ৫ রান দরকার ভারতের। বাংলাদেশের দরকার ৪-এর নিচে যেকোনো কিছু! এবারে দরকার চূড়ান্ত শ্লথ একটি বল। নাহ, সেই বুদ্ধি হয়ত সৌম্যের ছিল না বা কেউ দেয় নি। একই গতিতে বল করে ছয় খেলেন।

২০১৫, ২০১৬ ও ২০১৭ র প্রথম ভাগে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলে বাংলাদেশে দল। ২০১৭ সালের শেষ দিকে আর এ বছরের শুরু থেকে কেবলই হতাশা উপহার দিচ্ছে টাইগাররা। একের পর এক হেরেই চলেছে। হারের বৃত্ত ভাঙতে পারছেনা তামিম–সাকিবরা। যেকোন দলে কোচ আসবে আর যাবে। এটাই নিয়ম। কিন্তু টাইগারদের সাবেক কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহে যাওয়ার পর থেকে কেমন যেন ছন্নছাড়া বাংলাদেশ দল। পারছেনা নিজেদের মেলে ধরতে।এটা ঠিক যে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মনোবল চাঙা করতে একটি জয়ের বিকল্প নেই। সেটি যত দ্রুত আসবে ততই মঙ্গল। কিন্তু ম্যাচ জেতার মতো করে তো আগে খেলতে হবে। খেলোয়াড়দের শরীরী ভাষায় তা অনুপস্থিত। যেন মানসিক দিক থেকে বেশ চাপের মধ্যে রয়েছে ক্রিকেটাররা। টানা তিনটি হোম সিরিজ (ত্রিদেশীয় ওয়ানডে ফাইনাল, টেস্ট ও টি–টোয়েন্টি) হারের বড় ধাক্কা নিয়ে শ্রীলঙ্কার মাটিতে ত্রিদেশীয় টি–২০ সিরিজে খেলতে নামে টাইগাররা। কিন্তু সেখানে নিজেদের প্রথম ম্যাচেও একই চিত্র। কোহলি–ধোনি–হার্দিক পান্ডে–বুমরাহ–ভুবনেশ্বর বিহীন ভারতের বিপক্ষেও এক প্রকার আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে। ব্যাটে–বলে ব্যর্থতা যাকে বলে। ভারতের দ্বিতীয় সারির দলের সাথে পেরে উঠছে না বাংলাদেশ। দলের নেতৃত্ব নিয়ে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও আছেন ভীষণ চাপে। অথচ দলে রয়েছে তামিম, সৌম্য, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ, সাব্বিরের মতো প্রতিভাবান সব ব্যাটসম্যান। বোলিংয়ে মোস্তাফিজের সঙ্গে রয়েছেন পেসার রুবেল, তাসকিন, সাকিব আল হাসান। তাহলে?

অনেকে বলছেন পরিকল্পনার অভাব। ম্যাচ জিততে হলে এটি সবার আগে বাস্তবায়ন করতে হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সবাই যার দায়িত্ব পালন না করলে ম্যাচ জেতার কাছাকাছি যাওয়াটা দিবাস্বপ্ন ছাড়া আর কিছু না। ব্যাটিং–বোলিং–ফিল্ডিং তিন বিভাগে সবাই সেরাটা উজাড় করে দিক বাকিটা এমনিতেই হয়ে যাবে।

১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেটের অগ্রযাত্রার সূচনা। তিন বছর পর টেস্ট ক্রিকেটে খেলার ছাড়পত্র পেতে বাংলাদেশকে সবচেয়ে সাহায্য করেছিলেন আইসিসির সে সময়ের সভাপতি জগমোহন ডালমিয়া।১৯৯৮ সালে উইলস ইন্টারন্যাশনাল কাপের (মিনি বিশ্বকাপ) আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশকে নির্বাচিত করে তিনিই বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত করে দিয়েছেন। সে বছর ঢাকায় বন্যা হয়েছিল। তাই ওই টুর্নামেন্টের আয়োজন নিয়ে একটা শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু তিনি বাংলাদেশে এসে ঢাকাকে ভেন্যু মনোনীত করে সব শঙ্কা দূর করে দিয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ওয়ানডে ও টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়েছি। আর তাতে ডালমিয়ার বড় ভূমিকা ছিল। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের কাছে বাংলাদেশের পরাজয় প্রসঙ্গে এই ডালমিয়া এক ঘরোয়া আসরে মন্তব্য করেছিলেন, জেতা উচিৎ ছিল বাংলাদেশের, কিন্তু ওদের বুঝতে হবে যে ভারত তো কোন অসদুপায় নেয় নি। ওদের হার দুঃখজনক, তবে এই হার থেকে ওদের জেতার শিক্ষা নিতে হবে।

ঠিক এই মোদ্দা কথাটা বলেছিলেন জগমোহন ডালমিয়া। জেতার শিক্ষা নিতে হবে। এখানেই লাট খাচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের আগে দরকার সেরা সাহায্যকারী দল। কোচ নিয়োগে তাদের যত মাথা ব্যাথা তত মাথা নেই আলাদা বোলিং কোচ, ব্যাটিং কোচ, ফিল্ডিং কোচ, ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর, মনোবিদ, ভিডিও অ্যানালিস্ট, ব্যাগ প্যাকার নিয়োগে। পুরো একটা দল আগে তৈরি করতে হবে যাদের একটাই লক্ষ্য থাকবে – জয়। চীফ কোচ বা ম্যানেজারের নেতৃত্বে দল নিজের কাজ করে যাবে। জাতীয় দল ছাড়াও অন্যান্য প্রতিশ্রুতিমান ক্রিকেটারদের জন্যে রি-হ্যাব সেন্টার করতে হবে যা ভারতের ব্যাঙ্গালোরে আছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু ক্রিকেট অ্যাকাডেমি করতে হবে যেখান থেকে উঠে আসবে কিছু নতুন প্রতিভা।

সে না হয় হল, কিন্তু আজ ম্যাচের কী হবে? ভারত খেলছে দুরন্ত ফর্মে। কীভাবে আটকানো যায় ভারতকে? বাংলাদেশের মানুষ বড় আবেগপ্রবণ। দ্রুত উত্তাল হয়ে ওঠে আনন্দে বা যন্ত্রণায়। প্লেয়াররাও তাই। জানি না তারা আবেগ মাঠের বাইরে রেখে কেন আসেন না! কী হবে? বড়জোর বিপক্ষ জিতবে। তাই আজ ভারতকে ধাক্কা দিতে গেলে সেশন টু সেশন পরিকল্পনা করতে হবে। ব্যাটিংয়ে ও বোলিংয়ে। টসে জিতলে একরকম প্ল্যান। হারলে অন্যরকম। ভারতের রান আটকে দিতে হবে। আর ব্যাটসম্যানদের মাটি কামড়ে পড়ে থাকতে হবে। প্রথম ১৫/২০ ওভার খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখানেই মারতে হয় শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে। বুমরাহকে সামলে দিতে পারলে অর্ধেক কাজ সহজ হয়ে যাবে।

এবার কি তাহলে সেই হারের জ্বালা মেটানোর পালা? এশিয়া কাপে এবারসহ চার টুর্নামেন্ট মিলিয়ে তিনবার ফাইনালে উঠল বাংলাদেশ। শ্বাসরুদ্ধকর সেই ম্যাচে পাকিস্তানের ৯ উইকেটে ২৩৬ রান তাড়া করতে নেমে ২ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। মুশফিক-সাকিবের সেই কান্না এখনো পোড়ায় বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের। গত টুর্নামেন্টে সুযোগ পেয়েও মোছা যায়নি সেই কান্না। এবার? প্রতিপক্ষ তো সেই ভারত! কী হবে! ২০১৫ সালের ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ জয় মনে করুন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। সেটা তো আপনারাই ঘটিয়ে ছিলেন। কাজেই আজকের মহারণে – মাভৈঃ। আজ জয় হোক আপনাদের পাখির চোখ। অন্যকিছু নয়। আমি ও অনেক আমরা অবশ্যই থাকব তেরঙার সমর্থনে। কিন্তু তীব্র নজরে লক্ষ্য করব আপনাদের উত্থান। সুযোগ দেবেন যাতে আপনাদের লড়াইকে কুর্ণিশ জানাতে পারি।

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
ভাইরাল জন-মিথিলা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়!
ভাইরাল জন-মিথিলা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়!
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে পরীই প্রথম
বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে পরীই প্রথম
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
প্রভার নাচে জিতবে ঢাকা!
প্রভার নাচে জিতবে ঢাকা!
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, আটক ৬
স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, আটক ৬
মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখা হতে পারে: ইসি সচিব
মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখা হতে পারে: ইসি সচিব
শিরোনাম :
কিছুক্ষণের মধ্যে ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ কিছুক্ষণের মধ্যে ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ খুলে দেয়া হয়েছে বন্ধ করা ৫৮ ওয়েবসাইট খুলে দেয়া হয়েছে বন্ধ করা ৫৮ ওয়েবসাইট ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২৪টি আসনে নির্বাচন করবে জামায়াতে ইসলামী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২৪টি আসনে নির্বাচন করবে জামায়াতে ইসলামী ১২ ডিসেম্বর টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় নামছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২ ডিসেম্বর টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় নামছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা