ঢাকা, রোববার   ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ৪ ১৪২৫,   ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪০

ফলিত পুষ্টি বিষয়ে ডিপ্লোমা চালু করবে বারটান

নিজস্ব প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ১৭:১৭ ৮ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৭:১৭ ৮ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞানের উপর ডিপ্লোমা চালু করবে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান)।

শনিবার রাজধানীর সেচ ভবনে বারটান প্রধান কার্যালয়ে প্রস্তাবিত ডিপ্লোমা কোর্সের উপর আয়োজিত কর্মশালায় এ তথ্য জানান কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও বারটান নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম।

যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে বারটান ও ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (আইএফপিআরআই)।

সভাপতির বক্তব্যে মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, খাদ্যভিত্তিক পুষ্টি বিষয়ক গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুষ্টিস্তর উন্নয়নের লক্ষ্যে বারটান কাজ করে যাচ্ছে। সেজন্য নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় ১০০ একর জায়গায় নির্মিতব্য বারটান প্রধান কার্যালয়ের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আশা করছি, ২০১৯ সালের এপ্রিলের মধ্যে সেখানে আমাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারবো এবং আগামী বছর ডিপ্লোমা কোর্স করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

বারটানের প্রস্তাবিত কোর্স নিয়ে ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট-এর অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ আবদুহু বলেন, ৪ বছর ও ৮ সেমিস্টার ব্যাপী এই ডিপ্লোমা কোর্সে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবে। এই ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করে শিক্ষার্থীরা পুষ্টিবিদ হিসেবে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারবে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ৬টি গ্রুপে ভাগ করে দেয়া হয়, সেখানে গ্রুপ অনুযায়ী বক্তারা তাদের মতামত তুলে ধরেন।

বক্তারা বলেন, এ কোর্সকে যেন এসএসসি পাস করার পর শিক্ষার্থীদের গ্রহণ করার উপযোগী করে তোলা হয়। অংশগ্রহণকারীরা সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে যেন এই ইনস্টিটিউট থেকে ডিগ্রি গ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা কাজ করার সুযোগ পেতে পারেন সে জন্য নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করার পরামর্শ প্রদান করেন।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন আইএফপিআরআই-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি আখতার আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারটান পরিচালক কাজী আবুল কালাম (সচিব) ও বারটানের অবকাঠামো নির্মাণ ও কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্প পরিচালক এস এম শিবলী নজির। 

এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা, আইএফপিআরআই সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি বেসরকারি সংস্থার শিক্ষাবিদ ও কর্মকর্তারা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএইচ/এমআরকে