Alexa ফরিদপুরে শিক্ষকসহ ৮ জনের দণ্ড

ঢাকা, সোমবার   ২৬ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ১১ ১৪২৬,   ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

ফরিদপুরে শিক্ষকসহ ৮ জনের দণ্ড

ফরিদপুর প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৬:১৫ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৬:১৫ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

ফরিদপুরে জমির দলিল জাল করার মামলায় একজন শিক্ষকসহ ৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে এ রায় দেন ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের হাকিম মো. মতিয়ার রহমান।

আদালত নগরকান্দা উপজেলার শ্রীরামদিয়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক গিয়াসউদ্দিন মোল্লাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরো ৬মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগের আদেশ দেয়। 

এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে তাকে ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরো ১৫দিন সশ্রম করাদণ্ড ভোগের আদেশ দেয়া হয়।

একই মামলার রায়ে নগরকান্দা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়ন আবু বকর সিদ্দিকীকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ২মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে তাকে ৫ বছর সশ্রম করাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরো ১৫ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগের আদেশ দেয়া হয়।

এছাড়া আদালত ওই সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ছয় নকল নবিশ এসমোতারা বেগম, সুজিত কুমার বিশ্বাস, দেলোয়ার হোসেন, ঊষা বিশ্বাস, আনঞ্জু আক্তার ও মোহাম্মদ আলীকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরো ৩ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগের আদেশ দেয়া হয়।

রায় ঘোষণার সময় গিয়াসউদ্দিন মোল্লা ও এসমোতারা বেগম ছাড়া অন্য ছয় আসামি আদালতে হাজির ছিলেন। মামলা চলার সময়ে  গিয়াসউদ্দিন ও এসমেতারা গ্রেফতার হয়েছিলেন। তবে পরে জামিন নিয়ে তারা পলাতক হন।

বিশেষ জজ আদালতের পিপি মজিবর রহমান বলেন, নগরকান্দার পোড়াদিয়া গ্রামের শেখ আব্দুল মোতালেব ও তার দুই ভাই মুরাদ হোসেন ও ফরহাদ হোসেন ২০১২ সালের ৫ মার্চ ওই এলাকার বারেক মোল্লাসহ সাত জনের কাছ থেকে ৩৯ শতাংশ জমি কেনেন। ওই বছর ১১ মার্চ গিয়াসউদ্দিন মোল্লা ওই জমির মালিক দাবি করে ওই জমির দাতা ও গ্রহীতাদের বিরুদ্ধে নগরকান্দা থানায় ১৪৪ ধারায় একটি পিটিশন করেন। পরে তদন্ত করে দেখা যায় গিয়াসউদ্দিন জমির গ্রহিতা না হওয়া সত্ত্বেও নগরকান্দা রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মচারী ও নকল নবিশদের সহায়তায় ওই দলিলের চার নম্বর গ্রহিতা হিসেবে নিজের নাম বসিয়ে এবং জমির অংশ কাটাকাটি করে নিজেই জমির মালিক হন।

এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ২ মে শেখ আব্দুল মোতালেব বাদী হয়ে গিয়াসউদ্দিনসহ ১০জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। পরে এ মামলাটির তদন্ত করেন দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক এ এস এম সাজ্জাদ হোসেন। তদন্ত চলার সময় এ মামলার দুই আসামি মারা যান। 

গত ২০১৭ সালের ৮ জানুয়ারি দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা গিয়াসউদ্দিনসহ ৮জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ

Best Electronics
Best Electronics