Alexa ফরিদপুরে ছাত্রীকে কু-প্রস্তাব দিয়ে ফেঁসে গেলেন দুই শিক্ষক

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৬ ১৪২৬,   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

ফরিদপুরে ছাত্রীকে কু-প্রস্তাব দিয়ে ফেঁসে গেলেন দুই শিক্ষক

ফরিদপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:২৫ ৫ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৫:০৩ ৫ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ফরিদপুরে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কু-প্রস্তাব দিয়ে ফেঁসে গেছেন সদরপুর নয়া ডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও আইসিটি শিক্ষক। 

এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের নাম কাজী কামরুল ইসলাম ও আইসিটি শিক্ষক কাজী জহুরুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ।  

পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. মারুফ হোসেন মৃধা ডেইলি বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সোমবার উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ জরুরি বৈঠকে বসে। এতে ওই দুই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয়রা জানান, গত ২৯ অক্টোবর দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অভিযুক্ত ওই দুই শিক্ষক কু-প্রস্তাব দেন। এতে সে অস্বীকৃতি জানালে বিকেলের দিকে বাবা ও মায়ের অনুপস্থিতিতে ওই ছাত্রীর ঘরে প্রবেশ করেন তারা। বিষয়টি তাৎক্ষণিক ওই ছাত্রী মা ও বাবাকে অবহিত করেন।

ওই ছাত্রীর মা-বাবা জানান, বিষয়টি অবগত হওয়ার একদিন পর সদরপুরের ইউএনও বরাবর প্রতিকার চেয়ে আবেদন করা হয়। তারা দাবি করেন, ওই শিক্ষকরা পুর্বেও একাধিকবার মেয়েটিকে বিরক্ত করত। কিন্তু ছাত্রীর বাবা স্কুলে সংশ্লিষ্ট থাকায় ভয়ে মুখ খুলতেন না। কিন্তু এবার ঘটনাটি চরম পর্যায়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ করতে বাধ্য হয়েছেন। তারা এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

পরে ঘটনা তদন্তে সোমবার সদরপুরের ইউএনও পুরবী গোলদার ওই স্কুলে যান। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ অনেকের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় স্কুলে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ প্রসঙ্গে ইউএনও বলেন, প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় ওই দুই শিক্ষককে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও স্কুলের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির সমন্বয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে এ ঘটনায় সদরপুর থানার এসআই (তদন্ত) আবুল খায়ের বলেন, এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর