Alexa ফণি মোকাবিলায় প্রস্তুত উপকূল

ঢাকা, শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৬ ১৪২৬,   ২১ মুহররম ১৪৪১

Akash

ফণি মোকাবিলায় প্রস্তুত উপকূল

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:০৪ ১ মে ২০১৯   আপডেট: ২০:১৪ ১ মে ২০১৯

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ উপকূলীয় জেলাগুলোতে আঘাত হানার আশঙ্কা দেখা দেয়ায় দুর্যোগ মোকাবিলায় সব পূর্বপ্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সরকার। খোলা রাখা হয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সব অফিস। উপকূলীয় ১৯ জেলায় প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে। প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রগুলো।

ঘূর্ণিঝড়টি পর্যবেক্ষণ করে তা মোকাবিলায় ছুটির দিনেও সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান ও মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ্ কামাল এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও দপ্তরের কর্মকর্তারা দুর্যোগ প্রস্তুতি সভা করছেন। এছাড়া জেলা-উপজেলায় দুর্যোগ প্রস্তুতি সভা করছেন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ্ কামাল জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সব বিভাগ খোলা রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে সিপিপি, স্কাউট ভলান্টিয়ার, আনসার-ভিডিপি, রেড ক্রিসেন্টসহ সব ভলান্টিয়ার প্রস্তুত রয়েছে। জেলায় জেলায় ডিসিরা সভা করেছেন।

সচিব বলেন, শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পাঠানো হয়েছে উপকূলীয় জেলায়। এরইমধ্যে সব জেলায় তা পৌঁছে গেছে। এখন চলছে পর্যবেক্ষণ।

উপকূলীয় জেলা বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠী, পিরোজপুর, ভোলা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোর, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুরের জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এদিকে বুধবার দুপুরে ব্রিফিংয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক এ কে রুহুল কুদ্দুস জানান, হ্যারিকেনের গতিসম্পন্ন ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ আগামী শুক্রবার ৩ মে নাগাদ ভারতের উড়িশা উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এরপর ৪ মে শনিবার নাগাদ খুলনা, সাতক্ষীরা ও যশোর অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। তবে এটি বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ঘূর্ণিঝড়টির গতিবিধি যেকোনো সময় পরিবর্তনও হতে পারে বলে জানান তিনি।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। যাতে স্বল্প সময়ের নোটিশে তারা নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারেন। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

ডেইলি বাংলাদেশ/এলকে