ফজলিতেও হতাশ ব্যবসায়ীরা

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ১১ ১৪২৬,   ২০ শাওয়াল ১৪৪০

ফজলিতেও হতাশ ব্যবসায়ীরা

 প্রকাশিত: ১৬:৩৭ ১৮ জুলাই ২০১৮   আপডেট: ১৬:৩৭ ১৮ জুলাই ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মন্দাভাব নিয়ে শুরু হওয়া আম বাজার শেষ পর্যন্ত মন্দাতেই শেষ হবে -এমন আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের। ফজলি নিয়ে স্বপ্ন ছিল তাদের। তাতে হতাশ হতে হয়েছে। আশানুরূপ দাম মিলছে না ফজলি আমেও।

আমসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মৌসুমের শুরু থেকেই আমের উপর দিয়ে ‘দুর্যোগ’ যাচ্ছে। মুকুল থেকেই শুরু। শেষ পর্যন্ত আমের দরপতন ক্ষতিগ্রস্ত করছে চাষি ও ব্যবসায়ীদের।   

সদর উপজেলার সাধুরঘাট আম বাজারের ব্যবসায়ী আকবর আলী জানান, ফজলি আম নিয়ে তারা আশাবাদী ছিলেন। আকারে বড় ও দেখতে সুন্দর। কিছু ক্রেতার কাছে এর জনপ্রিয়তা আছে। আবার কাঁচা খাওয়ার জন্যও কেউ কেউ ফজলি আম কেনেন। ফজলির সময় অন্য ভাল জাতের আমও থাকে না বাজারে। তাই তারা ভেবেছিলেন, ফজলি আমের দর হয়তো বেশি হবে। সেটাও হয়নি।

তিনি বলেন, ফজলির মৌসুম শুরু হয়েছে ৯০০ টাকা মণ দিয়ে। দু’দিন আগেও বিক্রি হয়েছে ১২০০-১৩০০ টাকা মণ দরে। রোববারে দাম ছিল ১৫০০-১৭০০ টাকা।

আরেক ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন জানান, বাজার এখন ফজলি আমের দখলে। অল্প পরিমাণে আছে আম্রপালি। আম্রপালির দাম বেশি, ২২০০-২৪০০ টাকা মণ। ফজলির দর তুলনামূলক অনেক কম। এখন বাজারে যে দরে ফজলি আম বিক্রি হচ্ছে তা অন্য বছরের তুলনায় অর্ধেকের কিছু বেশি। গত বছর এই সময়ে ২০০০-২২০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হয়েছে ফজলি।

কানসাট বাজারের আম ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম জানান, গোপালভোগ, ক্ষিরাসপাত ও ল্যাংড়া আমে লোকসান গুণতে হয়েছে। ফজলিও হতাশ করেছে তাদের। এখন শেষ ভরসা হিসেবে আশ্বিনা আমকে দেখছেন তারা।

তিনি বলেন, আশ্বিনা আমেরও যদি দরপতন হয় তবে, বলা যায় মন্দা দিয়ে বাজার শুরু, মন্দাতেই শেষ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের জার্মপ্লাজম কর্মকর্তা কৃষিবিদ জহুরুল ইসলাম জানান, বাজারের দরপতন এড়াতে নাবী জাতের আমের চাষ বাড়াতে হবে। তাহলে একই সময়ে বাজারে আমের অতিরিক্ত সরবরাহ হবে না। ফলে দরপতন ঠেকানো যাবে। চাষিরা আমের দামও পাবেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ