ঢাকা, শনিবার   ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ১১ ১৪২৫,   ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪০

প‌শ্চিমব‌ঙ্গে আন্তর্জা‌তিক ক‌বিতা উৎসব শুরু

অনলাইন ডেস্ক

 প্রকাশিত: ১৫:১৮ ৮ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৫:৩৩ ৮ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

পূর্বপশ্চিম, যুগসাগ্নিক, জনস্বার্থ বার্তা, মউল ও শ্রমণ - এই পাঁচ ছোট সাহিত্য পত্রিকার উদ্যোগে বাংলা কবিতাপাঠে বড় আসরের উদ্বোধন হলো শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর)।

কলকাতার বাংলা আকাদেমির দর্শকঠাসা সভাঘরে এ আসরের উদ্বোধন হয়। উদ্বোধন করেন কবি সুবোধ সরকার।

 মঞ্চে ছিলেন বিশিষ্ট কবি কৃষ্ণা বসু, রত্নেশ্বর হাজরা, পবিত্র মুখোপাধ্যায়, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত। পাঁচ পত্রিকার পক্ষ থেকে অমিত গোস্বামী, প্রদীপ গুপ্ত, চন্দ্রশেখর ভট্টাচার্য, কৃষ্ণা দাস ও চন্দ্রানী বসু হাতে হাত রেখে সাহিত্যবন্ধন করে বাংলা ভাষার প্রসারনের শপথ নেন - যতদূর বাংলাভাষা। বাংলাদেশের কবি মুহম্মদ নুরুল হুদার বিখ্যাত কবিতা - যতদূর বাংলাভাষা ততদূর বাংলাদেশ থেকে এই শ্লোগানটি গৃহীত। 

কবি সুবোধ সরকার উদ্বোধন করে কবিতার দর্শক শ্রোতাদের শিল্পের শ্রেষ্ঠ গুনগ্রাহী অভিহিত করে বলেন যে কবিতাই একমাত্র পারে সব হীনতা, দীনতা, গ্লানি দূর করে নতুন সূর্য ওঠাতে। কবিতা জগতে ছোট কাগজের ঐকবদ্ধ উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয় যা পশ্চিমবঙ্গের সুস্থ সংস্কৃতির বার্তা বহন করে। অন্যান্য্ রা একই বার্তা দেন সবাইকে। বাংলাদেশ থেকে আগত কবিদের মধ্যে আশরাফ জয়েল, ইকবাল রাশেদীন, নাহিদা আশরাফি, উজ্জ্বল চৌধুরী, চঞ্চল কবির, রুক্সানা আজাদ, রুমকি রুশা সহ এক ঝাঁক বাঙালি কবি কবিতায় বক্তব্যে সাহিত্যে কাঁটাতারের স্থান নেই বলে দুই বাংলার মিলিত উদ্যোগের আশা প্রকাশ করেন। সবশেষে আসর জমালেন বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় তার কথা ও কবিতায়।

শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির মঞ্চে শুরু হয়েছে কবিতার মহোৎসব। বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছেন কমপক্ষে ২৫০ কবি। তারা কবিতা পড়বেন, শুনবেন। কবিতার এমন কার্ণিভাল কলকাতা ছাড়া আর কোথায় সম্ভব?

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ