প্লে-স্টোর থেকে মুছে ফেলা হয়েছে যেসব অ্যাপ্লিকেশন

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৪ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ২১ ১৪২৭,   ১১ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

প্লে-স্টোর থেকে মুছে ফেলা হয়েছে যেসব অ্যাপ্লিকেশন

সিফাত সোহা ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৪৭ ১১ জুন ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আমরা আগে ব্যবহার করেছি কিন্তু এখন আর প্লে-স্টোরে খুঁজে পাইনা অনেক অ্যাপ্লিকেশন। সম্প্রতি বেশ কিছু অ্যাপ্লিকেশন প্লে-স্টোর থেকে মুছে দিয়েছে গুগল। যে কারণে এখন আর সেই অ্যাপ্লিকেশনগুলো ব্যবহার করতে পারি না।

বিশেষজ্ঞের কলছেন, এ অ্যাপ্লিকেশনগুলো আমাদের জন্য বেশ বিপজ্জনক ছিল। এর ফলে খুব সহজেই কাউকে হ্যাক করা বা আমাদের ব্যাক্তিগত তথ্য বেহাত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল খুব বেশি। যার কারণেই হয়তো গুগল এমন ব্যবস্থা নিয়েছে।

দেখে নেয়া যাক কোন কোন অ্যাপ্লিকেশনগুলো মুছে দেয়া হয়েছে গুগল প্লে-স্টোর থেকে-

গুগল ইউআরএল শর্টেনার: ২০০৯ সালে এনেছিল গুগল, সেটিও তুলে নেয়া হয়েছে। ২০১৪ সালে ফিটনেস অ্যাপ ফেসবুক মুভস আসে বাজারে। এই অ্যাপও তুলে নেয়া হয়েছে। ফেসবুক হ্যালো, ২০১৫ সালে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য হ্যালো অ্যাপ এসেছিল। কিন্তু ফেসবুকের সঙ্গে ফোনের কন্ট্যাক্ট ইনফো সংযোগের কারণেই খুব সম্ভবত হ্যাকিংয়ের আশংকায় এটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

ফেসবুক এম পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট, এটি এসেছিল ২০১৫ সালে। অসংখ্য ব্যবহারকারীও ছিলেন। ইভেন্ট ক্রিয়েট করা বা আর্থিক লেনদেনে ব্যবহার করা হতো এ অ্যাপ। এই অ্যাপ্লিকেশনটি বিপজ্জনক ছিল বলেই মনে করা হয়েছে। তাই এখন এটি বন্ধ আছে। 

অ্যান্ড্রয়েড নিয়ারবাই: অ্যান্ড্রয়েড নিয়ারবাই নোটিফিকেশনের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা হয়েছে। এটিও বেশ বিপজ্জনক ছিল বলেই মনে করায় অ্যাপ্লিকেশনটি এখন আর নেই। গুগল প্লাস, গত অক্টোবরে এ পরিষেবা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। প্রায় ৫০ লক্ষ ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের অভিযোগ আসার পর তা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

২০১৬ সালে বাজারে এসেছিল গুগলের গ্রুপ মেসেজিং অ্যাপ গুগল স্পেসেস। কিন্তু খুব একটা কার্যকর হয়নি। হ্যাকারদের পক্ষে এ অ্যাপ থেকে তথ্য চুরি করা সহজ ছিল। হয়তো সে জন্য এ অ্যাপটি সরিয়ে নিয়েছে গুগল।

গুগল ব্লব ইমোজি: ওয়ার্ল্ড ইমোজি ডে-তে এ পরিষেবাকে বিদায় জানায় গুগল। বলা হয়, ‘ব্লবলেস প্লেস’-এর কথা। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, স্ন্যাপচ্যাট, ইনস্টাগ্রামের সঙ্গে পাল্লা দিতে না পেরে ইয়াহু মেসেঞ্জার তুলে নিতে বাধ্য হয়েছে।

গুগল ট্যাঙ্গো: স্মার্টফোনের ক্যামেরা উন্নত করার জন্য এসেছিল এ পরিষেবা । তবে ২০১৯ সালের মার্চ থেকে এ পরিষেবা বন্ধ হয়ে গেছে। 

গুগল ইনবক্স: অ্যাপটি ২০১৪ সালে বাজারে এসেছিল। গুগল জানিয়েছিল, পরীক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এটি আনা হয়েছিল। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে এ অ্যাপ বন্ধ করে দেয় গুগল।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএস/টিআরএইচ