প্রিয় সস ‘মেয়োনিজ’! কিন্তু এর রহস্য জানেন কি?              
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=125754 LIMIT 1

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৩ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৯ ১৪২৭,   ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

প্রিয় সস ‘মেয়োনিজ’! কিন্তু এর রহস্য জানেন কি?              

মাহমুদা রহমান অরিন ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৩১ ৯ আগস্ট ২০১৯   আপডেট: ২০:০০ ১০ আগস্ট ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

চিকেন গ্রিল, ফিশ ফিঙ্গার কিংবা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এসব খাবারের সঙ্গে মেয়োনিজ ছাড়া যেন চলেই না! ছোট বড় সবারই এটি পছন্দের। ছোটরা তো আঙুল চেটে পুটে খায় এটি। বর্তমানে মেয়োনিজের সঙ্গে সবাই কমবেশি পরিচিত। 

মেয়োনিজ একটি জনপ্রিয় সস যা ঘন আকৃতির এবং সাদা রঙের হয়ে থাকে। কুসুম, ভিনেগার, তেল এবং সিজনিংয়ের ক্রিমযুক্ত মিশ্রনটি সারা দেশে কয়েক মিলিয়ন মানুষের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছে। মেয়োনিজ ম্যাজিকের মত কাজ করে। এটি খাবারের স্বাদ অতুলনীয় করে তোলে। একঘেয়েমী স্যান্ডউইচ, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ইত্যাদি খাবারকে এই সসটি স্বাদু করে তোলে মুহূর্তেই। 

আরেকটু মেয়োনিজ দেন তো, এই কথাটি নিশ্চয়ই রেষ্টুরেন্টে কখনো সখনো বলে থাকবেন! তবে আপনি জানেন কি এই মেয়োনিজ কোথায় ও কীভাবে উৎপত্তি হয়েছে? রন্ধন বিশেষজ্ঞ এবং গবেষকরাও এর উৎপত্তি সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত নন। তবে ফ্রান্স বা স্পেন এই দু’টি স্থানের যেকোনো এক স্থানে এর উৎপত্তি এতটুকু জানা গেছে। তবে চলুন জেনে নেয়া যাক মেয়োনিজ সম্পর্কিত কিছু তথ্য-

মেয়োনিজ তৈরির উপাদানসমূহস্পেনে যেভাবে মেয়োনিজের চল শুরু হলো

 ১৭৫৬ সালে, ডিউক অফ রিচেলিউ স্পেনীয় দ্বীপ মিনোর্কাতে পোর্ট মোহন দখল করে। সেই বিজয় উদযাপন হিসাবে, ডিউক তার শেফকে একটি ভোজ প্রস্তুত করতে বলা হয়। এই গল্পে কথিত রয়েছে- শেফ একটি স্থানীয় সসের অনুপ্রেরণায় জলপাইয়ের তেল, ডিমের কুসুম এবং লেবুর রস থেকে তৈরি করেন মেয়োনিজ। আবার অনেকের মতে, ডিমের কুসুম এবং ক্রিম ব্যবহার করেই মেয়োনিজ সর্বপ্রথম তৈরি করা হয়। এই সসটি খেয়ে ডিউক বিজয় স্থানের সম্মানে ‘মহোনিজ’ বলে উঠলেন। যা আধুনিক দিনের মেয়োনিজ।

বায়োনেজ থেকে মেয়োনিজ

খাদ্য ইতিহাসবিদরা জোর দিয়ে বলেন, ফ্রান্সে বায়োনি শহরে একটি বিশেষ সসের জনপ্রিয়তা ছিলো। যেটি বায়োনেজ নামেও পরিচিত হয়। পরবর্তীতে সেটি মেয়োনিজ নামে আখ্যায়িত হয়। গ্যাস্ট্রোনোমিস্ট এবং খাদ্য ইতিহাসবিদ গ্রিমোড ডি লা রেইনিয়ার দাবি করেন, ‘মহোনিজ’ গল্পটি সঠিক নয় বরং বায়োনি শহরই  মেয়োনিজের উৎপত্তিস্থল।

চিকেনের ওপর মেয়োনিজ ঢালা হচ্ছেপোর্ট মোহন বনাম বায়োনি

গবেষকেরা যারা বিশ্বাস করেন, মেয়োনিজের উৎপত্তিস্থল স্পেনে তাদের দাবি শুধু সেখানেই বিশেষ এই সসটির প্রচলন ছিলো। ফরাসী দখলদাররা স্প্যানিশ অঞ্চল থেকে এটি রপ্তানি করে নেয়। তবে ফরাসীদের খাবারে মেয়োনিজের কোনো উল্লেখ ছিল না।

ফ্রান্সের গবেষকদের মতে, মিনোর্কের মতো ছোট দ্বীপে মেয়োনিজের মতো উৎকৃষ্ট মানের সসটির প্রচলন হতেই পারে না! তারা জানায়, মায়োনিজ নামটি ফরাসি শব্দ মেনিয়ার, যার অর্থ হ্যান্ডেল করা বা ময়েউ থেকে  
এসেছে। যা কুসুমের পুরাতন শব্দ। 

ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের সঙ্গে মেয়োনিজআধুনিক দিনের মেয়োনিজ

বিশ্বব্যাপী মেয়োনিজ সসের উৎপাদন বেড়ে চলেছে। এটি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সস। সুতরাং সসটি কোথা থেকে এসেছে তা নিয়ে গবেষণা করা বাদ দিয়ে বরং বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে সসটি উপভোগ করুন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস