Exim Bank
ঢাকা, রোববার ২২ এপ্রিল, ২০১৮
Advertisement
বিজ্ঞাপন দিন      

প্রিয় নবীর শ্রেষ্ঠ মুজিজা শবে মেরাজ

 নিউজ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:২০, ১৫ এপ্রিল ২০১৮

আপডেট: ১৫:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০১৮

২০৪ বার পঠিত

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

লাইলাতুল মেরাজ বা শবে মেরাজ ঈমানদার মুমিন মুসলমানের জন্য মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের সেরা অনুপ্রেরণা।

প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সা.)- এর স্মৃতি বিজড়িত ও শ্রেষ্ঠ মুজিজা সংঘটিত হওয়ার রাত শবে মেরাজ। এ রাতেই মহান আল্লাহর দিদারে গিয়েছিলেন তিনি। এ রাতই হলো লাইলাতুল মেরাজ। যা শবে মেরাজ নামে সমধিক পরিচিত।

ফারসি `শব` এর অর্থ- রাত্র বা অন্ধকার এবং আরবি ‘মেরাজ’ এর অর্থ- ঊর্ধ্বগমন।

প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সা.)- ২৬ রজব দিবাগত রাতে পবিত্র নগরী মক্কা থেকে ঊর্ধ্বাকাশে ভ্রমণ করে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ লাভ করেছিলেন।

এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনুল কারিমে ইরশাদ করেন, ‘তিনি পবিত্র যিনি তাঁর বান্দাকে (রাসূলকে) এক রাতে মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসায় ভ্রমণ করিয়েছিলেন। তাকে আমার নিদর্শন দেখানোর জন্য যার (মসজিদে আকসার) চারপাশকে আমি বরকতময় করেছিলাম। তিনি সবকিছু শোনেন এবং দেখেন। (সুরা বনি ইসরাঈল : আয়াত ১)

লাইলাতুল মেরাজ প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সা.)- এর শ্রেষ্ঠ মুজিজা। এ রাতেই মহান আল্লাহ তাআলা ইসলামের প্রধান ইবাদত নামাজকে শ্রেষ্ঠ উপহার হিসেবে দান করেছেন।

এ কারণেই একনিষ্ঠতার সঙ্গে নামাজ আদায়কে মুমিনের মেরাজ বলা হয়। এ নামাজের মাধ্যমেই বান্দার সঙ্গে আল্লাহর একান্ত সান্নিধ্য তৈরি হয়।

প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সা.)- এর সঙ্গে আল্লাহ তাআলার একান্ত সাক্ষাতের শিক্ষা মানুষকে নামাজের প্রতি আগ্রহী করে তোলো।

মানুষ এ পবিত্র রাতের নামাজ, জিকির-আজকার, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতসহ যাবতীয় ইবাদত-বন্দেগীতে রাত অতিবাহিত করে। মাওলার নৈকট্য লাভে নিজেকে নিয়োজিত রাখে।

এ রাতের বিশেষ কোনো ইবাদত বা এ রাতকে কেন্দ্র করে বিশেষ কোনো রোজার সুস্পষ্ট বর্ণনা না থাকলেও আল্লাহর নৈকট্য লাভে মুমিন মুসলমান মেরাজকে উপলক্ষ করে দিনের বেলায় রোজা পালন এবং রাতে ইবাদত বন্দেগির মাধ্যমে অতিবাহিত করে।

তাছাড়া রাসূলুল্লাহ (সা.)- তো রজব মাসের শুরু থেকেই আল্লাহর কাছে বরকতের দোয়া করতেন এবং রমজান পর্যন্ত জীবন লাভে সবসময় ধরণা ধরতেন।

তাই রজব মাসে আল্লাহর কাছে বরকত ও কল্যাণের দোয়া করাও প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সা.)- এর আদর্শ এবং সুন্নাত।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে

সর্বাধিক পঠিত