প্রার্থনা, আত্মশুদ্ধির এক অতুলনীয় আলোচনা (পর্ব-৬)

ঢাকা, সোমবার   ১৭ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৫ ১৪২৬,   ১২ শাওয়াল ১৪৪০

সূরা ফাতেহা

প্রার্থনা, আত্মশুদ্ধির এক অতুলনীয় আলোচনা (পর্ব-৬)

মাওলানা কালিম সিদ্দিকি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:২৫ ১৩ জুন ২০১৯   আপডেট: ১৮:৩৩ ১৩ জুন ২০১৯

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

আল্লাহপাকের দুটি আশ্চর্য গুণ: আর-রাহমানুর রহীম বলে সূরা ফাতেহায় আল্লাহপাকের প্রশংসা করা হচ্ছে। তাঁর গুণাবলীর আলোচনা করা হচ্ছে। 

কথা হচ্ছে, আল্লাহর গুণগত নাম তো কতোই আছে! কিন্তু এখানে আল্লাহ আমাদের কোন দুটি নাম শেখাচ্ছেন? একটি রহমান (করুণাময়), অপরটি রহীম (দয়ালু)। ওলামায়ে কেরাম বলেন, রহীম মানে যিনি পরকালীন দয়ালু। আর রহমান মানে যিনি ইহকাল ও পরকাল উভয়জগতেই দয়ালু। কোরআনে এরশাদ হয়েছে তিনি মুমিনদের প্রতি পরম দয়ালু (রহীম) (সূরা আল-আহযাব: ৪৩)।

আরো পড়ুন>>> প্রার্থনা, আত্মশুদ্ধির এক অতুলনীয় আলোচনা (পর্ব-৫)

বিশ্বাসীদের ওপর তিনি পরকালে দয়া ও মেহেরবানি করবেন। পরকালে দয়ার মানে হলো, ঈমানদারদের ওপর তিনি আখেরাতে দয়ালু হবেন। এটা রহীম এর অর্থ। আর রহমান মানে হলো, যিনি প্রত্যেকের ওপরই দয়ালু। দুনিয়ায় তো প্রতিটি ব্যক্তির ওপরই তাঁর করুণা আছে। যে তাঁকে মেনে চলে তার ওপরও, যে মেনে চলে না তার ওপরও। এমনকি কাফেরদের ওপরও তিনি তাঁর করুণা বর্ষণ করেন। যেন তাদের ভালো কাজগুলোর বিনিময় তারা পেয়ে যায়।

একটি প্রশ্ন ও তার উত্তর: দুনিয়াব্যাপী আল্লাহর এই দয়া ও করুণার ব্যাপকতার দরুণ কখনো কখনো খটকা সৃষ্টি হয়। কোনো কোনো মুমিনের অন্তরে হয়তো প্রশ্নেরও উদ্রেক হয় যে, কাফেরগণ কুফুরি করা সত্তেও এমন আরাম-আয়েশ ও বিলাসিতাপূর্ণ জীবন যাপন করে কীভাবে? এর উত্তর হলো, আল্লাহপাকের হিসেব একদম যথাযথ। যে বিন্দু পরিমাণও কোনো পূণ্য ও ভালো কাজও করেছে, এর বিনিময় সে প্রাপ্য। তার তা পাওয়া চাই। মুমিনদের জন্যে তো আখেরাতে যথাযথ বিনিময়ের ব্যবস্থা আছে। আর কাফেরদের জন্য দুনিয়ায়। দুনিয়াতেই তাদের সকল বিনিময় পেয়ে যাওয়া চাই। কখনো আবার মুমিনগণ নানা রকম পরীক্ষায় অবতীর্ণ হলেও কাফেরগণ দিব্যি আরাম-আয়েশে দিন পার করতে থাকে। দুনিয়ার চিত্র এমনই।

আরো পড়ুন>>> বিশ্বনবী (সা.) এর ব্যবহৃত জিনিস-পত্র সংরক্ষিত যে জাদুঘরে

একটি প্রসিদ্ধ ঘটনা: বেশ প্রসিদ্ধ ঘটনা। হজরত আশরাফ আলী থানবী (রহ.) বলতেন যে, এক ঈমানদার ব্যক্তি মৃত্যুশয্যায় শায়িত। হঠাৎ তার খাহেশ জাগল যায়তুন খাওয়ার। মাথার কাছেই যায়তুন রাখা ছিল। আল্লাহ তায়ালা এক ফেরেশতাকে দিয়ে তৎক্ষণাৎ তা কাঁৎ করে দিলেন; যায়তুন পড়ে গেল। তার আর যায়তুন খাওয়া হলো না। অপরদিকে মৃত্যুশয্যায় এক কাফের ব্যক্তির মাছ খেতে ইচ্ছে হলো। সে তার ছেলে ও প্রিয়জনদের অনুরোধ করতে লাগলো। আল্লাহপাক এক ফেরেশতাকে বললেন, যাও এই যে কাফের মাছ খেতে চাইছে, তার জালে বা বড়শীর কাঁটায় ভালো দেখে একটা মাছ আটকে দাও। আমার বান্দা যেন মাছ খেয়ে আসতে পারে। একদিকে কাফের মাছ খেয়ে আসছে, আর অপরদিকে মুমিন যায়তুন থেকে বিরত হয়ে আসছে। ফেরেশতারা বড় অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহ, সে তো আপনার ওপর ঈমান এনেছে। আর এ ব্যক্তি তো আপনার ওপর ঈমানই আনেনি। তবু তার ওপর এই দয়া কেন? আল্লাহপাক বললেন, ওই যে ব্যক্তিটা কাফের, নাফরমান, সে তো আখেরাতে কিছুই পাবে না। তার একটি ভালো কাজের বদলা বাকি ছিল। এর বদলা আমি দুনিয়ায় মাছ খাইয়ে পূর্ণ করে দিলাম। আর এই যে মুমিন বান্দা, তার আমলনামায় একটি গুনাহ ছিলো যা মাফ করাবার দরকার ছিলো। তো যায়তুন খেতে না পারার আফসোস দিয়ে তার গুনাহটা মাফ করিয়ে একদম পূত পবিত্র বানিয়ে তাকে আমার কাছে আনতে চেয়েছি। কাজেই জাগতিক কোনো উন্নতি ও কল্যাণ সফলতার মাপকাঠি নয়। তবে নেয়ামত পাওয়া যাবে এখানেও। কারণ এটা তো প্রকাশ্য যে, দুনিয়ায় আল্লাহপাক কাফের-মুসলিম সবার ওপরই মেহেরবান ও দয়ালু।

হজরত, আমার মহিষের প্রতিই আমার প্রেম: এক বুজুর্গ ব্যক্তির ব্যাপারে ঘটনা বর্ণিত আছে যে, তার কাছে এক মুরিদ এলো। তো এই মুরিদকে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আগে থেকে তোমার কীসের প্রতি প্রেম অনুরাগ? সে বলল, আমার হযরত, আমার মহিষের প্রতিই ভালোবাসা। বুজুর্গ বললেন, ঠিক আছে তুমি মহিষের ব্যাপারেই মোরাকাবা করো। যাতে তোমার অন্তরে যে পেরেশানি আছে এবং মস্তিষ্কে যে অস্থিরতা বিরাজমান তার সবই যেন একত্রিত হয়ে যায়। একটা একাগ্রতা যেন চলে আসে। তারপর এই একাগ্রতাটা আল্লাহর দিকে ঘুরিয়ে দেবো। সে বসে বসে মোরাকাবা করতে লাগলো।

আরো পড়ুন>>> হাদিস ও বিজ্ঞানের গবেষণায় সুরমা ব্যবহারে উপকারিতা 

১৫ দিন পর হজরত তার দরজায় গেলেন এবং ডাকলেন, এদিকে আসো। তো সে এমনভাবে হেলেদুলে আসতে লাগলো যেন মানুষ নয়; কোনো মহিষ হাঁটছে। বুজুর্গ চলে এলেন, বললেন, আচ্ছা আর কিছুদিন করো মোরাকাবা। কিছুদিন পর যখন তাকে ডাকলেন তিনি এবং বললেন, ভাই এদিকে আসো। সে এলো কিন্তু দরজায় এসে দাঁড়িয়ে গেলো। সামনে আর এগোলো না। হজরত জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার ভাই? কী হয়েছে? সে বলল, হজরত আমার তো শিং উড়ছে। প্রেম ও ভালোবাসার বৈশিষ্ট্য এটাই যে, যে জিনিসের প্রতি তা তৈরি হবে, ভেতরে ওই জিনিসের অস্তিত্ব সৃষ্টি হয়ে যাবে।

আল্লাহর সবচেয়ে শক্তিশালী গুণ: আল্লাহর নবী হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, তোমরা আল্লাহর চরিত্রে চরিত্রবান হও। আল্লাহর গুণে গুণান্বিত হও। তাঁর গুণের নমুনা বনে যাও। আল্লাহর গুণের নমুনা হতে পারা স্বয়ং আল্লাহরও পছন্দ। আল্লাহর যত গুণাবলী আছে, তন্মধ্য হতে সবচেয়ে মর্যাদাবান, গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী গুণ হচ্ছে, রহমান ও রহীম এর গুণ। রহীম এর চেয়েও বড় গুণ হচ্ছে রহমান। কারণ এর মানেই হচ্ছে, দুনিয়া ও আখেরাত উভয়জগতের প্রত্যেকের ওপর মেহেরবান ও দয়ালু।
এ দুটি গুণের ব্যাপারে আল্লাহ আমাদের থেকে কী চান? আর কেনোইবা বারবার নামাযের প্রতি রাকাতে রহমান ও রহীম গুণের উল্লেখ করতে হয়Ñআর-রাহমানুর রহীমÑহে আল্লাহ, আপনি বড় দয়ালু মেহেরবান সত্তা? একটা কারণ তো এই যে, ওই রহমত কামনা করা যে, হে আল্লাহ, আপনি তো রহমান এবং রহীম। আমরা আপনার রহমান ও রহীম গুণের অসিলা দিয়ে চাইছি যে, আপনি আপনার দয়া ও করুণার গুণ থেকে আমাদের ওপর রহম করুন। আপনার দয়া ও করুণা আমাদের ভেতরেও দান করেন। আমরা আপনাকে মানি কিংবা না মানি, আপনি আমাদের ওপর রহম করুন। রহমান দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, হে আল্লাহ, আপনি আমাদের নাফরমানি সত্তেও আমাদের ওপর রহম করুন। আর রহীম দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, এখানে তো আপনি আমাদের ওপর রহম করেছেনই; মৃত্যুর পর ওখানেও আপনি আমাদের ওপর রহম করুন। বরং মূলতঃ আমাদের যেখানে আপনার রহম ও দয়া প্রয়োজন সেখানে অবশ্যই আপনি আমাদের ওপর রহম করবেন। এটাই রহমান ও রহীম গুণের বৈশিষ্ট্য।

আল্লাহ চান আমরা যেন তাঁর রহীম ও রহমান গুণের নমুনা হয়ে যাই এবং এই গুণ দুটি আমাদের অন্তরে পুরোপুরি বসে যায়। কতো মেহেরবান ও দয়ালু সত্তা তিনি যে, শুধু অনুগত বান্দাদেরই নয়; বরং অবাধ্য ও পাপী বান্দাদের প্রতিও তিনি দয়াশীল! এমনকি এটাও তিনি ঘোষণা করে দিয়েছেন যে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীদের ভালোবাসেন।’ (সূরা বাকারা: ২২২)। তিনি এমন এক আশ্চর্য দয়াবান ও মেহেরবান প্রভু যে, কেউ গুনাহ করার পর যদি তওবা এবং রোনাজারি করে তাহলে সেটাও তিনি পছন্দ করেন। খুশি হয়ে যান তিনি এতে। হাদিসে এসেছে, দুনিয়ায় যদি কোনো পাপী ও গুনাহগার বান্দা না থাকতো, তাহলে আল্লাহ তায়ালা ভিন্ন কোনো মাখলুক সৃষ্টি করতেন, যারা গুনাহ করত; এরপর তার জন্য অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে তওবা করত। আর আল্লাহও তাকে মাফ করে দিতেন। এমনই মায়ার আধার তিনি।

এক আল্লাহওয়ালা বুজুর্গের ঘটনা: আল্লাহর এক পাগল প্রেমিক শিবলী। যিনি হজরত জুনায়েদ বোগদাদি (রহ.) এর খলীফা ছিলেন। আল্লাহর সঙ্গে তাঁর এক অন্য রকম সম্পর্ক ছিলো। জযবার হালত তার ওপর কয়েকবার তীব্র হয়ে পড়েছিল। কখনো তো তিনি জযবার হালতে এমন সব বাক্য বলে দিতেন, বাহ্যিক অর্থে যা শরীয়ত বিরোধী। মাজযুব তথা আল্লাহর প্রেমে ‘পাগল’ ব্যক্তি যদিও শরীয়তের বিধি-বিধানের আওতাভুক্ত নয়, তবু বাহ্যিক আচরণের প্রেক্ষিতে কিছু আলেম তাকে কাফের ফতোয়া দিলেন। এমনকি সে যুগের বাদশাহও বলে দিলেন যে, এই ব্যক্তি যদি মুরতাদ হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে আমি তার ওপর মুরতাদের শাস্তি প্রয়োগ করবো। কিন্তু তার আগে তাকে ডাকো এবং দেখো, আসলেই তার আকল-বুদ্ধি লোপ পেয়েছে নাকি ঠিকঠাক আছে। তাঁকে ডাকা হলো এবং জিজ্ঞেস করা হলো, আচ্ছা বলুন তো পাঁচশো দেরহামে যাকাত আসে কত দেরহাম? তিনি তো রীতিমতো আলেম ছিলেন। কিন্তু আল্লাহর প্রেম-ভালোবাসায় তিনি এতো বেশি মত্ত ছিলেন যে, স্বাভাবিক জ্ঞান-বুদ্ধি খুইয়ে ফেলেছিলেন।

তুমি ছাড়া আমি ভুলে যাবো সব, মনে রাখবো না কাউকে আর
ঘরবাড়ি সব তোমাতেই বিসর্জিত, করবো আবাদ মনের ঘর।

ভালোবাসা আর প্রেমের ঘোরে এমনই অবস্থা হয়ে যায় মানুষের। ফলে শিবলী মাসআলার উত্তর দিলেন যে, সাড়ে পাঁচশো দেরহাম জাকাত আসবে। পাঁচশো দেরহামে জাকাত আসবে সাড়ে পাঁচশো দেরহাম! আশ্চর্য ব্যাপার! জিজ্ঞেস করা হলো, এটা কীভাবে? তিনি উত্তর দিলেন, ঈমানদার তো আল্লাহর ওপর ভরসা করে। আল্লাহর প্রতিশ্রুতিতে যখন সে আস্থাশীল, তাহলে ৫০০ দেরহাম সে কেন জমাবে? এটা তো আস্থাহীনতার প্রমাণ। এজন্য সে ওই ৫০০ দেরহাম তো খরচ করবেই, আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও ভরসা না করার দরুণ জরিমানা হিসেবে আরও ৫০ দেরহাম তাকে খরচ করতে হবে। ৫৫০ দেরহাম জাকাতের এই ব্যাখ্যা শুনে বাদশাহ বললেন, এ তো অসুস্থ, মাজুর। ছেড়ে দাও তাকে।

দেখা যায় কারী কিন্তু আসলে কোরআন: এমনই মায়ার আধার তিনি যে, কতো কতো ধরণের লোককে তিনি রহম করেন এবং কী পরিমাণ দয়ার ব্যবহার তাদের সঙ্গে করেন তিনি! এর দ্বারা তাঁর উদ্দেশ্য এটাই যে, আমরাও তাঁর এই রহমান ও রহীম গুণের নমুনা হয়ে যাই। আমাদের মধ্যেও এ গুণগুলো চলে আসুক। দরখাস্তের এই দ্বিতীয় যে অংশ আর-রাহমানুর রহীম আল্লাহ যা আমাদের শিখিয়েছেন, লিপিবদ্ধ করিয়েছেন এবং নামাজের প্রতি রাকাতে আমাদের দিয়ে তা বলিয়ে নিচ্ছেন। অর্থাৎ কেমন যেন তোমরা আমার কাছে আসো এবং বলো, ‘আর-রাহমানুর রহীম। হে আল্লাহ, আপনি কত দয়া ও স্নেহশীল! আপনার দয়া ও রহমতের মধ্যে আমাদের জীবন উৎসর্গিত। আমরা আপনার এই সীমাহীন দয়ামায়ার অসিলা দিচ্ছি।’ তো এর দ্বারা কী উদ্দেশ্য? উদ্দেশ্য হচ্ছে, তাঁর এই দয়া ও রহমতের কল্যাণে আমরাও যেন দয়া-মায়াশীল হয়ে যাই। কোরআন তো এজন্যই যে, মানুষ তার ওপর আমল করবে। এ রহস্য কেউ জানে না যে, একজন মুমিন দেখতে যদিও কারী, কিন্তু আসলে সে কোরআন। এর সবচেয়ে উত্তম মাপকাঠি হজরত নবী (আ.)। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সত্তা কেমন ছিলো? তিনিও তো রহমত এর একজন সাক্ষাত দৃষ্টান্ত ছিলেন। সমস্ত গুণের মধ্যে আল্লাহপাকের সবচেয়ে বেশি যে গুণটা তা হলো ‘আমার রহমত সমস্ত কিছুকেই বেষ্টন করে আছে।’ (সূরা আল-আ’রাফ: ১৫৯)। সমস্ত বস্তুকে ঘিরে আছে রহমতের গুণটা। এমনকি সমস্ত গুণকেও ঘিরে আছে তা। এমনই এক মহৎ গুণ তা। আল্লাহ হজরত রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ গুণেরই নমুনা বানিয়েছেন। ফলে তিনিও আপনজনদের ওপর নয় শুধু; বরং প্রত্যেকের ওপরই দয়াবান ও মেহেরবান। আর-রাহমানুর রহীম পড়ার এবং এ দরখাস্ত পেশ করার যথাযথ হক যদি আমাদের আদায় করতে হয়, তাহলে জরুরি হচ্ছে, প্রতিটি ব্যক্তির ওপর আমাদের অপার মায়া-মমতা ও স্নেহ-দয়াশীলতা প্রদর্শন করা। চলবে...

সংগ্রহ: নুসরাত জাহান

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে