প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ঘরে যে জিনিসগুলো থাকা অত্যন্ত জরুরি!

ঢাকা, শুক্রবার   ০৩ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ১৯ ১৪২৭,   ১১ জ্বিলকদ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

করোনাকালে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ঘরে যে জিনিসগুলো থাকা অত্যন্ত জরুরি! 

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:১৬ ২৯ জুন ২০২০  

প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ঘরে যা থাকা জরুরি

প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ঘরে যা থাকা জরুরি

বিপদ কখন কীভাবে এসে হাজির হবে তা কেউ জানে না। অনেক সময় আমাদের অসাবধানতার কারণেই নানা রকম দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আর এই মহামারির সময়টা এতোটাই খারাপ যে বাড়ি থেকে বের হওয়া মানেই ভোগান্তি। তাছাড়া চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগুলোতে ছুটে যাওয়ারও উপায় কম। আর সেখানে রয়েছে চিকিৎসকেরও স্বল্পতা। তাইতো এই সময় যতটা সম্ভব বাড়িতেই থাকার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

তবে এই সময় করোনাভাইরাস ছাড়াও আরো অনেকরকম অসুখ-বিসুখ কিংবা ছোটো-খাটো দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে। এক্ষেত্রে জটিল কিছু না হলে নিজেকেই কিছু না কিছু সমাধান করতে হবে। তাইতো এমন পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেবেন, সে ধারণা থাকা জরুরি। হাতের কাছে মজুত রাখতে হবে এমন কিছু ওষুধ ও জিনিসপত্র যা প্রয়োজনের সময় কাজে আসবে। তাই চলুন জেনে নেয়া যাক করোনাকালে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ঘরে যে জিনিসগুলো থাকা অত্যন্ত জরুরি-

বরফ

পোড়া, ছ্যাঁকা এসব সামলানো তো বটেই, কোথাও আঘাত লাগার সময়ও খুব কাজে আসবে বরফ। তাই ফ্রিজে যেন পর্যাপ্ত বরফ থাকে। পুড়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি লাগানোর পরেই বরফ ঘষতে থাকুন আঘাতপ্রাপ্ত জায়গায়। কোথাও আঘাত লাগলেও একই নিয়মে বরফ দিতে থাকুন। এতেই ব্যথা-পোড়া অনেকটা সারে। অনেক সময় বরফ ঘষার ফলে ফোসকাও পড়ে না।

টুর্নিকেট ও গজ-তুলো

কাটা-ছেড়ার সমস্যায় টুর্নিকেট বেঁধে নিন ক্ষতস্থানে। টুর্নিকেট না পেলে পরিষ্কার পাতলা সুতির কাপড় কাটা জায়গায় বাঁধলে রক্তক্ষরণ বন্ধ হবে।

অ্যান্টিসেপটিক ও পোড়ার ওষুধ

জীবাণুনাশক সলিউশন ও অ্যান্টিসেপটিক কিছু ক্রিম কিনে রাখুন। পোড়া-কাটার মলম হাতের কাছে থাকলে প্রাথমিক শুশ্রূষার পর তা লাগিয়ে নিন ক্ষতস্থানে। এতে প্রাথমিক বিপদ অনেকটা কাটবে।

হট ও কোল্ডব্যাগ

যে কোনো ব্যথা-বেদনায় অনেক সময়ই ঠাণ্ডা-গরম সেঁক নিতে হয়। তখন এই ব্যাগগুলো কাজে লাগে। পড়ে গিয়ে আঘাত লাগলে বরফ ঘষার পর খানিক ব্যথা কমতে আরম্ভ করলে গরম আর ঠাণ্ডা দিলে ব্যথা আরো অনেকটা কমে। ব্যথার ওষুধ খাওয়ার চেয়ে এই পদ্ধতি শরীরের জন্যও ভালো।

ওষুধ

চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে গ্যাস্ট্রিক, বমি বা পেটের সমস্যার কিছু ওষুধ হাতের কাছে মজুত রাখুন। তবে অবশ্যই প্রাথমিক ওষুধে না কমলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নেবেন। বয়স্ক ও শিশুদের ওষুধ দেয়ার আগেও ফোনে কথা বলে নেবেন চিকিৎসকের সঙ্গে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ