Exim Bank Ltd.
ঢাকা, বুধবার ১৪ নভেম্বর, ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫

প্রাচীন গ্রিকদের ভালোবাসার আট রূপ

তুনাজ্জিনা জাহান রেমিডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
প্রাচীন গ্রিকদের ভালোবাসার আট রূপ
ভালোবাসার রূপ

জীবনে অনেক পথ আছে কিন্তু তাদের মধ্যে সব থেকে দীর্ঘতম হচ্ছে হৃদয়ের পথ। যদি এই পথটি প্রতিহত করে রাখেন, তাহলে এই পথ আবার খুঁজে পাওয়ার জন্য পুরো এক জন্ম কেটে যেতে পারে। আর যদি আপনি হৃদয়ের কাছে আত্মসমর্পণ করেন এবং একে আলিঙ্গন করে নেন। তবে সে পথ হয়ে উঠতে পারে আপনার সবচেয়ে প্রিয় পথ। মানুষের প্রতিটি ইন্দ্রিয় যখন সব আবেগ দ্বারা তাড়িত হয়, তখন আমরা তাকে এক শব্দে ভালবাসা বলে আখ্যায়িত করি। যদিও আমরা একে এক শব্দে ভালবাসা বলে ব্যাখ্যা করছি কিন্তু প্রাচীন গ্রিকরা জ্ঞান ও তাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিভিন্ন সময়ে আটটি ভিন্ন ভিন্ন ধরণের প্রেমের সন্ধাণ পেয়েছেন। যা আমরা প্রত্যেকেই জীবনের কোন না কোন সময় অনুভব করে থাকি বা আমাদের সঙ্গে ঘটে থাকে-

"ইরোস" বা ইরোটিক ভালোবাসা: গ্রিকরা প্রথম ধরণের ভালোবাসার নাম দিয়েছেন ইরোস। যার নামকরণ করা হয়েছে গ্রীক প্রেম ও উর্বরতার দেবী ইরোসের অনুসরণে। ‘ইরোস’ যৌন আবেগ, ইচ্ছা ও ধারণাকে প্রতিনিধিত্ব করে। প্রাচীন গ্রীকরা এই ভালোবাসাকে বিপজ্জনক ও ভয়ঙ্কর বলে মনে করত। কেননা এ ধাপের মানুষেরা নিজেদের মাঝে নিয়ন্ত্রণ হারানোর প্রবণতাকে অন্তর্ভুক্ত করে। ইরোস মানুষের ভেতরের রোমান্টিক এবং যৌন অনুভূতিকে প্রগাঢ়ভাবে উত্থাপন করে। যা দুটি মানুষকে প্রজন্মকে সামনে এগিয়ে নেয়ার জন্য জন্মোৎপাদনের দিকে ধাবিত করে। ইরোস একটি বিস্ময়কর অনুভূতির এবং ভালোবাসার সবচেয়ে সুন্দর ও আদর্শ রূপ। যদি মানুষ তা পূর্ণ পরিণয়ের দিকে নিয়ে যেতে পারে। গ্রিকরা একে এক আধ্যাত্মিক অনুভূতির সঙ্গেও তুলনা করেছেন। সক্রেটিস তার ‘তন্ত্র’ ও ‘স্পিরিচুয়াল সেক্স’ এ এই ভালবাসাকে ‘রিকল নলেজ অব বিউটি’ অর্থাৎ ‘সৌন্দর্যের জ্ঞান’ বলে উল্লেখ করেছেন।

ইরোস একটি শক্তিশালী আগুনের মত। যার শিখা দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়ে মানুষের সমস্ত অস্তিত্বের ভিতর। তবে এই আগুনকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয় ভালোবাসার সঠিক ছাঁচে ফেলে। যা অনুভূতিগুলোকে শুধুমাত্র প্রেমের স্বার্থপর দিক, যেমন- মোহ বা শারীরিক আকর্ষণের মাঝে সীমাবদ্ধ রাখে না। অন্যথা এই ভালবাসা যখন বিপথে চালিত হয়, তখন ইরোস এর অপব্যবহার হয়ে থাকতে পারে। যার পরিণতি হিসেবে থেকে যায় ভগ্ন হৃদয়। এই প্রেমে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে ‘শারীরিক চাহিদা’।

"ফিলিয়া" বা প্রণয়ী প্রেম: দ্বিতীয় প্রকার প্রেম হল ফিলিয়া বা বন্ধুত্ব। প্রাচীন গ্রিকরা ফিলিয়াকে ইরোসের উপরে স্থান দিয়েছিল। কেননা ফিলিয়া সবদিক থেকে ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে। যা গ্রিকদের কাছে ভালোবাসার আক্ষরিক রূপ। প্লেটো মনে করতেন যে শারীরিক আকর্ষণ এ প্রেমের কোন প্রয়োজনীয় অংশ নয়, বরং শারীরিক আকর্ষণ বাদেই যদি কারো প্রতি আকর্ষণ আসে তবে তাই প্রেম। আর সেজন্যই প্লাটোনিক শব্দটির অর্থ "শারীরিক আকর্ষণ ব্যতিরেকে"। ফিলিয়া হল এমন এক ধরণের প্রেম যা সেসব বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে অনুভূত হয়, যারা একজন আরেকজনের বিপদে আপদে সবসময় পাশে থাকে। অ্যারিস্টটল এ ভালোবাসাকে উল্লেখ করেছেন ‘ডিসপ্যাশোনেট ভারচুয়াস লাভ’ হিসাবে যা যৌন আকর্ষণের তীব্রতা থেকে মুক্ত। বিশ্বস্ততা এ অনুভূতির প্রথম শর্ত। এটা প্রায়ই বন্ধুদের মধ্যে আনুগত্য, সহকর্মীদের মধ্যে সহমর্মিতা, এবং প্রিয় মানুষদের জন্য আত্মত্যাগের মনোভাব সৃষ্টি করে। গার্ল উইথ পার্ল ইয়ার রিং, দ্যা গার্ল নেক্সট ডোর এর মত সিনেমাগুলো এ ধরণের ভালোবাসার উদাহারণ। এই প্রেমে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে ‘মন’।

"স্টোরেজ" বা লৌকিকতা বর্জিত প্রেম: স্টোরেজ এর সঙ্গে ফিলিয়াসের অনেকটাই মিল রয়েছে। এটিও কোনো প্রকার শারীরিক আকর্ষণহীন ভালোবাসা। এই অনুভূতিটি মূলত আত্মীয় এবং পরিচিতজনদের জন্য কাজ করে। স্টোরেজ একটি স্বাভাবিক প্রবণতা যা প্রকৃতিগত ভাবে বাবা-মা’র মাঝে তাদের সন্তানদের জন্য এবং সন্তানদের মাঝে তাদের পিতা-মাতার জন্য প্রবাহিত হয়ে থাকে। স্টোরেজ প্রেম এমনকি শৈশব বন্ধুদের মধ্যেও পাওয়া যেতে পারে যা পরে প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে যাওয়ার পরেও টিকে থাকে। যদিও স্টোরেজ ভালোবাসার একটি শক্তিশালী রূপ, তবে এটি কখনো কখনো আমাদের মানসিক দিক থেকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে যখন আমাদের পরিবার বা বন্ধুদের কাছ থেকে আমরা যে সম্পর্ক ও সহায়তার প্রত্যাশা করে থাকি তা যদি না পেয়ে থাকি। এই প্রেমে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে ‘স্মৃতি’।

"লুডুস" বা খেলায় খেলায় প্রেম: ল্যাটিন ভাষায় লুডুস মানে হচ্ছে খেলা। যেখানে ভালবাসার চেয়ে বড় উদ্দেশ্য থাকে একে অপরের সঙ্গে সময় কাটানো। প্রেম নিজেই এখানে খেলার একটি অংশ। বলা হয়ে থাকে যে, লুডুসেও কিছুটা ইরস এর প্রভাব রয়েছে। তবে এটি ইরসের থেকেও ভয়ঙ্কর। গ্রীকরা লুডুসকে প্রেমের একটি হালকা রূপ হিসাবে উল্লেখ করেছেন। যাকে আমরা বর্তমান সময়ে ‘ক্রাশ’ বলে থাকি। উদাহরণস্বরূপ, কিশোর কিশোরীদের তরুণ প্রেম। লুডুস হল সেই অনুভূতি যা মানুষ প্রেমে পড়ার প্রথম পর্যায়ের দিকে অনুভব করে থাকে। চিত্তাকর্ষক হৃদয়, ফ্লার্টিং, টিজিং এবং উচ্ছ্বাসের অনুভূতি। এই অনুভূতি প্রেমের বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় সম্পর্কের অনেকদিন হয়ে গেলে এই অনুভূতিটি হারিয়ে যায়, তখন যুগলদের মাঝে এক ধরণের অভ্যস্ততা চলে আসে। এই অনুভূতি একটি সম্পর্ককে জীবন্ত ও আকর্ষণীয় রাখার মূল উপাদান। এই প্রেমে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে ‘আবেগ’।

"ম্যানিয়া" বা আচ্ছন্নকারী প্রেম: এটি প্রেমের এমন এক রূপ যেখানে ব্যক্তি প্রেম দ্বারা সম্পূর্ণরূপে আচ্ছন্ন হয়ে থাকে। এই আচ্ছন্নতাকে কেন্দ্র করে মানুষের অনুভূতি কখনো কখনো পাগলামির পর্যায়ে চলে যায়। আর এমন ধরণের ব্যক্তিদের বলা হয়ে থাকে ম্যানিয়াক। ইরোস এবং লুডোস যখন একে অপরের সাথে ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে না, এটি মূলত তখনই ঘটে থাকে। যারা নিম্ন আত্ম-মূল্যবোধে ভুগে থাকে তারা তাদের প্রেমটাকে আঁকড়ে ধরতে চায়। তারা এটিকে নিজের অস্তিত্ব রক্ষার একটি উপায় হিসেবে ভালোবাসাকে গ্রহণ করে। এই কারণে তারা প্রভাব খাটানো স্বতন্ত্র এবং ঈর্ষান্বিত প্রেমিক হয়ে উঠে। সঙ্গীর ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় ম্যানিয়াকরা যেকোন মূল্যে তার কাঙ্ক্ষিত ভালোবাসা পাওয়ার জন্য তৎপর হয়ে উঠে। তার সঙ্গীও যদি একই রকম ম্যানিয়া ভালোবাসা অনুভব না করে, তবে দুজনে’র মাঝে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। ম্যানিয়া অনেক সময় ব্যাক্তিকে পরনির্ভরশীলতার দিকে পরিচালিত করে। এই প্রেমে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে ‘অস্তিত্ব রক্ষার প্রবৃত্তি’।

"প্রাগমা" বা স্থায়ী প্রেম: প্রাগমা হচ্ছে সেই ভালোবাসা যা বয়স ও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিপক্ক হয়। এটি শারীরিক চাহিদার অনেক উপরে অবস্থান করে, দু’জন ব্যাক্তির মধ্যে এটি এমন এক অনন্য সাদৃশ্য যা সময়ের উপর ভিত্তি করে গঠিত হয়। প্রাগমা মূলত তাদের মাঝেই খুঁজে পাওয়া যায় যারা অনেক বছর ধরে বিবাহিত থাকে। অথবা সেসব বন্ধুত্ব যারা দশকের পর দশক অনেক ঝড়-ঝাপ্টা পেরিয়ে একে অপরের সঙ্গে ছিল। দূর্ভাগ্যক্রমে প্রাগমা ভালোবাসার এমন এক রূপ যা সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না। মানুষ দিনের পর দিন অপেক্ষা করে এমন ভালোবাসা পাওয়ার জন্য কিন্তু যখন পেয়ে যায় তখন একে কিভাবে বজায় রাখা যায় তার যথার্থ চেষ্টা তাদের মাঝে বেশিরভাগ সময়ই পাওয়া যায়না। অন্য ধরণের প্রেমের মত, প্রাগমা উভয় পক্ষের প্রচেষ্টার ফলাফল। নিজেদের সম্পর্কের মাঝে তারাই এটা পেয়ে থাকে। যারা ছোটখাট ব্যাপারে আপোষ করতে শিখে, সম্পর্ক ঠিকঠাক কাজ করার জন্য ধৈর্য এবং সহনশীলতা প্রদর্শন করে। এই প্রেমে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে ‘ইথেরিক বা অচৈতন্য’।

"ফিলাউটিয়া" বা আত্ম-প্রেম: গ্রিকরা বুঝতে পেরেছিল যে অন্যদের যত্ন নেয়ার জন্য, প্রথমে আমাদের নিজেদের যত্ন নিতে শিখতে হবে। নিজেকে ভালোবাসার এই রূপ কোন নেতিবাচক অর্থে দেখা হয় না। যেখানে মানুষ নিজেকে নিয়ে মগ্ন বা নিজের খ্যাতি বা সুবিধার জন্য স্বার্থপর হয়ে ওঠে। বরং এই ভালোবাসায় সকল ভালো খারাপ মিলিয়ে নিজেকে গ্রহণ করার মানসিকতা সৃষ্টি হয়। এটি বুদ্ধের ‘আত্ম সহানুভূতি’ দর্শনের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠে। যা মানুষকে অনুভব করায় যে আপনি নিজেকে যখন ভালোবাসতে পারবেন, একমাত্র তখনই আপনি একই ধরণের ভালোবাসা দিতে সমর্থ হবেন। এবং অন্যকে বুঝতে পারবেন। যেমন এ্যারিস্টটল বলেছেন, ‘All friendly feelings for others are an extension of a man’s feelings for himself.’ সত্যিকার অর্থে সুখি হওয়ার একমাত্র শর্ত হচ্ছে শর্তহীনভাবে নিজেকে ভালোবেসে যাওয়া। কেউ যখন তার নিজেকে ভালোবাসতে ও বুঝতে শিখে যায় তখন সে সত্যিকার অর্থে আত্মিক মুক্তি লাভ করেন। এই প্রেমে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে ‘আত্মবোধ’।

‘আগাপে’ বা নিঃস্বার্থ প্রেম: গ্রিকদের মতে সর্বোচ্চ ও সর্বাধিক ক্ষেত্রে আদিম যে ভালোবাসার রূপ পাওয়া যায়, সেটি হচ্ছে আগাপে বা স্বার্থহীন নিঃশর্ত প্রেম। এই ধরণের ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ অন্যান্য ভালোবাসাগুলোর মত হয়ে থাকে না। এতে নেই কোন নিজের স্বার্থ কিংবা জৈবিক চাহিদা যা আমাদের কাছে ভালোবাসার অপরিহার্য উপাদান বলে মনে হয়। একে আধ্যাত্মিক প্রেমও বলা হয়। যা মানুষকে নিঃস্বার্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বজনীন প্রেমের মাহাত্ম বোঝায়, যেমন – জীবে প্রেম। বৌদ্ধরা একে ‘মেত্তা’ বা ‘ইউনিভার্সাল লাভিং কাইন্ডনেস’ বলে মানেন। এছাড়াও তারা এটিকে ভালোবাসার সবথেকে পবিত্র রূপ বলে মনে করেন। যা ইচ্ছা ও প্রত্যাশা থেকে মুক্ত এবং অন্যকে ক্ষমা করতে শেখায়। এই প্রেমে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে ‘আত্মার পরিশুদ্ধি’।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস/এসজেড

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
মনোনয়ন ফরম কিনেছেন যে তারকারা
মনোনয়ন ফরম কিনেছেন যে তারকারা
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে নির্মিত ছবি ‘হাসিনা- এ ডটারস টেল’ মুক্তি পাচ্ছে
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে নির্মিত ছবি ‘হাসিনা- এ ডটারস টেল’ মুক্তি পাচ্ছে
বিয়ের পিঁড়িতে আবু হায়দার রনি
বিয়ের পিঁড়িতে আবু হায়দার রনি
কুমিল্লায় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী প্রায় চুড়ান্ত !
কুমিল্লায় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী প্রায় চুড়ান্ত !
প্রধানমন্ত্রীর আসনে প্রার্থী দেবে না ড. কামাল
প্রধানমন্ত্রীর আসনে প্রার্থী দেবে না ড. কামাল
উত্তাপ বাড়ছে নোয়াখালী-৫ আসনে
উত্তাপ বাড়ছে নোয়াখালী-৫ আসনে
স্বামীকে খুশির খবর দিলেন আনুশকা, জানেন কী?
স্বামীকে খুশির খবর দিলেন আনুশকা, জানেন কী?
প্রভার বিয়ের আয়োজন!
প্রভার বিয়ের আয়োজন!
মদেই ‘বেসামাল’ প্রিয়াঙ্কা!
মদেই ‘বেসামাল’ প্রিয়াঙ্কা!
জন্ম ভারতে, পর্ন স্টার আমেরিকার!
জন্ম ভারতে, পর্ন স্টার আমেরিকার!
বাবা-মা’কে ‘টপকে’ গেলেন সোহানা!
বাবা-মা’কে ‘টপকে’ গেলেন সোহানা!
পর্ন সাইটে হিনার ‘রগরগে’ ছবি!
পর্ন সাইটে হিনার ‘রগরগে’ ছবি!
‘বিছানায় তো হরহামেশাই যেতে হয়’
‘বিছানায় তো হরহামেশাই যেতে হয়’
অরুণ হাতের নখ কাটেনি ২৫ বছর!
অরুণ হাতের নখ কাটেনি ২৫ বছর!
বিএনপির কার্যালয়ে ছিনতাইয়ের কবলে ফটোসাংবাদিক
বিএনপির কার্যালয়ে ছিনতাইয়ের কবলে ফটোসাংবাদিক
অভিনেত্রীকেই শেখালেন অভিনেত্রী, কী জানেন?
অভিনেত্রীকেই শেখালেন অভিনেত্রী, কী জানেন?
সুস্মিতার বিয়ে পাকা ১৪ বছরের ছোট প্রেমিকের সঙ্গে!
সুস্মিতার বিয়ে পাকা ১৪ বছরের ছোট প্রেমিকের সঙ্গে!
মোনালিসার বিয়ে, পাত্র কে জানেন?
মোনালিসার বিয়ে, পাত্র কে জানেন?
আদালতে যা বললেন খালেদা জিয়া
আদালতে যা বললেন খালেদা জিয়া
​সম্পর্ক ছিল না তাদের, তবুও সমালোচনায়...
​সম্পর্ক ছিল না তাদের, তবুও সমালোচনায়...
শিরোনাম:
তরুণদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুক্রবারের ‘লেটস টক’ অনুষ্ঠান স্থগিত তরুণদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুক্রবারের ‘লেটস টক’ অনুষ্ঠান স্থগিত ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করতে ধানমন্ডিতে যুক্তফ্রন্ট নেতারা ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করতে ধানমন্ডিতে যুক্তফ্রন্ট নেতারা নির্বাচনে সবাই অংশ নিলে জোর-জবরদস্তির সুযোগ থাকবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী নির্বাচনে সবাই অংশ নিলে জোর-জবরদস্তির সুযোগ থাকবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী ভোটের তারিখ পেছানোর আর সুয়োগ নেই: সিইসি, সরকার বহাল রেখে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়, তা প্রমাণ হবে ভোটের তারিখ পেছানোর আর সুয়োগ নেই: সিইসি, সরকার বহাল রেখে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়, তা প্রমাণ হবে