Alexa প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসা সহায়ক: এফবিসিসিআই

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৩ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৮ ১৪২৬,   ১৯ জ্বিলকদ ১৪৪০

প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসা সহায়ক: এফবিসিসিআই

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:০৬ ১৫ জুন ২০১৯   আপডেট: ১৮:৪৭ ১৫ জুন ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসা সহায়ক ও জনমুখী বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম।

শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পরবর্তী আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, অবকাঠামো, অর্থ-সামাজিক, দারিদ্র্য বিমোচন, মানবসম্পদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ায় এ বাজেট যুগোপযোগী।  

সংসদে বাজেট উপস্থাপনের দুদিন পর সংবাদ সম্মেলন করে এর ২০টি ইতিবাচক দিক তুলে ধরে এফসিসিসিআই বলেছে, তারা বাজেট নিয়ে আরো বিশ্লেষণ করছেন, ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সংগঠনগুলোর মতামতের ভিত্তিতে বিস্তারিত প্রস্তাবনা অর্থমন্ত্রীকে দেবেন।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার বৃহস্পতিবার ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেট সংসদে প্রস্তাব করে। ৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার এই বাজেট আগেরটির চেয়ে ১৮ শতাংশ বড়।

প্রস্তাবিত বাজেটকে মোটা দাগে সাধুবাদ জানালেও কর্পোরেট করের হার না কমায় হতাশা প্রকাশ করে মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)। বিজিএমইএ জানায়, তারা এই বাজেটে ’৭০ শতাংশ’ খুশি।

আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় এফবিসিসিআই বাজেট নিয়ে সন্তোষ জানিয়ে বলেছে, প্রস্তাবিত বাজেট যেমন ব্যবসা সহায়ক, তেমনি জনকল্যাণমুখী। শুধু ঘাটতি পূরণে দেশের ব্যাংক ঋণের উপর নির্ভরতা কমাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনটি।

প্রস্তাবিত বাজেটকে কেন ব্যবসা বান্ধব বলছেন-এই প্রশ্নে এফবিসিসিআইর সহ সভাপতি ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, অতীতের বাজেটগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে এই বাজেটে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যবসার সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে। কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা থাকলেও তা আলোচনার মাধ্যমে সংশোধনের সুযোগ এখনো আছে।

বাজেটের ইতিবাচক দিক তুলে ধরে এফবিসিসিআই সভাপতি শেথ ফজলে ফাহিম বলেন, যুব সমাজকে উদ্যোক্তা বানাতে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ, মুক্তিযোদ্ধা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা, অসচ্ছল প্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য সুবিধা বৃদ্ধি একটি মানবিক উদ্যোগ।

১০ শতাংশ প্রতিবন্ধী জনশক্তির বিপরীতে প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কর রেয়াত সুবিধা সামাজিক দায়িত্বশীলতার চর্চাকে উৎসাহিত করবে বলে মনে করেন শেখ ফাহিম।

বাজেটে শিক্ষার মানোন্নয়নে ও আধুনিক কারিকুলাম গঠনের উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করার পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার কারিকুলামে কর-মূসক পরিশোধে নাগরিক দায়িত্ববোধ, ভোকেশনাল ট্রেনিং, ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটি, কোডিংকে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেয়া হয়।

রাজস্ব আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তা সহজ, স্বচ্ছ এবং ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আদায় করা হবে এবং হয়রানীমুক্ত হবে বলে আশা করছে এফবিসিসিআই।

 ডেইলি বাংলাদেশ/এস