প্রসূতি আইনজীবীকে পেটালেন উপজেলা চেয়ারম্যান
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=132138 LIMIT 1

ঢাকা, রোববার   ০৯ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৬ ১৪২৭,   ১৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

প্রসূতি আইনজীবীকে পেটালেন উপজেলা চেয়ারম্যান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৫৬ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

অভিযুক্ত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

অভিযুক্ত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

পটুয়াখালীতে তুচ্ছ ঘটনায় এক প্রসূতি আইনজীবীকে মারধর করেছেন গলাচিপা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন শাহ। এ সময় ওই নারীর শ্বশুরকে মোবাইল ফোনে গালামন্দ, পায়ের রগ কাটা ও ভেঙে দেয়ার হুমকী দেন চেয়ারম্যান।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গলাচিপার ইউএনও কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার হামলা-হুমকির শিকার পরিবারটি আতঙ্কে রয়েছেন। তারা নিরাপত্তা চেয়ে ডিসি বরাবরে আবেদন করেছেন। এর আগে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক বিলাস দাসকে হুমকি দেন ওই উপজেলা চেয়ারম্যান। 

কলাগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান দুলাল চৌধুরী জানান, তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণে বেশ কিছুদিন বাইরে ছিলেন। বুধবার তিনি গলাচিপা উপজেলার বাসায় ফেরেন। বৃহস্পতিবার তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে গলাচিপা উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন শাহ্ ফোন করে তাকে উপজেলা চত্বরে যেতে বলেন। এ সময় তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ জানিয়ে চত্বরে যেতে আপত্তি করেন। এতে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন অকথ্য ভাষায় ইউপি চেয়ারম্যানকে গালমন্দ করেন। এ সময় চেয়ারম্যান দুলাল চৌধুরী তার প্রতিবাদ করলে শাহিন শাহ আরো ক্ষিপ্ত হয়ে হাত-পায়ের রগ কাটা ও ভেঙে দেয়ার হুমকি দেন। এক পর্যায়ে ইউপি চেয়ারম্যান ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ ঘটনা পটুয়াখালীর ডিসি মো. মতিউল ইসলামকে চৌধুরীকে জানালে তিনি আইনি সহায়তা নেয়ার পরামর্শ দেন। 

কলাগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যানের পুত্রবধূ নারী আইনজীবী উম্মে আসমা আঁখি জানান, ঘটনাক্রমে গলাচিপা উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপস্থিত হন। এ সময় উপজেলা চেরয়াম্যান আঁখিকে লতিফ গংদের পুকুরের মাছ বিষ দিয়ে মারার অভিযোগে তাকে জরিমানা দিতে হবে বলে হুংকার দেন। এ সময় আঁখির শ্বশুর ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং বুধবার রাতে বাসায় এসেছেন বলে জানায়। এতে উপজেলা চেয়ারম্যান ও নারী আইনজীবীকে অকথ্য ভাষায় গালিমন্দ করলে আঁখি প্রতিবাদ করেন। এতে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন ক্ষিপ্ত হয়ে প্রকাশ্যে আঁখিকে চড়-থাপ্পড়, কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। এ ঘটনা দেখে উপজেলা চত্বরে অন্তত দুই শতাধিক লোক জড়ো হন। এতে উপজেলা চেয়ারম্যান সংযত না হয়ে আঁখির ওপর আরো চড়াও হয়। এক পর্যায় উপস্থিত লোকের সামনে আঁখিকে বিবস্ত্র ও মানহানি করার হুমকি দেন। 

ভুক্তভোগী আখি আরো জানান, কয়েক মাস আগে অস্ত্রোপচার করে সন্ত্রান প্রসব করেছি। তাই শরীরিকভাবে এখনো সুস্থ না। এ জন্য উপজেলা চেয়ারম্যানকে সংযত হতে অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি উল্টো অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন, যা প্রকাশের যোগ্য নয়।

গলাচিপার ইউএনও শাহ মো. রফিকুল ইসলাম জানান, লোক মুখে ঘটনা শুনেছি। ইউপি চেয়ারম্যান ও তার পরিবারকে নিরাপদে থাকতে বলেছি। তাদের সার্বিক নিরাপত্তা দেয়া হবে। ডিসি মহোদয় ফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানান তিনি। 

অভিযুক্ত উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন শাহ বলেন, মাছ মারা নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছে আর কিছুই নয়। এর আগে তারা মাছ মারছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ