Alexa প্রশ্নফাঁসের কোনো খবর নেই

ঢাকা, শুক্রবার   ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২১ ১৪২৬,   ০৮ রবিউস সানি ১৪৪১

প্রশ্নফাঁসের কোনো খবর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:০১ ১৭ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৯:১৯ ১৭ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসন বলেছেন, সারাদেশে সুষ্ঠুভাবে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এ পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পাদন করতে মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেলের সঙ্গে জেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ‘প্রশ্নফাঁসের গুজব’ রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নজরদারি করছে। 

তিনি আরো বলেন,পরীক্ষার আগে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘প্রশ্নফাঁসের গুজব’ ছড়ানোর বিষয়টিও নজরদারি করা হচ্ছে। কয়েকটি লিংক সনাক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রোববার রাজধানীর ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা চলবে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল সাড়ে দশটা থেকে শুরু হয়ে চলবে দুপুর একটা পর্যন্ত। তবে, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবেন। প্রতিটি বিষয়ে ১০০ নম্বর করে ৬ বিষয়ে মোট ৬০০ নম্বরের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দিন প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীর ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলো। 

এ বছর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় ২৯ লাখ ৩ হাজার ৬৩৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। এরমধ্যে ২৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৬৭ জন পরীক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা এবং ৩ লাখ ৫০ হাজার ৩৭১ জন পরীক্ষার্থী ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নেয়। 

জানা গেছে, সারাদেশে ৭ হাজার ৪৫৮টি কেন্দ্রে ইবতেদায়ি ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তিন হাজার ৯৩১টি কেন্দ্র এবং হাইস্কুল ও মাদরাসায় তিন হাজার ৫২৭টি কেন্দ্র রয়েছে। এছাড়া আটটি দেশের ১২টি কেন্দ্রে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। 

চলতি বছর প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ২৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৬৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ১১ লাখ ৮১ হাজার ৩০০ জন। অপরদিকে ছাত্রী সংখ্যা ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৯৬৭ জন। 

বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জেলা-উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্ন পাঠানো হয়েছে। প্রশ্নপত্র থানা বা ট্রেজারি হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরীক্ষার দিন সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বজায় রেখে প্রশ্নপত্র উপজেলা থেকে কেন্দ্র সচিবের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে। দুর্গম এলাকার ১৮৪টি কেন্দ্রে বিশেষ ব্যবস্থার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

প্রতি বছরের মতো এবারো প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে প্রতিটি জেলায় পরীক্ষা পরিদর্শনের জন্য ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অনুরোধ করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে/এসএএম