প্রধানমন্ত্রীর সাহায্যে বাঁচতে পারেন সাংবাদিক রাজা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৭ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ১৫ ১৪২৬,   ২২ শাওয়াল ১৪৪০

প্রধানমন্ত্রীর সাহায্যে বাঁচতে পারেন সাংবাদিক রাজা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৩:১৫ ৯ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৩:১৫ ৯ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

প্রতিভাবান সাংবাদিক আখতার হোসেন রাজা। কিডনি, এ্যাজমা, উচ্চ রক্তচাপ ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকার মিরপুর কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এক থেকে দুইদিন পর পর কিডনি ডাইলোসিস করাতে হয় তার। এতে প্রতি ডাইলোসিসের জন্য কমপক্ষে ২০ হাজার টাকার প্রয়োজন হয়। যা জোগাড় করা রাজার পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমতবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তার পরিবার।

সাংবাদিক আখতার হোসেন রাজা ১৯৪৮ সালে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ভেলাতৈর ভদ্রপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আইয়ুব আলী সরকারের ৯ ছেলে মেয়ের তিনি চতুর্থ। ছাত্রজীবনে তিনি আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সে সময় ১৯৬২ সালে ছাত্র ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে ছাত্র রাজনীতিতে যোগ দেন। ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি ১৯৬৭ সালে বগুড়া থেকে প্রকাশিত উত্তরবংগ বুলেটিং এর প্রতিনিধি হিসেবে যোগদানের মধ্যদিয়ে সাংবাদিকতায় প্রবেশ করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)তে যোগদান করেন। সিপিবির জেলা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ১৮ বছর দায়িত্ব পালনের পর বর্তমানে সিপিবির জেলা সভাপতি হিসেবে রয়েছেন।

১৯৭৩ সালে দৈনিক সংবাদ পত্রিকার জেলা বার্তা পরিবেশক হিসেবে যোগদান করেন এবং এখন পর্যন্ত সংবাদে কর্মরত আছেন। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এ যোগদান করেন এবং এখনো কর্মরত আছেন। এছাড়াও দীর্ঘ ১২ বছর ধরে রেডিও টুডের প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। 

সাংবাদিক আখতার হোসেন ছয়মাস ধরে শরীরের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে প্রথমে রংপুর পরে ঢাকা ও ভারতের ভ্যালোরের খ্রিস্টান মেডিকেল কলেজ(সিএমপি)তে চিকিৎসা করেন। সিএমপির চিকিৎসক প্রফেসর জেকেল জনের অধীনে ২০/২২ দিন চিকিৎসার পর কিডনি ডাইলোলিস করানো হয়। দেশে ফিরে আবারও ঢাকা কিডনী ফাউন্ডশন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসার দুইদিন পরেই নিউমোনিয়া, উচ্চ রক্তচাপ ও এ্যাজমা রোগ দেখা দেয়। এসব নিয়ে গ্রীন লাইফ মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। বর্তমানে ঢাকা মিরপুর-২ এর কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালের প্রফেসর ডা. হারুন অর রশিদের তত্ত্বাবধায়নে আছেন। তাকে এক থেকে দুইদিন পর পর কিডনী ডাইলোসিস করাতে হয়। এতে প্রতি ডাইলোসিসে ব্যয় হচ্ছে ১৫-২০ হাজার টাকা। এসব টাকা তার পরিবারের পক্ষে ব্যয় করা অসম্ভব। গুণী এ সাংবাদিককে বাচাঁতে এবং ব্যয় বহুল চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তার পরিবার।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম