Alexa প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে মার্কিন সিনেটরদের চিঠি

ঢাকা, শনিবার   ২০ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৬ ১৪২৬,   ১৭ জ্বিলকদ ১৪৪০

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে মার্কিন সিনেটরদের চিঠি

 প্রকাশিত: ১৫:১৫ ১৯ অক্টোবর ২০১৭  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমারে সহিংসতার শিকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি দলের ৯ জন সিনেটর। শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও মানবিকতার প্রশংসা করে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর দফতরে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন তারা। মানবিক বিপর্যয় রোধে বাংলাদেশের সীমান্ত খুলে দিয়ে রোহিঙ্গাদের দেশে ঢুকতে দেওয়ায় শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মার্কিন সিনেটররা।

‘প্রিয় প্রধানমন্ত্রী’ শেখ হাসিনা সম্বোধন করে তারা লিখেছেন, আপনার সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দান ও নিরাপত্তা দিয়েছে, যা চলমান সংকটে আশার আলো স্বরূপ। সিনেটররা লিখেছেন,‘আপনার মানবিকতা, হৃদ্যতা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্য আমরা আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এ কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের পাশে থাকতে আমরা দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

চিঠিতে সিনেটররা আরও লিখেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, বহুমুখী প্রতিবন্ধকতার পরও শুধু মানবিক দিক বিবেচনা করে সাহায্যের আশায় বিপদগ্রস্ত জনসাধারণের পাশে দাঁড়ানোর কারণে বিশ্বের সব রাষ্ট্রের মধ্যে বাংলাদেশ এখন রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে মার্কিন সিনেটররা লিখেছেন, ‘আগে থেকে অবস্থান করা শরণার্থীদের নিয়ে সংকটে থাকার পরেও নতুন শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। দেশটির জন্য এ চ্যালেঞ্জ কতো গুরুত্বপূর্ণ তা আমরা বুঝি।’

এ ব্যাপারে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর), আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বেসরকারি সংস্থাগুলোর প্রতি সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানিয়েছেন সিনেটররা। শরণার্থীদের থাকার জন্য মানসম্মত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, তাদের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ, সহিংসতার শিকার হয়ে পালিয়ে আসা মানুষদের মন থেকে ভয় দূর করতে মানসিক সমর্থন দেওয়া এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে সাহায্য কার্যক্রমের সঠিক সমন্বয় নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকে পাশে রাখতে সরকারের আন্তরিক সমর্থন চাওয়া হয়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শরণার্থীদের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়বে তা এতো কম সময়ের মধ্যে বলা সম্ভব না।

আইএমএফ-এর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উপ-পরিচালক কেনেথ কাং বলেছেন, ‘অর্থনৈতিক প্রভাব নির্ণয়ের জন্য এটি খুবই অল্প সময়। আমরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা করছি এবং যদি কোনও সহযোগিতা প্রয়োজন হয় তাহলে তা দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।’

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএএস/এআর