প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষকের পিতা ও ভাই আটক
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=119939 LIMIT 1

ঢাকা, শনিবার   ১৫ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ৩১ ১৪২৭,   ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষকের পিতা ও ভাই আটক

সারাদেশ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৫৯ ১৬ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ১৮:০০ ১৬ জুলাই ২০১৯

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

কুড়িগ্রামের উলিপুরে এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের ঘটনায় ওই কিশোরী প্রায় ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও সমাধান না হওয়ায় কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে মঙ্গলবার থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ধর্ষকের পিতা ও বড় ভাইকে আটক করেছে। 

কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের সাদুল্যা চাচিয়ারপাড় গ্রামের মোনাল মিয়া ওরফে মনার ছেলে হযরত আলী ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করে আসছিল। ফলে ওই কিশোরী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। 

এ ঘটনা জানাজানি হলে বিষয়টি আপস-মিমাংসার জন্য গ্রামে একাধিক সালিশ বৈঠক বসে। সেখানে সমাধান না হওয়ায় ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওয়াদুদ হোসেন মুকুল বিষয়টি দুই পরিবারকে নিয়ে মিটিং এ বসলে হযরত আলী ওই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে।

এ সময় ধর্ষকের পরিবার থেকে বিষয়টি আপস মিমাংসা করার জন্য কিশোরীকে বিয়ের পরিবর্তে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেন। ধর্ষক হযরত আলী কোনোভাবেই ওই কিশোরীকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় চেয়ারম্যানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি সমাধান করতে না পারায় ধর্ষিতার পিতা বাদী হয়ে মঙ্গলবার থানায় মামলা করেছেন।

ওই কিশোরীর বাবা বলেন, আমরা গরিব মানুষ। পেটের ভাত জোগাড়ের জন্য আমি ইটভাটায় কাজ করি ও আমার স্ত্রী অন্যের বাড়িতে কাজ করে। দিনের বেলা আমরা দুজনই বাড়িতে না থাকার সুযোগে এলাকার প্রভাবশালী মোনাল মিয়ার ছেলে হযরত আলী বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মেয়েকে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করেছে। 

পরে আমরা বিষয়টি জানতে পেরে আমার মেয়েকে উলিপুরের ডিজিটাল ল্যাব অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারে পরীক্ষা করাই। তখন জানতে পারি মেয়েটি প্রায় ৭ মাসের গর্ভবতী। এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের কাছে বিচার চেয়ে না পেয়ে ধর্ষক, তার পিতা ও বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করতে বাধ্য হয়েছি।

তবকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওয়াদুদ হোসেন মুকুল বলেন, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় একাধিকবার সালিশ বৈঠক করেছি। ছেলের পরিবার থেকে টাকা দিয়ে বিষয়টি মিমাংসা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু কিশোরীর গর্ভের সন্তানকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করায় মিমাংসা করা যায়নি। তাই কিশোরীর পিতাকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ধর্ষণের মামলায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। মূল আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভিকটিমের মেডিক্যাল পরীক্ষার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএস