Exim Bank Ltd.
ঢাকা, সোমবার ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

প্রতিদিন চুরি হয় আমাদের শৈশব

অমিত গোস্বামী
কবি হিসেবেই পরিচিতি অমিত গোস্বামীর। তবে উপন্যাস, প্রবন্ধ ও বিশ্লেষণধর্মী লেখায়ও বেশ সুনাম রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের এই লেখকের। পেশায় সাংবাদিক। জন্ম, বাস, বেড়ে ওঠা সবই ভারতে। তবে বাংলাদেশের প্রতি রয়েছে বিশেষ টান। বাংলাদেশের শহীদ বুদ্ধিজীবী আলতাফ মাহমুদকে নিয়ে উপন্যাস লিখে এরইমধ্যে সাড়া ফেলেছেন।

আমার স্ত্রী সরকারি স্কুলের শিক্ষক। সেদিন স্কুল থেকে ফিরে আমায় বলল, আজ আমাদের স্কুলে এক মজার কাণ্ড হয়েছে। জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকাতেই বলল, আজ নিচু ক্লাসের বাংলা ক্লাসে এক শিক্ষয়িত্রী কয়েকটি বাক্যে লিখতে বলেছিল ‘এবার পুজোয় কী চাই?’ খাতা চেক করতেই সেই দিদিমনি দেখলেন যে অন্তত সাত আট জন লিখেছে যে তাদের এবার পুজোয় মোবাইল ফোন চাই। কেউ কেউ আবার ব্র্যান্ড উল্লেখ করে দিয়েছে।

আর একজন লিখেছে যে সে বাবা মায়ের বদল চায়, এই বাবা মায়ের জায়গায় অন্য বাবা মা চায়। সে কী? কেন? মোবাইল চাওয়ার অর্থ বুঝি কিন্তু বাবা’মা বিসর্জনের দাবি কেন? আমার স্ত্রী জানাল যে মেয়েটি না কি বলেছে যে তার বাবা মা দুজনেই চাকরি করেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে মোবাইলে মুখ গুঁজে দেন, বিকেলে এসে আবার মুখ গোঁজা মোবাইলে। তার সাথে বাবা-মায়ের কথা প্রায় হয় না। যা হয় কাজের দিদার সঙ্গে হয়। তাহলে সে কেন বাবা-মায়ের কাছে থাকবে? ঠিকই তো, এমন বাবা মায়ের সঙ্গে কেন সে থাকবে! আর যারা মোবাইল চায় তারা কেন চায়? প্রায় সবাই বলেছে যে বাবা’মায়ের সঙ্গে চ্যাট করে কথা বলার জন্যে তাদের মোবাইল চাই। এমনিতে তারা সারাদিনে সময় প্রায় দেনই না। ব্যস্ত থাকেন চ্যাটে। কাজেই তাদের সঙ্গে চ্যাট করে তো কথা বলা যাবে। আপনারা এই অবধি পড়ে হয়ত ভাবছেন যে এই ঘটনা অবাস্তব, নিতান্তই এই নিবন্ধের মুখরা, তাহলে ভুল করছেন। আমার উইলিয়াম শেকসপীয়ারের হ্যামলেটের মত বলতে ইচ্ছে করছে - There are more things in heaven and earth, Horatio, Than are dreamt of in your philosophy. এ ঘটনা বাস্তব এবং তীব্র দুঃখজনক।

আগে বাঙালির বাড়ি ছিল। বসতবাড়ি। যৌথপরিবার ছিল। নিদেনপক্ষে ঠাকুর্দা ঠাকুমার সঙ্গে বসবাস ছিল। বাবা মায়ের সময় দেয়ার প্রয়োজন ছিল না ততটা। খুড়তুতো-জ্যাঠতুতো মিলিয়ে বাড়িতে অনেক ভাই-বোন। রোববারের খাওয়াদাওয়া জমজমাট। তখন পাড়া কালচার বিদ্যমান। পাড়ায় বাচ্চাদের নিয়ে নানান অনুষ্ঠান করা মায়ের শাড়ি, বাড়ির বেড কভার নিয়ে এসে স্টেজ বানিয়ে পারফর্ম করা – সেসব ছিল। প্রচুর খেলাধুলার সুযোগ ছিল। বাড়ি থেকে হেঁটেই স্কুল। কার কেমন বাড়ি, ক’টা গাড়ি আছে, তোমার বাড়ির ঠিকানা কোথায় — এগুলো কিন্তু বড় বিষয় ছিল না। সকালে চায়ের দোকানে খবরের কাগজ নিয়ে উত্তেজিত চর্চা। আর সন্ধ্যাবেলা বাড়ির সামনে সিমেন্ট দিয়ে বাঁধানো বসার জায়গা, যাকে রক বলা হত, সেখানে পাড়ার মানুষদের সঙ্গে আড্ডা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আয়তনে বড় হয়েছে শহর। কিন্তু সংখ্যায় কমেছে বাড়ি। সেকালের পাড়াগুলি বদলে গেছে হাউসিং সোসাইটিতে। যৌথ পরিবার ভেঙে টুকরো টুকরো হতে হতে বৃদ্ধ বাবামায়েদের স্থান আজ আলাদা ফ্ল্যাটে বা বৃদ্ধাশ্রমে। চৌখুপি ফ্ল্যাটে বন্দী জীবন। শৈশব চুরি হয়ে যাচ্ছে ইংলিশ মিডিয়ামে, টিউশনে, কোচিং ক্যাম্পে বা সুইমিং পুল নামক চৌবাচ্চায়।

সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে বাবামায়েরা সারা সপ্তাহে ৭৫ থেকে ৮০ ঘণ্টা দিচ্ছেন মোবাইলে। সন্তানদের দেওয়ার মত সময় ৭ থেকে ১১ ঘণ্টা দিচ্ছেন। এই সমীক্ষা বিদেশের নয়। শহর কলকাতার। ইংল্যান্ডের ‘ডিজিটাল অ্যাওয়ারনেস ইউকে অ্যান্ড হেডমাস্টার্স’-এর চালানো এক সমীক্ষায় অংশ নেয়া ২০০০ জন ১১ থেকে ১৮ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীর এক-তৃতীয়াংশের বেশি উল্লেখ করেছেন, তারা তাদের বাবা-মাকে মোবাইল থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। জরিপে আরো দেখা গেছে ১৪ শতাংশের মতে তাদের বাবা-মা খাবারের সময়ও মোবাইল ব্যবহার করেন। জরিপে ৮২ শতাংশ অংশগ্রহণকারী মনে করেন খাবারের সময়টা ডিভাইসহীন হওয়া উচিত। ২২ শতাংশ মনে করছেন মোবাইল ফোনের ব্যবহারে পরিবারে একে অপরের সঙ্গ উপভোগ করা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আর ৩৬ শতাংশ তাদের বাবা-মাকে মোবাইল ব্যবহার করতে মানা করেছেন। কিন্তু সমীক্ষার ৩ হাজার অভিভাবকের ৯৫ শতাংশ এই তথ্য অস্বীকার করেছেন। বুঝুন এদের দায়িত্বজ্ঞান!

‘ডেমিয়োলজি অ্যান্ড কমিউনিটি হেলথ' পত্রিকায় গবেষকরা বলেছেন, যেসব বাচ্চাদের মায়েরা গর্ভাবস্থায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন এবং যেসব শিশুরা নিজেরাই এটি ব্যবহার করে তাদের শতকরা পঞ্চাশ জনেরই আচরণগত সমস্যা রয়েছে৷ গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে, যেসব বাচ্চার মায়েরা সেল ফোন ব্যবহার করেছেন কিন্তু শিশুরা নিজেরা এখনো ফোন ব্যবহার করে না তাদের শতকরা চল্লিশ জনের মধ্যে আচরণগত সমস্যা রয়েছে৷ চার বছর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্ত তরুণদের জন্য ভারতে ব্যাঙ্গালুরুর নিমহানস মানসিক হাসপাতালে ডা. মনোজ কুমার শর্মা চালু করেন ইন্টারনেট ডি-অ্যাডিকশন সেন্টার। সপ্তাহে তখন একজন রোগীরও দেখা মিলতো না। এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। এখন প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয় জন রোগী সেখানে যাচ্ছেন আসক্তি ছাড়াতে। অতিরিক্ত আসক্ত রোগীকে ২১ দিনের জন্য রিহ্যাবেও পাঠানো হচ্ছে. বেশির ভাগ রোগীর বয়স ১৬ থেকে ২০ বছর। তাদের প্রত্যেকের বাবা মাই দামি স্মার্টফোন বা গেইমিং কনসোল কেনার সামর্থ্য রাখেন। ইন্টারনেটের প্রতি তাদের আসক্ত হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে খেলার মাঠের স্বল্পতাও যেমন একটি কারণ তেমনি কর্মজীবী বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান হওয়াও একটি প্রধান কারণ। অনেক সময় আবার বাবা মায়েরা শিশুকে ছোটবেলা থেকে ট্যাব বা মোবাইলে কার্টুন চালিয়ে তার মনোযোগের অভিমুখ ইলেকট্রনিক ডিভাইসের দিকে নিয়ে যান। স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের মতো যন্ত্র ব্যবহারের সঙ্গে শিশুদের দেরিতে কথা বলার যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন কানাডার গবেষকরা।তারা বলছেন, শিশুরা যতো বেশি সময় স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের মতো স্ক্রিন সংবলিত যন্ত্র ব্যবহার করবে, ততোই তাদের দেরিতে কথা বলার ঝুঁকি বাড়বে।

বিশেষজ্ঞরা এ বাস্তবতা মেনে নিয়ে শিশুদের ‘কোয়ালিটি টাইম’ নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন । শিশুদের জন্য কোয়ালিটি টাইম নিশ্চিত করার কাজ করে থাকে ডে কেয়ার সেন্টার। বাবা-মা সকালেই বের হয়ে যায় অফিসে। এবার সারা দিনের জন্য বাসার কাজের মেয়ে তার অভিভাবক। কি করে ছোট্ট শিশুটি? তার কচি মন নিশ্চয়ই খুঁজে বেড়ায় পরমনির্ভতার মায়ের কোল বা বাবার দায়িত্ববান হাত। সংসারের প্রয়োজনে যারা নিজেদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ নিজের শিশুটিকে বাসায় রেখে যাচ্ছেন তারা কী ধরণের মাসসিক টানপোড়নে কর্মস্থলে যায় তা ভুক্তভোগী ছাড়া তা বোঝা বড় কঠিন। কেউ কেউ ভুগছে নিরাপত্ত্বাহীনতায়। অনলাইন ব্লগে কিছু মায়ের অনুভুতি দেখেছিলাম এরকম; সকালে বাচ্চার কান্না দেখে বের হই, কান্না দেখে ঢুকি। বাচ্চাকে একা শুধু কাজের মেয়ের হাতে ছেড়ে যেয়ে চাকরি করতে ভাল লাগে না অথচ পরিবারের জন্যই তো করছি?

আরেক মায়ের কথা ছিল এরকম; আমার আট বছরের ছেলেটাকে নিয়ে বড় বিপদে আছি। ইদানীং সারাক্ষণ কেমন যেন মনমরা হয়ে থাকে। কোন কিছুতেই তার আগ্রহ নেই। আগে কম্পিউটারে গেম-টেম খেলতো, এখন কম্পিউটার ছুঁয়েও দেখে না। আর এটা-ওটা অসুখ-বিসুখ তো লেগেই আছে। মা-বাবাহীন একা বেড়ে উঠা ছেলে-মেয়েরা দিন দিন জেদী হয়ে উঠে। জিনিসপত্র ছুঁড়ে মারে। তার কথা না শুনলেই সে অনবরত মারতে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব আচরণ হওয়ার প্রধান কারণ হলো চাকরিজীবী মা-বাবার একাকী সন্তানদের সময় না দেয়ার ফলাফল। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, অফিস থেকে ফিরে এসে শিশুটিকে বাবা-মায়ের পুরোপুরি সময় দেয়া জরুরি। যদি বাসায় আসার পরও তারা সংসারের কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে তাহলে সেই শিশুটি অবধারিতভাবে মানসিক অবসাদে ভুগবে। যা পরবর্তীকালে তাকে উগ্র করবে। আবার উল্টো চরিত্রের হিসাবে গুটানো স্বভাবের হতে পারে। এতে শিশুটি দুর্বল মানসিকতার মানুষ হিসাবে বেড়ে উঠবে। একটি শিশু তার চারপাশ থেকে জ্ঞান আহরণ করে। সে যখন মাঠে খেলতে যায় বা সমবয়সী শিশুদের সঙ্গে খেলে বা গল্প করে সেখানে নানা আর্থিক অবস্থানে থাকা পরিবারের শিশুরা আসে। সে সব অবস্থান সম্বন্ধে জানতে পারে। সবাইকে গ্রহণ করতে শেখে। কিন্তু এই একলা থাকা শিশুরা সেইসব পর্যায়ে মেশার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়।

মা-বাবার উচিত হবে অফিস থেকে ফিরে এবং ছুটির দিনে পুরোটা সময় শিশুটিকে দেয়া। যাতে সে বুঝতে পারে যে, মা-বাবা তাকে অবহেলা করছে না। এই সময় দেয়া এমন না যে, একসঙ্গে টিভি দেখা। বরং তার সঙ্গে গল্প করা, খেলা। এতে শিশুর সঙ্গে কথা হয় তার মন হালকা হয়। এছাড়া অফিসে থাকার সময়ও দিনে অন্তত দুইবার শিশুটির সঙ্গে ফোনে কথা বলা। এতে শিশুর মনে ধারণা জন্মায় যে, মা-বাবা বাসায় না থাকলেও তার প্রতি টান আছে। শিশুর মনে এই বোধ জন্মানোটা খুবই জরুরি।

আমাদের দেশে প্রশিক্ষিত বেবি-সিটার ও ডে-কেয়ার সেন্টারের খুব প্রয়োজন। বাচ্চাকে কারো কাছে রেখে আসার সমস্যাটি তো একদিনের নয়, প্রতিদিনের। তাই এ সমস্যা সমাধানের জন্য ভুক্তভোগীদেরই পদক্ষেপ নিতে হবে। এ ব্যাপারে কয়েকজন সহকর্মী একত্রে আলোচনা করে নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী বেবি সিটারের ব্যবস্থা নিজেরাই করে নেয়া সম্ভব। প্রতিষ্ঠান প্রধানের সাথে আলোচনা করে বিশেষ করে শিল্প-কারখানাগুলোতে কর্মস্থলে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করার সুবিধাগুলো বুঝিয়ে সমাজে একটা ইতিবাচক পরিবর্তন আনা যায়। কর্মস্থলে বা তার আশে-পাশে ডে-কেয়ার সেন্টার থাকলে তাতে সন্তানকে রেখে এসে মায়েরা স্বস্তিতে কাজে মনোযোগ দিতে পারেন। কাজে ফাঁকি দেবার প্রবনতাও হ্রাস পায়।

কাজেই বাবা’মা কতৃক সন্তানের শৈশবচুরি বন্ধ করতেই হবে। এই চুরি রুখতে কোনো আইনসৃষ্টিও সম্ভব নয়। উপায় দুটো। শিশুদের বইয়ের ওপরে ব্যাপক ভর্তুকি দিয়ে অতি সামান্য মূল্যে শিশুতোষ বই শিশুদের কাছে পৌঁছে দেয়া। আর এই সমস্যাকে সামাজিক ব্যাধি হিসেবে পরিগণিত করে সরকার ব্যাপক টেলিভিশন প্রচারে নামুক। এই দুটি পদক্ষেপ সচেতনতা বৃদ্ধির একমাত্র উপায়। নাহলে আমরা এক দায়িত্বজ্ঞানহীন অস্বাভাবিক প্রজন্মের সৃষ্টিকর্তা হিসেবে ইতিহাসের কাছে পরিগণিত হব। দেশ ও সমাজ এতে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তখন দায় কে নেবে? বর্তমান বাবা মায়েরা? না কি রাস্ট্র? একটু ভাবুন তো।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
ভাইরাল জন-মিথিলা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়!
ভাইরাল জন-মিথিলা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়!
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে পরীই প্রথম
বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে পরীই প্রথম
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
প্রভার নাচে জিতবে ঢাকা!
প্রভার নাচে জিতবে ঢাকা!
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, আটক ৬
স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, আটক ৬
মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখা হতে পারে: ইসি সচিব
মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখা হতে পারে: ইসি সচিব
শিরোনাম :
কিছুক্ষণের মধ্যে ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ কিছুক্ষণের মধ্যে ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ খুলে দেয়া হয়েছে বন্ধ করা ৫৮ ওয়েবসাইট খুলে দেয়া হয়েছে বন্ধ করা ৫৮ ওয়েবসাইট ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২৪টি আসনে নির্বাচন করবে জামায়াতে ইসলামী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২৪টি আসনে নির্বাচন করবে জামায়াতে ইসলামী ১২ ডিসেম্বর টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় নামছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২ ডিসেম্বর টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় নামছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা