প্রতারণার অভিযোগে সস্ত্রীক কথিত মানবাধিকারের চেয়ারম্যান গ্রেফতার

ঢাকা, শুক্রবার   ০৩ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ২০ ১৪২৬,   ০৯ শা'বান ১৪৪১

Akash

প্রতারণার অভিযোগে সস্ত্রীক কথিত মানবাধিকারের চেয়ারম্যান গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:২৩ ১২ মার্চ ২০২০   আপডেট: ১৭:২৮ ১২ মার্চ ২০২০

ভুয়া নামধারী জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটের চেয়ারম্যানকে প্রতারণার অভিযোগে সস্ত্রীক গ্রেফতার

ভুয়া নামধারী জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটের চেয়ারম্যানকে প্রতারণার অভিযোগে সস্ত্রীক গ্রেফতার

মোহাম্মদপুর হাউজিং এলাকা থেকে ভুয়া নামধারী জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটের চেয়ারম্যানকে প্রতারণার অভিযোগে সস্ত্রীক গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলো- মো. জিয়াউল আমিন ওরফে হারুন-অর-রশিদ (৫৩) ও দৌলেতুন নেছা (৪২)। গতকাল বুধার গভীর রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১।

বৃহস্পতিবার বিকেলে র‌্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলেপ উদ্দিন ডেইলি বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বুধবার প্রতারিত ও ভুক্তভোগীরা র‌্যাবের কাছে বিভিন্ন অভিযোগ করে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গভীর রাতে মোহাম্মদপুর হাউজিংয়ে অভিযান চালানো হয়। তাদের বিরুদ্ধে জাতীয় মানবাধিকার সংস্থার নামে বহু যুবকেকে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া জমি ও বিভিন্ন পারিবারিক সমস্যা মেটানোর নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে তারা। অভিযানে প্রতারণা ও হয়রানির কাজে ব্যবহৃত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সীলসহ ৪২টি ভুয়া সীল ও বিপুল পরিমাণ জাল অথবা উদ্দেশ্য প্রণোদিত নথিপত্র, ১টি লোহার চাকু উদ্ধার করা হয়।   
  
গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, জিয়াউল আমিন ও তার স্ত্রী দৌলেতুন নেছার বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটার কালমেঘা এলাকায়। জিয়াউল আমিন ২০০৭ সালে বরগুনার পাথরঘাটায় চাঞ্চল্যকর দেবরঞ্জন কির্ত্তনীয়া হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক আসামি। ওই হত্যাকাণ্ডেরর পর সে ঢাকায় পালিয়ে আসে। তার প্রকৃত নাম হারুন অর রশিদ। ঢাকায় এসে জিয়াউল আমিন নাম ধারণ করে সে। এরপর কিছুদিন সে বিভিন্ন উকিলের সঙ্গে কাজ করে। পরে ২০১১ সালে জাতীয় মানবাধিকার ইউনিট নামে একটি এনজিও শুরু করে তারা। এই এনজিওর নামে বিভিন্নভাবে প্রতারণার কারণে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠানটির রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে। কিন্তু তার পরেও তারা প্রতারণা চালিয়ে যায়। এসএসসি পাস জিয়াউল আমিন একাধারে মানবাধিকার ইউনিটির চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিলেরর চীফ কো-অর্ডিনেটর ও হিউম্যান রাইট্স রিভিউ সোসাইটির চীফ কো-অর্ডিনেটর হিসেবে একেক সময় একেক ভুয়া পরিচয় দিয়ে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করে আসছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসবি/এমআরকে