.ঢাকা, বুধবার   ২৭ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ১২ ১৪২৫,   ২০ রজব ১৪৪০

পৌঁছেছে দ্রুতগতির ট্রেন, ঘণ্টায় চলবে ১৪০ কি.মি.

নীলফামারী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২২:০৪ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ২৩:৫৩ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

দেশে চলবে দ্রুতগতির ট্রেন। এজন্য ইন্দোনেশিয়া থেকে ১৫টি বগি এসে পৌঁছেছে। ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার গতিতে চলবে ব্রডগেজের এ হাইস্পিড রেল বগিগুলো। এগুলো প্রতি মিনিটে চলবে প্রায় আড়াই কিলোমিটার (২.৩৩ কিলোমিটার)।

শুক্রবার এ বগিগুলো ঢাকা হয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। সেখানে বগিগুলোতে র‌্যাক তৈরি করে ট্রায়াল রান করা হবে। এরপর যাত্রী পরিবহনে চলাচল করবে। 
 
সূত্র বলছে, বর্তমানে দেশের ৩৩টি আন্তঃনগর ট্রেনের মধ্যে কোনোটিতেই এগুলোর মতো এত অত্যাধুনিক সুবিধার বগি নেই। 

বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী (সিএমই) হারুনুর রশীদ বলেন, এবারে আনা বগিগুলোতে প্রথমবারের মতো বায়ো টয়লেট যুক্ত করা হয়েছে। এতদিন ট্রেনের টয়লেট থেকে বর্জ্য সরাসরি রেললাইনের ওপর পড়ত। এখন থেকে প্লেনের মতো বায়ো-টয়লেট পদ্ধতি থাকবে এসব বগিতে। যাতে রেললাইনে পড়বে না ময়লা। পরে এগুলো বিশেষ পদ্ধতিতে সরানো হবে। এ ব্যবস্থায় ট্রেনগুলো ব্যাকটেরিয়া ও দূষণমুক্ত থাকবে।

নতুন বগি কেনার প্রকল্প সূত্র বলছে, রেলে যুক্ত করার জন্য ব্রডগেজ ও মিটারগেজ উভয় ধরনের বগি কেনা হচ্ছে। যেখানে ২০০টি মিটারগেজ বগিতে খরচ ধরা হয়েছে ৫৮০ কোটি টাকা। আর ৫০টি ব্রডগেজ বগি কেনার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২১৩ কোটি টাকা। প্রতিটি বগির আমদানি মূল্য ৫ কোটি টাকা। এ ৫০টির মধ্যে ১৫টি দেশে এসেছে। এরপর আরো দুটি শিপমেন্টে মোট ৫০টি ব্রডগেজ বগি আসবে। এরপরে আরো ৯টি শিপমেন্টে আসতে থাকবে ২০০টি মিটারগেজ বগি। ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ট্রেন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান পিটি ইন্ডাস্ট্রি কেরেতা এপি (ইনকা) এসব বগি তৈরি করেছে। সেখান থেকে জাহাজে এগুলো চট্টগ্রাম নিয়ে আসা হয়।
 
রেলওয়ে সূত্র বলছে, সবচেয়ে পুরাতন ব্রডগেজ বগি যেসব ট্রেনে আছে সেখানে নতুন বগিগুলো প্রতিস্থাপন করা হবে। আর সব শিপমেন্ট পেলে আরো নতুন দুয়েকটি ট্রেন চালু হতে পারে। সৈয়দপুর নেয়ার পর ক্রেন দিয়ে ব্রডগেজ বগির ওপর বগিগুলো স্থাপন করে সৈয়দপুর নেয়া হবে। সেখানে যাচাই-বাছাই শেষে দুই ধাপে ট্রায়াল রান দেয়া হবে। দুই থেকে তিনমাসের মধ্যে বগিগুলো ট্রেন চলাচলের জন্য ছেড়ে দেয়া হবে।