পোশাক শিল্পের স্থায়ী প্রদর্শনীকেন্দ্র হচ্ছে পূর্বাচলে
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=156898 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ০৫ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২২ ১৪২৭,   ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

পোশাক শিল্পের স্থায়ী প্রদর্শনীকেন্দ্র হচ্ছে পূর্বাচলে

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৫০ ১৫ জানুয়ারি ২০২০  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, চলতি বছরের মে মাসে পূর্বাচলে হবে পোশাক শিল্পের নিজস্ব স্থায়ী প্রদর্শনীকেন্দ্র। আগামী বছর থেকে সেখানে সুন্দর পরিসরে পোশাক শিল্প পণ্যের প্রদর্শনীর আয়োজন করা সম্ভব হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বুধবার বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ) আয়োজিত তৈরি পোশাক শিল্পপণ্যের চারটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এর প্রেসিডেন্ট ড. রুবানা হক, মেলার কো অর্গানাইজার এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশন প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক নন্দ গোপাল কে ও জাকারিয়া ট্রেড অ্যান্ড ফেয়ার ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান জাকারিয়া ভুঁইয়াসহ পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা বড় ধরনের রফতানি করি, ধরে নিই প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার। আমাদের যদি এক্সেসরিজ না থাকতো, বাইরের দেশ থেকে আনতে হতো তাহলে কিন্তু রফতানি আয় কমে যেতো। এই খাতে প্রায় ৪/৫ লাখ শ্রমিক রয়েছে। সব মিলিয়ে ভালো অবস্থানে আছি। এখন আমরা নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে শ্রীলংকা, মিয়ানমারসহ বিভিন্ন দেশে রফতানি করছি। 

বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, গার্মেন্টস খাত ভালো নেই। এটা বলতে ভালো না লাগলেও বলতে হয়। গত ৬ মাসে এ খাত ভালো করেনি। এসময় ৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ নেগেটিভ গ্রোথে আছি। সাড়ে ১০ ভাগ কোয়ান্টিটি কমে গেছে। গত ৬ মাসে ৬৯টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। ৩২ হাজার ৯শ’ জন চাকরি হারিয়েছে। একই সঙ্গে ৫৩টি নতুন কারখানা হয়েছে। আমরা অনেকে না বুঝে এ ব্যবসায় চলে এসেছি ও আসছি।

তিনি আরো বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য রিসাইক্লিং শিল্পের দিকে নজর দিতে হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএস/এমআরকে