Alexa পিঁপড়া তাড়ানোর প্রাকৃতিক পন্থা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৬ ১৪২৬,   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

পিঁপড়া তাড়ানোর প্রাকৃতিক পন্থা

 প্রকাশিত: ০৬:১২ ৯ মে ২০১৭  

  জীবনযাপন-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাজারের বিভিন্ন কীটনাশক বা ‘পেস্ট কন্ট্রোল সার্ভিস’য়ের লোক ডেকে এনে পিঁপড়ার উপদ্রব দূর করা সম্ভব। তবে দুই ক্ষেত্রেই ব্যবহার হবে বিভিন্ন বিষাক্ত রাসায়নিক উপকরণ। এগুলোর নিয়মিত ব্যবহার পোকামাকড় নিধনের পাশাপাশি আপনার স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উপরেও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে। তাই প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে পিঁপড়া তাড়ানোর চেষ্টা করে দেখতে পারেন। দারুচিনি: আলমারি বা ঘরের প্রধান দরজার চারপাশে দারুচিনির গুঁড়া ছিটিয়ে দিলে সেই স্থানে পিঁপড়া বাসা বাঁধতে পারবে না। দারুচিনির ইসেনশল অয়েল’য়ে তুলার বল ভিজিয়ে ঘরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখতে পারেন। লেবুর রস: এর অম্লীয় উপাদান পিঁপড়ার ঘ্রাণশক্তিতে ঝামেলা বাধায়। এজন্য এককাপ পানিতে একটি আস্ত লেবুর রস মিশিয়ে তৈরি করতে পারেন পিঁপড়ারোধক স্প্রে। ঘরের যেসব স্থানে পিঁপড়া চোখে পড়বে সেখানে একটি করে লেবুর রসে ভেজানো তুলার বল রেখে দিলেও উপকার পাবেন। লালমরিচ: যে রাসায়নিক সংকেতের উপর নির্ভর করে পিঁপড়া খাবার বা নিজ বাসার পথ খুঁজে বের করে, সেই সংকেত নষ্ট করে লালমরিচের তীব্র ঘ্রাণ। ফলে ঘর থেকে কার্যকরভাবে পিঁপড়া তাড়ানো সম্ভব হয়। পিঁপড়া বাসা বাঁধার সম্ভাবনা আছে এমন জায়গাগুলো যেমন, রান্নাঘরে লালমরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে রাখলে পিঁপড়ার উপদ্রব থেকে স্থায়ী মুক্তি মিলবে। পেপারমিন্ট: কড়া গন্ধের কারণে প্রাকৃতিক কীটনাশক হিসেবে কাজ করে। পিঁপড়াকে খাবারের উৎস খুঁজে পেতে বাধা দেয়। দুই কাপ পানিতে কয়েকটি পুদিনা-পাতা সিদ্ধ করে নিন। ঠাণ্ডা হলে ঘরের পিঁপড়া আক্রান্ত জায়গায় এই পানি স্প্রে করতে হবে। এসব স্থানে কটনবাড দিয়ে মেনথল বা পেপারমিন্ট ইসেনশল অয়েল মাখালেও উপকার মিলবে। হোয়াইট ভিনিগার: এটিরও আছে তীব্র ঘ্রাণ যা পিঁপড়ার ঘ্রাণশক্তি দূর্বল করেG ফলে এদের দিক-নির্দেশনা বোঝার ক্ষমতা কমে যায়। আধা কাপ পানিতে ভিনিগার মিশিয়ে একটি স্প্রে বোতলে নিয়ে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে। পিঁপড়া আক্রান্ত জায়গায় এই মিশ্রণ ছিটালে দ্রুত উপদ্রব থেকে মুক্তি মিলবে। ছবি: রয়টার্স।