Alexa পিঁপড়ার কারণে বেঁচে গেলো নারীর সম্ভ্রম

ঢাকা, শুক্রবার   ২৩ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৮ ১৪২৬,   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

পিঁপড়ার কারণে বেঁচে গেলো নারীর সম্ভ্রম

আয়েশা পারভীন

 প্রকাশিত: ০৯:৩০ ৩০ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ০৯:৩০ ৩০ জানুয়ারি ২০১৯

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

এই পৃথিবীতে ১৮ হাজার জীব প্রাণী সৃষ্টি করেছেন মহান আল্লাহ তায়ালা। আর প্রত্যেক প্রাণীকে তিনি তার ইবাদত করার জন্য সৃষ্টি করেছেন। এসব সৃষ্টির মধ্যে মানুষকে সেরা জীব হিসেবে তিনি বানিয়েছেন। আর এই মানুষ অনেক সময় পশুর মত আচরণ করে। ওই সব পশুর আচরণ দেখে স্বয়ং আল্লাহর আরশ পর্যন্ত কাঁপে। হাদিস শরিফে এই ধরণের কিছু বাণীও রয়েছে। আমি সেদিকে যাবো না। তবে শুধু বলব, মানুষ পাপ করতে করতে যখন চরম মুহূর্তে উপনীত হয় তখন আল্লাহর আরশ পর্যন্ত কাঁপে।  

এই সব বড় গুনাহর মধ্যে রয়েছে যেমন, বোহতান করা, পাপাচারে লিপ্ত হওয়া, জিনাহ করা, আল্লাহর নাম নিয়ে মিথ্যা শপথ করা ইত্যাদি। এছাড়া আরো কবিরা গুনাহ বলতে আরো অনেক পাপ রয়েছে। তবে আমি সে সব আলোচনায় যাবো না। আমি আজ আলোচনা করব অন্য বিষয় নিয়ে। যদিও বা এটি একটি বড় পাপ ছিল।

ঘটনা হলো, এক ব্যক্তি অনেকদিন ধরে ধর্ষণ করতে চাইছেন এক তরুণীকে। এই জন্য বিভিন্ন সুযোগের আশাও করছেন তিনি। একদিন সময় সুযোগ বুঝে একটি নির্জন এলাকায় তিনি নিয়ে যান মেয়েটিকে। এরপর যা ঘটলো তা শুনলে আশ্চর্য হয়ে পড়বেন।

অলৌকিকভাবে ধর্ষণের হাত থেকে বেঁচে গেছেন সেই তরুণী। হয়ত মহান আল্লাহ তায়ালা তাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। আর ওই কর্মযজ্ঞ থেকে তাকে বাঁচিয়েছে একদল পিঁপড়া। তরুণীকে যখন ওই ব্যক্তি ধর্ষণ করার চেষ্টা করছিল তখন পুরো পিঁপড়ার দল তাকে কামড় দেওয়া শুরু করে এবং সবশেষ ওই ব্যক্তি মেয়েটিকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

আমিরাত ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, টনি ইরওয়ান নামের ২৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তি ওই কিশোরী মেয়েটিকে প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। আর ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি প্রদেশের সুকামাজুয়েতে।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়েছে, ওই ব্যক্তি অনেকবার মেয়েটিকে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হন। এরপর কৌশলে তাকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে এ কাজ করার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তার কাল হয় একদল কালো পিঁপড়া।

পরে পুলিশ ইরওয়ান নামের ওই ব্যক্তিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে। আর এ ঘটনায় তদন্তও শুরু করেছে তারা। যদি ঘটনা প্রমাণিত হয় তাহলে ইরওয়ান নামের ওই ধর্ষকের তিন বছর থেকে ১৫ বছরের পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ

Best Electronics
Best Electronics