Alexa পালিত হচ্ছে ‘কারা সপ্তাহ-২০১৮’

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৮ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৪ ১৪২৬,   ১৫ জ্বিলকদ ১৪৪০

পালিত হচ্ছে ‘কারা সপ্তাহ-২০১৮’

 প্রকাশিত: ২০:৫৭ ২২ মার্চ ২০১৮   আপডেট: ২০:৫৯ ২২ মার্চ ২০১৮

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

‘সংশোধন ও প্রশিক্ষণ, বন্দির হবে পুনর্বাসন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে দেশের ৬৮টি কারাগারে পালিত হচ্ছে ‘কারাসপ্তাহ-২০১৮’।

একসময় কারাগার মানেই ছিল সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারীদের সাজা কার্যকরের স্থান। সময়ের পরিক্রমায় বদলে গিয়েছে সেই চিরায়ত ধ্যান-ধারণা।

বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় দেশের কারাগারগুলো আজ কারাবন্দীদের সাজা প্রদানের পাশাপাশি তাদের সংশোধন করে সমাজে পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেওয়ায় জন্য গ্রহণ করেছে নানা পরিকল্পনা যাতে করে কারাভোগের পর কারাবন্দীরাও সমাজ ও দেশের কল্যাণে পালন করতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

‘কারাসপ্তাহ-২০১৮’যা ২০মার্চ থেকে শুরু হয়ে চলবে আগামী ২৬ মার্চ পর্যন্ত।

এ উপলক্ষে সকল কারাগারে আয়োজন করা হয়েছে সপ্তাহব্যাপী তথ্য ও সেবা কেন্দ্র পরিচালনা, বন্দিদের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে কারামেলা, কারারক্ষী ও বন্দিদের বিশেষ দরবার, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, কারা কর্মচারী ও বন্দিদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ কারারক্ষীদের বিশেষ প্যারেড।

কারাবন্দীদের দক্ষকর্মীতে রূপান্তরের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বন্দিদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

কারাগারগুলোতে কুটিরশিল্প ও বেকারি স্থাপন করা হয়েছে যেখানে পণ্যসামগ্রী বিক্রির টাকা থেকে লভ্যাংশের ৫০ শতাংশ পাচ্ছে বন্দিরা।

এছাড়াও কারা বিভাগকে শক্তিশালী করতে নতুন করে ৩ হাজার ১০৭ জন কর্মচারী নিয়োগের আদেশ জারি হয়েছে। সরকারি অন্যান্য পোশাকধারী সংস্থার সাথে মর্যাদার ও পদোন্নতির সামঞ্জস্য খতিয়ে দেখে গ্রেড উন্নতীকরণের বিষয়টি সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে।

কোনো ব্যক্তিই অপরাধী হয়ে জন্মায় না।

পরিস্থিতি ও পারিপার্শ্বিকতা মানুষকে অপরাধপ্রবণ করে তোলে। কারাবন্দীদের সাজাভোগের পর দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের যে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার তা দেশের জন্য কল্যাণ বয়ে নিয়ে আসবে, এমনটিই মনে করেন বিশ্লেষকরা।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে