.ঢাকা, বুধবার   ২০ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৫ ১৪২৫,   ১৩ রজব ১৪৪০

পাবনায় স্বউদ্যোগে হচ্ছে ইউপি ভবন

পাবনা প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৮:২৫ ১০ আগস্ট ২০১৮   আপডেট: ১৮:২৫ ১০ আগস্ট ২০১৮

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সাঁথিয়া উপজেলার ইউএনও জাহাঙ্গীর আলম

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সাঁথিয়া উপজেলার ইউএনও জাহাঙ্গীর আলম

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আর আতাইকুলা ইউপি ভবন ভেঙে ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ হচ্ছে তিনতলা ভবন।

শুক্রবার প্রধান অতিথি হিসেবে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সাঁথিয়া উপজেলার ইউএনও জাহাঙ্গীর আলম। ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মিরাজুল ইসলাম বিশ্বাস এর উদ্যোগে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এ কাজের ব্যয়ভার মেটানো হচ্ছে স্থানীয়ভাবে। এতে গত প্রায় ২০ বছর ধরে চলে আসা দুর্ভোগের অবসান হবে বলে স্থানীয়রা জানান। 

সরেজমিনে আর আতাইকুলা ইউপি পরিদর্শনে দেখা যায়, শতবর্ষী জরাজীর্ণ ভবনের ছাদ,দেয়ালের আস্তর খসে পড়ছে। চেয়ারম্যানসহ ইউপি কর্মচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই কাজ করেন। মেম্বাররা মিটিং করেন। বিভিন্ন কাজে আ সা লোকজন ঝুঁকি নিয়ে বসে থাকেন। এ অবস্থা চলছিল গত প্রায় ২০ বছর ধরে।

ইউপি সচিব রফিকুল ইসলাম জানান,ভবনটি বৃটিশ আমলে নির্মিত। সামান্য বৃষ্টিতেই হাটু পানি জমে যায়। ছাদের প্লাষ্টার খসে খসে পড়ে।মোটকথা চারদিক দিয়েই বিপদ। দরকারি কাগজপত্র রক্ষা করাই মুশকিল হয়ে গেছে।

সরকারিভাবে ভবনটি নির্মাণ না হওয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব  মিরাজুল ইসলাম বিশ্বাস স্থানীয়ভাবে নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন বলে তিনি জানান।

ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব  মিরাজুল ইসলাম বিশ্বাস জানান,বাবা আলহাজ্ব কোরবান আলী বিশ্বাসও এ ইউপির চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনিও চেষ্টা করেছিলেন ভবনটি সরকারিভাবে নির্মাণের। কিন্তু তা হয়নি। এখন আমি স্থানীয়ভাবে উদ্যোগ নিয়েছি। এ কাজে উৎসাহ দিয়েছেন  ইউএনও জাহাঙ্গীর আলম , ইউপি মেম্বার ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা। প্রথমে একতলা ভবন হবে।  পরে পর্যায়ক্রমে তিনতলার কাজ শেষ হবে।

এ ইউপিতে কাজ করে গেছেন ইউপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আহম্মদ আলী। তিনি বলেন,এত বছর পার হলেও ভবনটির সংস্কার কাজ হয়নি। এবার তরুণ চেয়ারম্যান মিরাজুল যা করছেন তা প্রশংসনীয় কাজ।

চেয়ারম্যানের এমন উদ্যোগে খুশি ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বার গোলাম মোস্তফা। তিনি জানান, ইউএনও সৃজনশীল কাজের মানুষ। তিনিও এ কাজের জন্য প্রশংসার দাবিদার।

সাঁথিয়া উপজেলার ইউএনও জাহাঙ্গীর আলম জানান, ইউপি ভবনটি ব্যবহারের জন্য নিরাপদ নয়।  নতুন ভবন নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছিল। সেটি স্বউদ্যোগে শুরু হয়েছে। এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় একটি কাজ। এমন ভাল কাজে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম