Alexa পাবনায় ধর্ষণের পর থানায় বিয়ে: আসামি গ্রেফতার

ঢাকা, সোমবার   ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ১ ১৪২৬,   ১৬ মুহররম ১৪৪১

Akash

পাবনায় ধর্ষণের পর থানায় বিয়ে: আসামি গ্রেফতার

পাবনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:০০ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৪:০৩ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আসামি শরিফুল ইসলাম ঝন্টু

আসামি শরিফুল ইসলাম ঝন্টু

পাবনায় গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূর সঙ্গে ধর্ষকের বিয়ে দেয়া মামলার অন্যতম আসামি শরিফুল ইসলাম ঝন্টুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঝন্টু তার অফিসে ওই নারীকে তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পাবনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবনে মিজান বলেন, মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে টেবুনিয়া খাদ্যগুদাম এলাকা থেকে মামলার অন্যতম আসামি শরিফুল ইসলাম ঝন্টুকে (৩৮) গ্রেফতার করে পুলিশ।

‘ওই খাদ্যগুদামের পেছনে ঝন্টুর অফিস, যেখানে ওই নারীকে তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয় বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে।’

ঝন্টুর ওই অফিসে কী কাজ হয় সে বিষয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কিছু বলতে পারেনি। তবে ঝন্টুর বৈধ কোনো ব্যবসা নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঝন্টুর বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ আছে কিনা তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি পুলিশ কর্মকর্তা এবনে মিজান।

তিন সন্তানের জননী ওই নারীর অভিযোগ, প্রতিবেশী রাসেল আহমেদ গত ২৯ অগাস্ট তাকে তার বাড়িতে নিয়ে এক সহযোগীসহ পালা করে ধর্ষণ করে। দুদিন পর তাকে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিসে নিয়ে তিন দিন আটকে রাখে এবং সেখানে আরো ৪ থেকে ৫ জন তাকে ধর্ষণ করে।

ওই নারী বাড়ি ফিরে স্বজনদের বিষয়টি জানালে ৫ সেপ্টেম্বর তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেই গৃহবধূর নিজেই বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ রাসেলকে আটক করে। কিন্তু মামলা নথিভুক্ত না করে পুলিশ ওই রাতেই রাসেলের সঙ্গে তার বিয়ে দেয়।

এ বিষয়ে পুলিশ কর্তৃপক্ষ ওসি ওবায়দুল হককে কারণ দর্শাতে বলেছে। এছাড়া ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরে থানায় মামলা নেয়া হয়। ঘটনা তদন্তের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পুলিশ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে/টিআরএইচ