Alexa পাবনায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

ঢাকা, সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৮ ১৪২৬,   ২৩ মুহররম ১৪৪১

Akash

পাবনায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

পাবনা প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ২১:৩৬ ১ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ২১:৪৫ ১ ডিসেম্বর ২০১৮

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউপির দাদপুর গ্রামে শনিবার জাকিয়া সুলতানা ঝুমু নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

নিহতের পরিবারের দাবি শারীরিক নির্যাতন করে পরিকল্পিতভাবে ঝুমুকে হত্যা করা হয়েছে। অপরদিকে, পুলিশের দাবি বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তার মৃত্যু হয়েছে।

নিহত ঝুমু একই ইউপির আতাইল শিমুল গ্রামের রেলওয়ে কর্মচারি আবেদ আলী প্রামাণিকের ছোট মেয়ে ও দাদপুর গ্রামের রেজাউল করিম রিন্টুর স্ত্রী।

নিহতের ভাই আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, প্রায় চার বছর আগে দাদপুর গ্রামের আজমল হোসেনের ছেলে রেজাউল করিম রিন্টুর সঙ্গে জাকিয়া সুলতানা ঝুমুর দুই লাখ টাকা যৌতুক দিয়ে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিল শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

এমনকি বাবার বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে ও বেড়াতে আসতে দিতো না। শনিবার সকালের দিকে ওই এলাকার স্থানীয় এক প্রতিবেশী মোবাইলে খবর দেয়, আমার বোন ঝুমু বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছে। খবর পেয়ে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে শুনতে পাই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেছেন।

আরিফুল বলেন, ডাক্তার মৃত ঘোষণা করার পরও শ্বশুরবাড়ির লোকজন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য মরদেহ গাড়িতে তুলছিল। এসময় আমরা হাসপাতালে পৌঁছালে তারা মরদেহ ফেলে রেখে সটকে পড়েন। বোনের গায়ে বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখে আমাদের সন্দেহ হয় তাকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

ঈশ্বরদী থানার এসআই শরিফুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় ওই গৃহবধূ বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে দগ্ধ হওয়ার পর প্রতিবেশীরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর ঝুমুর মৃত্যু হয়।

ঈশ্বরদী থানার ওসি বাহা উদ্দীন ফারুকী বলেন, তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ