Exim Bank Ltd.
ঢাকা, বুধবার ২৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১০ মাঘ ১৪২৫

পানি পানের আদব (পর্ব- ২)

মাওলানা ওমর ফারুকডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
পানি পানের আদব (পর্ব- ২)
ফাইল ছবি

বড় পাত্রে মুখ লাগিয়ে পান করা,

عن ابى سعيد الخدرى رضى الله عنه ، قال: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اختناث الاسقية ، يعنى ان تكسر افواهها و يشرب منها (مسلم)

এ হাদীসে একটি আদবের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। হজরত আবু সাঈদ খুদরী (রা.) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখ মুড়ে সেখানে মুখ লাঘিয়ে পান করা থেকে নিষেধ করেছেন। বর্তমানের পানির গ্যালনের মত ওই যুগে ছিল পানির মশক। গ্যালনে বা মশকে তথা বড় পাত্রে মুখ লাগিয়ে পান করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন।’ (বুখারী, হাদীস নং- ৫১৯৪, মুসলিম, হাদীস নং- ৩৭৬৯)

নিষেধের কারণ দু’টি: ওলামায়ে কেরাম লিখেছেন, নিষেধের কারণ ছিল দু’টি-

প্রথমত: গ্যালন কিংবা মশক যেহেতু সাইজে বড় হয়, বিধায় ভেতরে কোনো বস্তু পড়ে মরে থাকা এবং এর দ্বারা পানি দূষিত হয়ে যাওয়া কিংবা অপবিত্র হয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়।

দ্বিতীয়ত: বড় পাত্র থেকে পান করতে গেলে এক সঙ্গে অনেক পানি গলায় আটকে যেতে পারে । এতে পানকারীর সমস্যা হতে পারে। তাই বড় পাত্রে মুখ লাগিয়ে পান করা নিষেধ।

উম্মতের জন্য মায়া-মমতা:

এ জাতীয় হাদীস মূলত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরদের বহিঃপ্রকাশ। উম্মতের জন্য তাঁর এ দরদ তিনি দেখিয়েছেন, উম্মতকে আদব শেখানোর উদ্দেশ্যে। অথ্যথায় বড় পাত্রের মুখে পান করা হারাম নয়। প্রয়োজনে পান করা যাবে। যেমন দু’-একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও করেছেন। হ্যাঁ, আদবের পরিপন্থী তো অবশ্যই। তাই বিরত থাকা ভালো। জরুরতের সময় সুযোগ আছে পান করার।

মটকায় মুখ লাগিয়ে পান করা:

وعن ام ثابت كبشة بنت ثابت ، اخت حسان بن ثابت رضى الله عنه وعنها قالت: دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فشرب من فى قربة معلقة قائما، فقمت الى فيها، فقطعته

‘বিশিষ্ট কবি সাহাবি হজরত হাসসান ইবনে সাবিত (রা.) এর সহোদরা কাবাশাহ বিনতে সাবিত (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে তাশরীফ আনেন। ঘরে একটি মশক ঝুলন্ত ছিল। তিনি মশকের মুখে নিজ মুখ লাগিয়ে দাঁড়িয়ে পানি পান করলেন। হজরত কাবাশাহ বলেন, তিনি যখন চলে গেলেন, তখন আমি মশকের কাছে গেলাম এবং তার পবিত্র ঠোঁট যেখানে লেগেছে, সে অংশটি আমি কেটে সযত্নে কাছে রেখে দিলাম।’ (তিরমিযী, হাদীস নং-১৮১৪, ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-৩৪১৪)

এ হাদীস থেকে প্রতীয়মান হয়, নিষেধের হাদীস ছিল, আমাদের জন্য দরদের হাতছানি। পক্ষান্তরে এ হাদীসটি লো, প্রয়োজনের সময় মশকের মুখে পান করার অনুমতি।

নবী করীম (সা.) এর ঠোঁট যে বস্তুকে স্পর্শ করে:

প্রিয়তমের পবিত্র ঠোঁট যে জায়গা স্পর্শ করেছে, কাবাশাহ (রা.) এর কাছে সেটি ‘মুবারক’ হয়ে দেখা দিয়েছে। তাই তিনি হেফাজত করেছেন। এ ছিল সাহাবায়ে কেরামের নবীপ্রেমের নমুনা। প্রিয়তম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য তারা থাকতেন সর্বদা নিবেদিত।

এই চুল পুণ্যময়:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক সাহাবী আবু মাহযূরা (রা.)। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে মক্কা শরীফের মুয়াজ্জিন নিযুক্ত করেছিলেন। কিশোর বয়সে তিনি মুসলমান হয়েছিলেন। ইসলাম গ্রহণকালে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মাথায় আদর করে হাত রেখেছিলেন। হজরত আবু মাহযূরা (রা.) বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার চুলের যে অংশ স্পর্শ করেছেন সে অংশ আমি আজীবন কর্তন করিনি। কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতের ছোঁয়া থেকে বরকত লাভ করেছি।

বরকতের তাৎপর্য:

এ হাদীস থেকে প্রতীয়মান হলো, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো বস্তু কিংবা সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ীন, বুযুর্গানে দ্বীন ও আউলিয়ায়ে কেরামের কোনো জিনিস বরকতের নিয়তে রাখা যাবে। বর্তমানে অনেকে এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি করে। কেউ কেউ আবার সংকীর্ণতা দেখায়। প্রথম পক্ষের ধারণা হরো, তাবারুকই সবকিছু। আর দ্বিতীয় পক্ষের বক্তব্য হলো, যে কোনো তাবারুক শিরকের অন্তর্ভুক্ত। অথচ প্রকৃত সত্য এতদুয়ের মাঝামাঝি। অর্থাৎ ‘তাবারুক’ শিরকের বাহনও নয় কিংবা সবকিছুও নয়। বরং তাবারুক হলো, আল্লাহওয়ালাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার একটা উসিলা। এর মাধ্যমে আল্লাহওয়ালাদের সঙ্গে সম্পর্ক হয়, বিধায় বরকতও নাজিল হয়। একে শিরক আখ্যা দেয়া যাবে না, যেমনিভাবে এসে ‘সবকিছু’ ভাবা যাবে না। এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করা মানে সঠিক পথ থেকে ছিটকে পড়া এবং সংকীর্ণতা দেখানো মানে আল্লাহওয়ালার সঙ্গে বেয়াদবী করা। সুতরাং উভয়টাই পরিহার করে মধ্যপন্থা গ্রহণ করতে হবে।

বরকতময় দিরহাম (মুদ্রা):

বিশিষ্ট সাহাবী হজরত জাবের (রা.।) একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে কিছু দিরহাম দিয়েছিলেন। তিনি দিরহামগুলো খরচ করেননি। আজীবন নিজের কাছে সযত্নে রেখে দিলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দানকৃত দিরহাম বরকতময় মনে করে এভাবে তার মূল্যায়ন করলেন। এমনকি মৃত্যুর পূর্বে সন্তানদেরকেও অসিয়ত করে বলে দিয়েছেন, ‘দিরহামগুলো আমাকে আমার প্রিয়তম হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দান করেছেন। এগুলো তোমরা কখনও খরচ করবে না। বরকত হিসেবে দিরহামগুলো নিজেদের কাছে রাখবে।’ পরবর্তীতে দেখা গেছে, হজরত জাবের (রা.) এর বংশে দীর্ঘকালব্যাপী এটি সংরক্ষণ করা হয়ে এসেছে। অবশেষে অনাকাঙ্খিত এক পরিস্থিতিতে সেগুলো ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।

প্রিয় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বরকতময় ঘাম:

মহিলা সাহাবী হজরত উম্মে সালীম (রা.)। প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন। তিনি বলেন, ‘একদিন দেখতে পেলাম, প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুয়ে আছে। গরমের মওসুম ছিল। প্রিয়তম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র শরীর থেকে বিন্দু বিন্দু ঘাম ঝরছিল। আমি একটি শিশি নিলাম। ঘামগুলো যত্নের সঙ্গে শিশিতে ভরে রাখলাম। কস্তুরি কিংবা জাফরানের সুগন্ধি নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘামের সুগন্ধির কাছে কিছুই মনে হলো না। আমার ঘরে সুগন্ধি ব্যবহারের প্রয়োজন হলে এখান থেকে সামান্য একটু নিতাম এবং অন্য সুগন্ধির সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করতাম। বরকতের উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন পর্যন্ত ঘামগুলো আমার ঘরেই ছিল। ব্যবহার করতে করতে একদিন শেষ হয়ে গেল।’

হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বরকতময় চুল:

এক মহিলা সাহাবী বলেন, ‘প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু চুল সৌভাগ্যক্রমে আমার হাতে আসে। আমি একটি শিশির ভেতর পানি ঢুকিয়ে বরকতময় চুলগুলো সেখানেই রেখে দিলাম। আমাদের কেউ অসুস্থ হলে শিশিটি থেকে এক দু’ ফোটা পানি অন্য পানির সঙ্গে মিশিয়ে নিতাম এবং রোগীকে পান করাতাম। এতে রোগ ভালো হয়ে যেত।’ মোট কথা সাহাবায়ে কেরাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রাপ্ত জিনিসের এভাবে মূল্য দিয়েছেন। বরকত লাভের নিয়তে আজীবন সংরক্ষণ করেছেন। তারপর বংশ পরম্পরায় সেগুলো সংরক্ষিত হয়েছে।

সাহাবায়ে কেরাম এবং বরকত অর্জন:

সাহাবী হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, ‘মক্কা থেকে মদীনা যাওয়ার পথে যেখানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবস্থান করতেন, সেখানে আমিও অবস্থান করি এবং দু’রাকাত নফল নামাজ পড়ি, তারপর সামনে অগ্রসর হই।

সাহাবায়ে কেরাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বরকময় স্মৃতিগুলোকে এভাবেই গুরুত্ব দিতেন, যত্ন নিতেন এবং হেফাজতের ব্যবস্থা করতেন। কিন্তু এক্ষেত্রে তাদের মাঝে বাড়াবাড়ি ছিল না। শিরক কিংবা বেয়াদবীপূর্ণ আচরণ তাদের থেকে কল্পনাও করা যেত না।

বরকতময় বস্তুর ক্ষেত্রে মধ্যপন্থা অবলম্বন প্রয়োজন:

পুণ্যময় স্মৃতির প্রতি ভক্তি যেন পূর্তিপুজায় রূপ না নেয়। পুণ্যময় স্মৃতির ব্যাপারে মধ্যপন্থা অবলম্বন প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বেয়াদবী কিংবা শিরকী উভয় পথই পরিত্যাজ্য। মধ্যপন্থাই কেবল গ্রহণযোগ্য। মাওলানা জামী (রহ.) বলেন, ‘আমি মদীনার কুকুরকেও সম্মান করি। কেননা এ কুকুর তো রাসূলে কারমি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শহরের অধিবাসী।’ মাওলানা জামী (রহ.) এর এ জাতীয় উক্তি হলো, মূলত: ইশক ও মহব্বতের অভিব্যক্তি।

প্রিয়তমের সঙ্গে সামান্যতমম সম্পর্কও যার আছে, তার প্রতিও বুযুর্গদের কোমলতা প্রকাশ পেয়েছে। এ মহব্বত মূলত: ‘বস্তু’ কিংবা ‘জন্তু’র প্রতি নয়; বরং এ হলো, প্রিয়তম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। এতে শিরকের লেশও নেই; বেআদবীরও প্রকাশ নেই। আল্লাহ আমাদেরকে এ রকম মধ্যপন্থায় থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন।

আরো পড়ুন>>> পানি পান করার আদব (পর্ব -১)

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
নতুন হাইস্পিড রেলে ঢাকা থেকে ৫৪ মিনিটে চট্টগ্রাম
নতুন হাইস্পিড রেলে ঢাকা থেকে ৫৪ মিনিটে চট্টগ্রাম
সেলফিতে মাশরাফী দম্পতি
সেলফিতে মাশরাফী দম্পতি
বঙ্গোপসাগরে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার যন্ত্রযুক্ত কচ্ছপ উদ্ধার
বঙ্গোপসাগরে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার যন্ত্রযুক্ত কচ্ছপ উদ্ধার
বাংলাদেশের মাঝে এক টুকরো ‌'কাশ্মীর'!
বাংলাদেশের মাঝে এক টুকরো ‌'কাশ্মীর'!
‘মা’ গানে মাতালেন নোবেল, কাঁদালেন মঞ্চ (ভিডিও)
‘মা’ গানে মাতালেন নোবেল, কাঁদালেন মঞ্চ (ভিডিও)
এমপি হচ্ছেন মৌসুমী!
এমপি হচ্ছেন মৌসুমী!
মদের চেয়ে দুধ ক্ষতিকর: মার্কিন পুষ্টিবিদ
মদের চেয়ে দুধ ক্ষতিকর: মার্কিন পুষ্টিবিদ
পাসওয়ার্ড না দেয়ায় স্বামীকে পুড়িয়ে মারল স্ত্রী
পাসওয়ার্ড না দেয়ায় স্বামীকে পুড়িয়ে মারল স্ত্রী
বিয়েতে সৌদি নারীদের পছন্দের শীর্ষে বাংলাদেশি পুরুষরা!
বিয়েতে সৌদি নারীদের পছন্দের শীর্ষে বাংলাদেশি পুরুষরা!
স্ত্রীর ‘বিশেষ’ আবেদনে মলম মাখিয়ে বিপাকে স্বামী!
স্ত্রীর ‘বিশেষ’ আবেদনে মলম মাখিয়ে বিপাকে স্বামী!
সোমবার ‘চন্দ্রগ্রহণ’
সোমবার ‘চন্দ্রগ্রহণ’
শুধুই নারীসঙ্গ পেতে পর্যটকরা যেসব দেশে ভ্রমণ করেন
শুধুই নারীসঙ্গ পেতে পর্যটকরা যেসব দেশে ভ্রমণ করেন
মৃত মানুষের বাড়িতে কান্না করাই তাদের পেশা!
মৃত মানুষের বাড়িতে কান্না করাই তাদের পেশা!
পালিয়ে বিয়ে করলে আশ্রয় দেবে পুলিশ
পালিয়ে বিয়ে করলে আশ্রয় দেবে পুলিশ
বিয়ের খবর প্রকাশ করলেন সালমা
বিয়ের খবর প্রকাশ করলেন সালমা
স্ত্রীকে ভালোবাসার বিরল ঘটনা: ৫৫ হাজার পোশাক উপহার
স্ত্রীকে ভালোবাসার বিরল ঘটনা: ৫৫ হাজার পোশাক উপহার
গণিতে ভীত ছাত্রী এখন নাসার ইঞ্জিনিয়ার
গণিতে ভীত ছাত্রী এখন নাসার ইঞ্জিনিয়ার
বৃক্ষমানবের হাতে পায়ে ফের শেকড়
বৃক্ষমানবের হাতে পায়ে ফের শেকড়
বিষ খেয়ে হাসপাতালেই বিয়ে!
বিষ খেয়ে হাসপাতালেই বিয়ে!
পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ কাল
পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ কাল
শিরোনাম :
কুমিল্লার হত্যা মামলায় খালেদা জিয়ার আবেদন নাকচ, ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের কুমিল্লার হত্যা মামলায় খালেদা জিয়ার আবেদন নাকচ, ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের খুলনায় বিশেষ অভিযানে ১২ জন মাদক ব্যবসায়ীসহ অর্ধশতাধিক আটক খুলনায় বিশেষ অভিযানে ১২ জন মাদক ব্যবসায়ীসহ অর্ধশতাধিক আটক মণিরামপুরে যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার মণিরামপুরে যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় একই পরিবারের ছয় জনসহ প্রাণ গেল ৭ জনের লক্ষ্মীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় একই পরিবারের ছয় জনসহ প্রাণ গেল ৭ জনের